NCP দল (ফাইল ছবি)বাংলাদেশে ন্যাশনাল সিটিজেন পার্টির (NCP)-র একাধিক নেতার পদত্যাগ। ২০২৬ সালের ফেব্রুয়ারির সাধারণ নির্বাচনের আগে জোর ধাক্কা। জামাত ইসলামির সঙ্গে দলের জোট নিয়ে অভ্যন্তরীণ মতবিরোধ দেখা যায়। যএ কারণে NCP-র একাধিক নেতা পদত্যাগ করেছেন। দলের কিছু নেতা সরাসরি জামায়াত ইসলামির সঙ্গে জোটকে প্রধান কারণ হিসেবে উল্লেখ করে পদত্যাগ করেছেন।
এক সপ্তাহেরও কম সময়ের মধ্যে কমপক্ষে ৭ জন সিনিয়র NCP নেতা আনুষ্ঠানিকভাবে পদত্যাগ করেছেন। যার মধ্যে রয়েছেন তাসনিম জারা (সিনিয়র যুগ্ম সদস্য সচিব), আরিফ সোহেল (যুগ্ম সদস্য সচিব), মীর আরশাদুল হক (যুগ্ম সদস্য সচিব), আজাদ খান ভাসানী (কৃষক উইংয়ের প্রধান সমন্বয়কারী), মোহাম্মদ আবুল কাশেম (ফেনী-৩ মনোনয়ন প্রত্যাশী), খালেদ সাইফুল্লাহ (যুগ্ম আহ্বায়ক) এবং অন্যান্যরা।
আরেকজন বরিষ্ঠ নেতা, খান মহম্মদ মুরসালিন (যৌথ প্রধান সমন্বয়কারী), পদত্যাগ করেছেন, যার ফলে পদত্যাগের সংখ্যা কমপক্ষে ৮ জনে দাঁড়িয়েছে।
এই নিশ্চিত পদত্যাগপত্র ছাড়াও, আরও বেশ কয়েকজন এনসিপি সদস্য (বিশিষ্ট মহিলা নেত্রী সহ) প্রকাশ্যে জোটের বিরোধিতা করেছেন। ভিন্নমত প্রকাশ করেছেন। প্রায় ৩০ জন নেতার বিরোধিতার খবর পাওয়া গেছে, যদিও সকলেই আনুষ্ঠানিকভাবে দলত্যাগ করেননি।
পদত্যাগকারী নেতারা তাদের চিঠিতে মূলত সিদ্ধান্ত গ্রহণে স্বচ্ছতার অভাব, রাজনৈতিক আপস, গণ-অভ্যুত্থানের চেতনা থেকে বিচ্যুতি এবং নতুন রাজনৈতিক বন্দোবস্তের পথ ছেড়ে ক্ষমতার রাজনীতিতে নামার অভিযোগ তুলেছেন।