West Bengal Election 2026: মুসলিম-প্রধান আসনগুলিতে কার প্রভাব বেশি? ২০২৬-এর বিধানসভা ভোটের আগে সেই প্রশ্নই ভাবাচ্ছে অনেককে। ২০২১ সালে এই অঞ্চলগুলিতে রীতিমতো ঝড় তুলেছিল তৃণমূল(All India Trinamool Congress)।
'পশ্চিমবঙ্গে শেষবার বিনা বাধায় নির্বাচন দেখেছিল ২০১১ সালে। এবার ২০২৬ সালের নির্বাচনেও মানুষ ভোট দিতে পারবেন'। প্রতিক্রিয়া দিলেন বিজেপির রাজ্য সভাপতি শমীক ভট্টাচার্য।
পশ্চিমবঙ্গের চূড়ান্ত ভোটার তালিকায় একটি ক্যাটেগরি 'ডিলিটেড'। অসংখ্য ব্যক্তির নাম রয়েছে এই তালিকায়। সেই তালিকাভুক্তরা অনেকেই জীবিত হওয়া সত্ত্বেও তাঁদের নাম মৃত হিসেবে ডিলিট করা হয়েছে। সেক্ষেত্রে কি তাঁরা ভোট দিতে পারবেন? রইল আবেদনের প্রক্রিয়া।
'মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় ও তাঁর ভাইপো সিঁটিয়ে গিয়েছে। তাই ধর্নায় বসছেন। আগামী দিনে অনেক কিছু ঘটবে'। বললেন বিজেপির প্রাক্তন রাজ্য সভাপতি সুকান্ত মজুমদার।
প্রকাশ্যে মাছ, মাংস বিক্রি বন্ধ করেছেন বিহারের মুখ্যমন্ত্রী নীতীশ কুমার। আর সেই খবর সামনে আসার পরই উত্তপ্ত হয়েছে বঙ্গ রাজনীতি। এই ইস্যুকে সামনে রেখে পশ্চিমবঙ্গ বিজেপিকে আক্রমণ করতে ছাড়েনি শাসক দল তৃণমূল। বাংলায় বিজেপি ক্ষমতায় এলে যে পশ্চিমবঙ্গেও মাছ, মাংস খাওয়ার চল বন্ধ হয়ে যাবে, এমনটাই দাবি করা হচ্ছে TMC-এর পক্ষ থেকে।
রাজ্যে বিধানসভা ভোটের বাদ্যি বেজে গিয়েছে। প্রকাশিত হয়েছে SIR পরবর্তী রাজ্যের ফাইনাল ভোটার লিস্টও। এখন কেবল ভোট ঘোষণা বাকি। আর এমন পরিস্থিতিতে রবিবার, ৮ মার্চ রাজ্যে নির্বাচন কমিশনের ফুল বেঞ্চ আসতে চলেছে বলে খবর বিভিন্ন সংবাদমাধ্যম সূত্রে। আর সেই দলে থাকতে পারেন মুখ্য নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানের কুমার। তারপরই ভোট ঘোষণা হতে পারে বলে মনে করা হচ্ছে।
রবিবার থেকে রাজ্যের একাধিক প্রান্তে শুরু হয়েছে বিজেপির পরিবর্তন যাত্রা। পদ্ম শিবিরের কেন্দ্রীয় নেতারা পরিবর্তন যাত্রার জন্য রাজ্যে আসছেন। সোমবার উত্তর দিনাজপুরের ইসলামপুরে সভা করতে এসে বিজেপির সর্বভারতীয় সভাপতি বলেছেন, ‘ইসলামপুর হবে ঈশ্বরপুর।' প্রসঙ্গত, সাম্প্রতিক বছরগুলিতে উত্তরপ্রদেশ, মহারাষ্ট্র, রাজস্থান সহ দেশের বিভিন্ন রাজ্যে বিজেপি সরকার নানা ঐতিহাসিক শহরের নাম পরিবর্তন করেছে। নিতিন নবীনের এই দাবির পর এবার সেই একই মডেল বাংলায় প্রয়োগ করার যেন ইঙ্গিত দিল গেরুয়া শিবির।
রাজ্যের রাজনৈতিক অঙ্কে ভবানীপুরকে বিশেষ গুরুত্ব দিচ্ছে বিজেপি। লক্ষ্য একটাই, মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে তাঁর নিজের কেন্দ্রেই ব্যস্ত ও চাপে রাখা। দলের অন্দরমহলের বক্তব্য, রাজ্যজুড়ে প্রচারের বদলে যদি তৃণমূল নেত্রীকে ভবানীপুরে বেশি সময় দিতে বাধ্য করা যায়, তা হলে তা বিজেপির কৌশলগত সাফল্য হিসেবে দেখা হবে।
দোলের দিন শুভেন্দু অধিকারীর একটি মন্তব্য ঘিরে জোর চর্চা শুরু হয়ে। এবার রাজ্যের বিরোধী দলনেতার বিরুদ্ধে থানায় অভিযোগ দায়ের করল বামেরা। CPIM-এর যুব সংগঠন DYFI-এর পক্ষ থেকে বালিগঞ্জ থানায় একটি অভিযোগ দায়ের করা হয়েছে শুভেন্দুর বিরুদ্ধে। ঠিক কী বলেছিলেন রাজ্যের বিরোধী দলনেতা?
২০২৪ লোকসভা নির্বাচনে সাতটি আসন বাড়িয়ে পশ্চিমবঙ্গে ২৯-এ পৌঁছে গিয়েছিল তৃণমূল কংগ্রেস। আপাতদৃষ্টিতে এই ফল শাসকদলের শক্তি বৃদ্ধির ইঙ্গিত দেয়। কিন্তু বিধানসভা-ভিত্তিক লিডের অঙ্ক খুলতেই ধরা পড়ছে অন্য ছবি।
চৈতন্য মহাপ্রভুর বাংলায় ধর্মনিরপেক্ষতা বজায় রাখার পক্ষে জোরাল সওয়াল করলেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। পাল্টা তাঁর গড়, ভবানীপুরে দাঁড়িয়েই দোল উৎসবের সকালে শুভেন্দু অধিকারী বললেন, 'সেক্যুলারিজম নিপাত যাক।'