Mamata Banerjee On Tarique Rahman : বাংলাদেশের হবু প্রধানমন্ত্রী তারেককে ফুল ও মিষ্টি পাঠিয়ে শুভেচ্ছা মমতার

ভোটের ফলাফল সামনে আসার পর থেকেই বিভিন্ন দেশ ও রাজ্যের প্রশাসনিক প্রধানরা তারেককে শুভেচ্ছা জানিয়েছেন। ব্যতিক্রম নন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ও। এমনিতেই পশ্চিমবঙ্গের সঙ্গে বাংলাদেশ অনেকটা সীমানা ভাগ করে।

Advertisement
বাংলাদেশের হবু প্রধানমন্ত্রী তারেককে ফুল ও মিষ্টি পাঠিয়ে শুভেচ্ছা মমতারতারেককে শুভেচ্ছা মমতার
হাইলাইটস
  • তারেক রহমানকে ফুল ও মিষ্টি দিয়ে শুভেচ্ছা জানালেন রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়
  • শেখ হাসিনার আমলে নির্বাসিত হয়েছিলেন তারেক

বাংলাদেশের পরবর্তী প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানকে ফুল ও মিষ্টি দিয়ে শুভেচ্ছা জানালেন রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। বাংলাদেশ ন্যাশনাল পার্টির মিডিয়া সেলের সদস্য আতিউর রহমান রুমাল গুলশানে বিএনপি চেয়ারপার্সেনের পার্টি অফিসে ফুল ও মিষ্টি গ্রহণ করেন। 

ভোটের ফলাফল সামনে আসার পর থেকেই বিভিন্ন দেশ ও রাজ্যের প্রশাসনিক প্রধানরা তারেককে শুভেচ্ছা জানিয়েছেন। ব্যতিক্রম নন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ও। এমনিতেই পশ্চিমবঙ্গের সঙ্গে বাংলাদেশ অনেকটা সীমানা ভাগ করে। ভারতের এই রাজ্যের সঙ্গে প্রতিবেশী দেশটির অনেক চুক্তিও রয়েছে। সুতরাং কূটনৈতিক দিক থেকে দেখলে এই শুভেচ্ছা প্রদান অত্যন্ত তাৎপর্যপূর্ণ। 

শুক্রবারই মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় তাঁর এক্স হ্যান্ডেলে তারেককে বিজয়ের জন্য শুভেচ্ছা জানাতে গিয়ে তারেক ভাই বলে সম্বোধন করেছিলেন। তিনি লিখেছিলেন, 'শুভনন্দন, আমার সকল ভাই-বোন এবং বাংলাদেশের জনগণকে আন্তরিক অভিনন্দন। সবাইকে অগ্রিম রমজান মোবারক। এই বিরাট জয়ের জন্য আমার তারেক ভাই, তার দল এবং সব দলকে অভিনন্দন।' 

বাংলাদেশের ১৩তম সংসদ নির্বাচনে বিএনপি দুই-তৃতীয়াংশ সংখ্যাগরিষ্ঠতা অর্জন করেছে। তাদের প্রধান প্রতিপক্ষ জামাত সংখ্যার বিচারে ধারেকাছে নেই। ২৯৭ আসনের মধ্যে বিএনপি একাই পেয়েছে ২০৯টি আসন। জামাত দখল করেছে মাত্র ৬৮টি। খালেদা জিয়ার সন্তান তারেকই প্রধানমন্ত্রী হতে চলেছেন। 

ফুল ও মিষ্টি পাঠিয়েছেন মমতা
ফুল ও মিষ্টি পাঠিয়েছেন মমতা

শেখ হাসিনার আমলে নির্বাসিত হয়েছিলেন তারেক। প্রায় ১৭ বছর টানা লন্ডনে থাকার পর ২০২৫ সালের ডিসেম্বরে দেশে ফিরে আসেন তিনি। নির্বাচনের ফলাফলের পর, অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের প্রধান মহম্মদ ইউনূসও তাঁকে অভিনন্দন জানিয়েছেন। 

যদিও বাংলাদেশের এই নির্বাচনকে প্রহসন বলে উল্লেখ করেছেন। আওয়ামি লিগগে এবারের ভোটে অংশগ্রহণই করতে দেওয়া হয়নি। বাংলাদেশের প্রাক্তন প্রধানমন্ত্রীর দাবি, এই ভোটে মানুষ তাদের গণতান্ত্রিক অধিকার স্বতঃস্ফূর্তভাবে প্রয়োগ করতে পারেনি। বহু মানুষ তাঁর ডাকে বয়কট করেছে। সেই কারণে এই নির্বাচনের কোনও মূল্য নেই। 
 

POST A COMMENT
Advertisement