BNP Jamaat-e-Islami Clash: ভোটের ৭২ ঘণ্টা আগে বাংলাদেশে বিএনপি-জামাত তুমুল সংঘর্ষ, জখম বহু, ঠিক কী পরিস্থিতি?

১২ ফেব্রুয়ারি বাংলাদেশ ভোট। আর সেই ভোটের ৭২ ঘণ্টা আগেও রাজনৈতিক হিংসা অব্যাহত। যতদূর খবর, গত রাতে পটুয়াখালিতে বিএনপি ও জামাতই ইসলামী কর্মীদের মধ্যে তীব্র সংঘর্ষ হয়েছে। এই সংঘর্ষের কারণে ৪০ জনের বেশি আহত হয়েছেন। তাদের মধ্যে একাধিক নারী রয়েছেন বলেও প্রাথমিকভাবে জানা যাচ্ছে।

Advertisement
ভোটের ৭২ ঘণ্টা আগে বাংলাদেশে বিএনপি-জামাত তুমুল সংঘর্ষ, জখম বহু, ঠিক কী পরিস্থিতি? বিএনপি-জামাত সংঘর্ষ
হাইলাইটস
  • ১২ ফেব্রুয়ারি বাংলাদেশ ভোট
  • সেই ভোটের ৭২ ঘণ্টা আগেও রাজনৈতিক হিংসা অব্যাহত
  • পটুয়াখালিতে বিএনপি ও জামাতই ইসলামী কর্মীদের মধ্যে তীব্র সংঘর্ষ হয়েছে

১২ ফেব্রুয়ারি বাংলাদেশ ভোট। আর সেই ভোটের ৭২ ঘণ্টা আগেও রাজনৈতিক হিংসা অব্যাহত। যতদূর খবর, গত রাতে পটুয়াখালিতে বিএনপি ও জামাতই ইসলামী কর্মীদের মধ্যে তীব্র সংঘর্ষ হয়েছে। এই সংঘর্ষের কারণে ৪০ জনের বেশি আহত হয়েছেন। তাদের মধ্যে একাধিক নারী রয়েছেন বলেও প্রাথমিকভাবে জানা যাচ্ছে।

কী অভিযোগে ঝামেলা?
সূত্রের খবর, মধ্যরাতে ভাণ্ডারিয়া বাজার এলাকায় জামাতই ইসলামী একটি কর্মসূচিতে অংশগ্রহণ করেছিল। সেখানে তাঁরা সাধারণ মানুষের মধ্যে টাকা বিতরণ করছিল বলে অভিযোগ। আর এই ঘটনার খবর বিএনপি-এর কাছে পৌঁছলেই পরিস্থিতিত উত্তপ্ত হয়ে ওঠে। সেখানে হাজির হয় বিএনপি-এর কর্মীরা। এরপর দু’পক্ষের মধ্যে শুরু হয়ে যায় বচসা। ততক্ষণে সেখানে হাজির হয়ে যায় জামাতের আরও কর্মীরা। এরপরই সংঘর্ষে শুরু হয়। তাতেই আহত প্রায় ৪০ জন বলে খবর মিলছে।

রাজনৈতিক সংঘর্ষের শেষ নেই
বাংলাদেশে নির্বাচন ঘোষণার পর থেকেই পরিস্থিতি উত্তপ্ত হয়েছে। সংঘর্ষে জড়িয়েছে বিএনপি এবং জামাত শিবির। গত দেড় মাসেই হিংসার জন্য ৫ জনের বেশি মানুষ আহত হয়েছেন বলে খবর। তবে এটা সরকারি হিসেব। আদতে সংখ্যাটা আরও বেশি বলে মনে করছেন বিশেষজ্ঞরা। 

এই প্রসঙ্গে বলে রাখি, আগামী ১২ ফেব্রুয়ারি বাংলাদেশে সাধারণ নির্বাচন। আর ভোটের আগে ১০ ফেব্রুয়ারি সকাল সাড়ে সাতটায় সময় বন্ধ হয়ে যাবে নির্বাচনী প্রচার। আর সেই সময়ের আগেই বাড়ছে রাজনৈতিক উত্তেজনা। 

দ্বিমুখী লড়াই
বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রীর আসন থেকে বিদায় নিয়েছেন আওয়ামী লিগ নেত্রী শেখ হাসিনা। তারপর দীর্ঘ সময় অন্তবর্তী সরকার গোটা ব্যবস্থা সামলেছে। আর এই সময়ের মধ্যেই নিজেদের ক্ষমতা বৃদ্ধি করেছে জামাত এবং বিএনপি শিবির। এই নির্বাচনে এই দুই দলের মধ্যেই কার্যত লড়াই। আওয়ামী লিগের এখানে স্থান নেই। 

আর লড়াইটা দ্বিমুখী হওয়ার কারণেই যত সমস্যা। মাঝে মধ্যেই বিবাদে জড়াচ্ছে দুই শিবির। অনেক মানুষ আহত হচ্ছেন। চলছে অবাধ ভাঙচুর। 

শান্তিপূর্ণ ভোট হবে তো? 
ভোট সামনে। তার আগেও অশান্ত বাংলাদেশ। এমন পরিস্থিতিতে প্রশ্ন, আদৌ শান্তিতে ভোট হবে তো বাংলাদেশে? নাকি রক্তাক্ত হবে পরিস্থিতি? যদিও মহম্মদ ইউনূস দাবি করেছেন যে এবারের ভোট হবে শান্তিতে। রক্ত ঝরবে না। তবে বিশেষজ্ঞরা বর্তমান অবস্থা দেখে মনে করছেন, ১২ তারিখ উত্তপ্তই থাকবে গোটা বাংলাদেশের আবহাওয়া। সংঘর্ঘ হতে পারে জামাত এবং বিএনপি শিবিরে।

Advertisement

 

POST A COMMENT
Advertisement