বাংলাদেশের জেলে হাসিনার মন্ত্রীর 'অস্বাভাবিক' মৃত্যু, প্রশ্নের মুখে ইউনূস

বাংলাদেশে সংখ্যালঘুদের হাল নিয়ে ফের একবার প্রশ্ন উঠে গেল। জেল হেফাজতে থাকা অবস্থাতেই মৃত্যু হল হাসিনা সরকারের আমলের সংখ্যালঘু মন্ত্রী রমেশচন্দ্র সেনের।

Advertisement
বাংলাদেশের জেলে হাসিনার মন্ত্রীর 'অস্বাভাবিক' মৃত্যু, প্রশ্নের মুখে ইউনূসবাংলাদেশে হিন্দু নেতার জেল হেফাজতে মৃত্যু
হাইলাইটস
  • বাংলাদেশে সংখ্যালঘুদের হাল নিয়ে ফের একবার প্রশ্ন উঠে গেল।
  • জেল হেফাজতে থাকা অবস্থাতেই মৃত্যু হল রমেশচন্দ্র সেনের।
  • তাঁর মৃত্যু ঘিরে ইউনুস সরকারের উপরেই প্রশ্ন উঠতে শুরু করেছে।

বাংলাদেশে সংখ্যালঘুদের হাল নিয়ে ফের একবার প্রশ্ন উঠে গেল। জেল হেফাজতে থাকা অবস্থাতেই মৃত্যু হল হাসিনা সরকারের আমলের সংখ্যালঘু মন্ত্রী রমেশচন্দ্র সেনের। বাংলাদেশের রাজনীতিতে অন্যতম শীর্ষস্থানীয় হিন্দু নেতা হিসেবে পরিচিত ছিলেন তিনি। জেল হেফাজতে তাঁর মৃত্যু ঘিরে ইউনুস সরকারের উপরেই প্রশ্ন উঠতে শুরু করেছে।

দাবি করা হচ্ছে, জেল হেফাজতে থাকাকালীন অবস্থাতেই রমেশচন্দ্র সেনের শারীরিক অবস্থার অবনতি হচ্ছিল। অভিযোগ, অসুস্থ হওয়ার পরেও তাঁকে ইচ্ছাকৃতভাবে জামিন দেওয়া হয়নি। এমনকি ন্যূনতম চিকিৎসাও দেওয়া হয়নি বলে দাবি। পরিবারের অভিযোগ, এই হিন্দু নেতাকে মৌলিক মানবাধিকার থেকেও বঞ্চিত করা হয়েছিল। ৮৬ বছর বয়সী একজন ব্যক্তিকে দেড় বছর ধরে কারাগারে আটকে রেখেছিল ইউনূস সরকার।

মহম্মদ ইউনূসের আমলে বাংলাদেশের জেলের পরিস্থিতিও ভয়াবহ

বাংলাদেশের মানবাধিকার সংস্থাগুলি জানিয়েছে, শুধুমাত্র ২০২৫ সালেই কমপক্ষে ১০৭ জন বন্দী কারাগারে মারা গিয়েছেন। যাদের মধ্যে বেশিরভাগই আওয়ামী লীগের নেতা ও কর্মী। প্রায় প্রতিটি ক্ষেত্রেই জেল কর্তৃপক্ষ 'হৃদরোগ' বা 'হঠাৎ অসুস্থতা' এর মতো কারণগুলিকে উল্লেখ করেছে।

বাংলাদেশের সংবিধানে কারাগারে মৃত্যুর ক্ষেত্রে স্পষ্ট আইনি বিধান থাকা সত্ত্বেও, হেফাজতে মৃত্যুর ঘটনা নিয়ে এখনও সঠিকভাবে তদন্ত করা হয়নি বলে অভিযোগ। সংবিধানের ৩১ এবং ৩২ অনুচ্ছেদে স্পষ্টভাবে বলা হয়েছে যে, যখন রাষ্ট্র কোনও ব্যক্তিকে আটক করে, তখন তাঁর জীবন এবং মানবিক মর্যাদা রক্ষা করা রাষ্ট্রের একমাত্র দায়িত্ব। তবে তা করতে ইউনূস সরকার যে ব্যর্থ তা বারেবারেই ধরা পড়ছে।

উল্লেখ্য, জানুয়ারি মাসেই আর এক আওয়ামী লিগ নেতা এবং বিখ্যাত শিল্পী প্রলয় চাকীও জেল হেফাজতে থাকা অবস্থায় হৃদরোগে আক্রান্ত হয়ে মারা যান। যদিও তাঁকে হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছিল। তবে প্রলয়ের পরিবারও প্রশাসনের বিরুদ্ধে অবহেলার অভিযোগ এনেছিল। অ্যামনেস্টি ইন্টারন্যাশনালের একটি রিপোর্টে বলা হয়েছে, শুধুমাত্র জানুয়ারিতেই বাংলাদেশে জেল হেফাজতে ১৫ জনের মৃত্যু হয়েছে।  জুলাইয়ের বিদ্রোহের পর এখন পর্যন্ত বাংলাদেশে ২০০ জনেরও বেশি বিশিষ্ট আওয়ামী লিগ নেতা এবং কর্মকর্তা জেলে বন্দি অবস্থায় রয়েছেন।

Advertisement

POST A COMMENT
Advertisement