Mamata Banerjee On Bangladesh: 'তারেক ভাই' সম্বোধন করে 'শুভনন্দন', বাংলাদেশকে মমতার কী বার্তা?

বাংলাদেশ নির্বাচনের ফলাফল প্রকাশ হতেই ওপার বাংলার মানুষদের শুভনন্দন জানালেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। তিনি বাংলাদেশের মানুষকে নয়া সরকার নির্বাচনের জন্য আগাম রমজানের শুভেচ্ছা জানিয়েছেন। তারেক রহমানকে 'ভাই' বলেও উল্লেখ করলেন।

Advertisement
'তারেক ভাই' সম্বোধন করে 'শুভনন্দন', বাংলাদেশকে মমতার কী বার্তা?মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়, তারেক রহমান
হাইলাইটস
  • বাংলাদেশের মানুষকে শুভেচ্ছা জানালেন মমতা
  • তারেককে 'ভাই' বলেও উল্লেখ করলেন তিনি
  • রমজানের আগাম শুভেচ্ছাও জানিয়েছেন বাংলার মুখ্যমন্ত্রী

নয়া সরকার নির্বাচনের জন্য ওপার বাংলার মানুষকে শুভেচ্ছা জানালেন এপার বাংলার মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। শুক্রবার এক্স হ্যান্ডলে শুভেচ্ছাবার্তা পোস্ট করেন তিনি। সঙ্গে পরবর্তী প্রধানমন্ত্রী BNP চেয়ারপার্সন তারেক রহমানকে 'ভাই' বলেও সম্বোধন করেন মমতা। 

কী লিখলেন মমতা
মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় লেখেন, 'বাংলাদেশের সকল ভাইবোনকে, জনগণকে জানাই আমার শুভনন্দন। আমার আগাম রমজান মোবারক। বাংলাদেশের এই বিপুল জয়ের জন্য অভিনন্দন জানাই আমার তারেক ভাইকে, তাঁর দলকে ও অন্যান্য দলকে। সবাই ভাল থাকুন, সুখী থাকুন।' তাঁর সংযোজন, 'আমাদের সঙ্গে সব সময় বাংলাদেশের সুসম্পর্ক বজায় থাকবে, এটাই আমরা কামনা করি।'

কী মনে করছেন রাজনৈতিক বিশ্লেষকরা?
উল্লেখ্য, BNP-র ক্ষমতায় ফেরায় তিস্তা জলবণ্টন চুক্তি নিয়ে ফের হাওয়া গরম হতে পারে বলে মনে করছে আন্তর্জাতিক বিশ্লেষকদের একাংশ। BNP-র অবস্থান এই ভারত বিরোধী হলেও আশা করা হচ্ছে এবার বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ক রাকার চেষ্টা করা হতে পারে। যার কিছুটা ইঙ্গিত মিলেছিল খালেদা জিয়ার শেষকৃত্যে ভারতের বিদেশমন্ত্রী এস জয়শঙ্করের উপস্থিতি এবং তারেকের সঙ্গে তাঁর সাক্ষাৎ থেকে। এবার মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ও তাঁকে 'ভাই' সম্বোধন করে বন্ধুত্ব রাখার বার্তাই দিলেন। 

তিস্তা জলবণ্টন নিয়ে গত বছর থেকেই নতুন করে সরব হয়েছে BNP। ২০২৫ সালের ফেব্রুয়ারিতে দলের মহাসচিব মির্জা ফকরুল বলেছিলেন, 'ভারতকে পরিষ্কার করে বলতে চাই। বাংলাদেশের মানুষের সঙ্গে যদি বন্ধুত্ব করতে চান তাহলে আগে তিস্তার পানি দেন, সীমান্তে গুলি করে হত্যা বন্ধ করেন, আর আমাদের সঙ্গে বড় দাদার মতো যে আচরণ সেটা বন্ধ করেন। আমরা আমাদের হিস্যা বুঝে নিতে চাই। আমরা ভারতের সঙ্গে বন্ধুত্ব দেখতে চাই। তবে সেই বন্ধুত্ব হবে সম্মানের সঙ্গে, আমার পাওনা বুঝিয়ে দেয়ার সঙ্গে।'

২০১১ সালে ভারতের তত্‍কালীন প্রধানমন্ত্রী মনমোহন সিংয়ের সঙ্গে বাংলাদেশের তত্‍কালীন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার মধ্যে একটি ১৫ বছরের অন্তর্বর্তীকালীন চুক্তি হয়েছিল। তাতে বলা হয়েছিল, তিস্তার ৪২.৫ শতাংশ জল নেবে ভারত ও বাংলাদেশপাবে ৭.৫ শতাংশ জল। চুক্তির স কিছু চূড়ান্ত হয়ে গেলেও পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের বিরোধিতা করেন। উত্তরবঙ্গে জলসঙ্কটের প্রসঙ্গ তুলেছিলেন মমতা। যার ফলে চুক্তি আর বাস্তবায়ন হয়নি। এবার তাঁর তারেকের সঙ্গে সুসম্পর্ক বজায় রাখার বার্তায় হাওয়া কোনদিকে ঘোরে সেটাই এখন দেখার।

Advertisement

 

POST A COMMENT
Advertisement