জাতির পিতার-র নাম ভুলতে চাইছে বাংলাদেশনিজেদের দেশের জনককেই ভুলতে চাইছে বাংলাদেশের একাংশ। আর সেই কারণেই ভেঙে ফেলা হচ্ছিল বঙ্গবন্ধুর বাড়ি। আর মুজিবের নাম নব্য প্রজন্মকে ভুলিয়ে দিতে ফের পদক্ষেপ নিচ্ছে বাংলাদেশের ঢাবির সিন্ডিকেট। এবার ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে শিক্ষার্থীদের আবাসিক হল বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান হলের নাম পরিবর্তন করে ‘শহীদ ওসমান হাদি হল’ নামকরণের সুপারিশ করার সিদ্ধান্ত হয়েছে সিন্ডিকেট বৈঠকে। বিবিসি বাংলার তরফে এই খবরের সত্যতা নিশ্চিত করা হয়েছে।
তবে শুধুমাত্র বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান হলের নাম পরিবর্তন নয়, একইসঙ্গে 'বঙ্গমাতা শেখ ফজিলাতুন্নেছা মুজিব হলের' নামও বদলে ‘বীর প্রতীক ক্যাপ্টেন সেতারা বেগম হল’ নাম দেওয়ার সুপারিশ করা হয়েছে। পাশাপাশি, রাসেল টাওয়ার, বঙ্গবন্ধু টাওয়ার, সুলতানা কামাল হোস্টেলের নাম পরিবর্তনের সুপারিশও করা হয়েছে বলে জানা গিয়েছে। বাংলাদেশের বর্তমান প্রেক্ষিকে আন্তর্জাতিক বিশেষজ্ঞদের আশঙ্কা, শীঘ্রই ওই সুপারিশগুলিতে সবুজ সংকেতও মিলতে পারে।
এছাড়াও, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের চার অধ্যাপককে কেন বহিষ্কার করা হবে না, তা নিয়েও কারণ দর্শানোর নোটিশ দেওয়ার সিদ্ধান্ত হয়েছে সিন্ডিকেটের বৈঠকে। ওই চার অধ্যাপক আওয়ামী লীগপন্থী বলে দাবি করা হয়েছে। এছাড়াও, আরও দুই শিক্ষককে সতর্ক করা হবে বলেও সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।
কেন হাদির নাম স্মরণ রাখতে বাংলাদেশের একাংশ মরিয়া?
রাজনৈতিক মহলের একাংশের ভাবনা, হাদি পৃথক সংগঠন করলেও তার পেছনে প্রেরণা ছিল জামায়াতে ইসলামির। এছাড়াও, তাঁর ভারত বিদ্বেষ ছিল প্রবল। এই কারণেই জামাতে ছাত্র সংগঠন তাঁর স্মৃতি রক্ষায় ব্যাকুল বলে মনে করা হচ্ছে।