তারেককে চিঠি মোদীর আজ মঙ্গলবার বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী হিসেবে শপথ নিয়েছেন তারেক রহমান। তাঁকে শুভেচ্ছা জানালেন ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী। সঙ্গে তারেককে মনে করিয়ে দিলেন তাঁর কর্তব্য। ভারত বাংলাদেশের কাছে কী প্রত্যাশা করে, কেমন সম্পর্ক হওয়া উচিত, সেটাও চিঠিতে সাফ জানিয়েছেন নমো।
২০২৪ সালে শেখ হাসিনা ক্ষমতাচ্যুত হওয়ার পর সেদেশে অন্তর্বতীকালীন প্রধান হন মহম্মদ ইউনূস। তাঁর আমলে ভারতের সঙ্গে কূটনৈতিক সম্পর্ক খারাপ হয় বাংলাদেশের। তবে এবার ভোটের মাধ্যমে জিতে সরকার গঠন করেছে বিএনপি। একক সংখ্যা গরিষ্ঠতা পেয়ে ক্ষমতায় এসেছে তারা। দলের তরফে দেশের প্রধানমন্ত্রী করা হয়েছে তারেক রহমানকে। তাঁর আমলে ভারতের সঙ্গে বাংলাদেশের সম্পর্ক কেমন হবে সেদিকে তাকিয়ে আন্তর্জাতিক মহল। এই পরিস্থিতিতে শপথ গ্রহণের পরই তারেককে মোদীর শুভেচ্ছাবার্তা পাঠানো গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ বলে মনে করা হচ্ছে।
মোদী তাঁর চিঠিতে লেখেন, 'বাংলাদেশের পরবর্তী প্রধানমন্ত্রী হিসেবে আপনার নিয়োগের জন্য আন্তরিক অভিনন্দন জানাই। এই দায়িত্বপূর্ণ পদ গ্রহণের সঙ্গে সঙ্গে আপনার সর্বাঙ্গীণ সাফল্য কামনা করছি। আপনার এই বিজয় বাংলাদেশের জনগণের পক্ষ থেকে আপনার নেতৃত্বের প্রতি আস্থা ও বিশ্বাসেরই প্রতিফলন। শান্তি, স্থিতিশীলতা ও সমৃদ্ধির পথে দেশকে এগিয়ে নিয়ে যাওয়ার আপনার দূরদর্শিতা দেখে মানুষ রায় দিয়েছে।'
এরপরই দুই দেশের মানুষের কথা তুলে ধরে মোদী মনে করিয়ে দেন, দুই দেশের লক্ষ্য হওয়া উচিত জনগণের শান্তি ও সমৃদ্ধির পথ প্রশস্ত করা। বাংলাদেশের কাছে ভারতের প্রত্যাশা নিয়ে নমোর বয়ান,'দুই দেএশের লক্ষ্য হওয়া উচিত দ্বিপাক্ষিক বহুমাত্রিক সম্পর্ক আরও শক্তিশালী করা, আঞ্চলিক সহযোগিতা বৃদ্ধি, সংযোগ ব্যবস্থা, বাণিজ্য, প্রযুক্তি, শিক্ষা, দক্ষতা উন্নয়ন, জ্বালানি, স্বাস্থ্যসেবা, জনগণের মধ্যে পারস্পরিক সংযোগ বাড়ানো। আপনার সঙ্গে ঘনিষ্ঠভাবে কাজ করার প্রত্যাশা রাখছি। দ্রুত বর্ধনশীল অর্থনীতি ও অগ্রসরমান সমাজ হিসেবে ভারত ও বাংলাদেশ একে অপরের সঙ্গে কাজ করবে।'
প্রধানমন্ত্রী মোদী তারেক রহমানকে সপরিবারে ভারতে আসার আমন্ত্রণও জানান। স্ত্রী, কন্যা, জামাতা-সহ ভারতে যেন তিনি আসেন, সেই বার্তা দেন।