Bangladesh Tarique Rahman : 'আমাদের PM চিনে ভিক্ষা করতে যাননি', বিবৃতি বাংলাদেশের বিদেশমন্ত্রীর; নিজের দেশেই সমালোচিত তারেক

তারেকের সফর নিয়ে ঢাকায় সাংবাদিকদের সঙ্গে কথা বলতে গিয়ে খলিলুর রহমান বলেন, কোনও দেশের নেতা আন্তর্জাতিক কূটনীতিতে ভিক্ষার ঝুলি নিয়ে যান না। চিনের কাছ থেকে সরাসরি প্রকল্পভিত্তিক আর্থিক সহায়তা প্রসঙ্গেও মেজাজ হারান তিনি।

Advertisement
'আমাদের PM চিনে ভিক্ষা করতে যাননি', বিবৃতি বাংলাদেশের বিদেশমন্ত্রীর; নিজের দেশেই সমালোচিত তারেক চিন সফর নিয়ে সমালোচিত তারেক রহমান
হাইলাইটস
  • বাংলাদেশের ১৩ তম সংসদ নির্বাচনে জিতে ক্ষমতায় এসেছে BNP
  • তারেক রহমান প্রধানমন্ত্রী হিসেবে প্রথম বিদেশ সফরে মালয়েশিয়া যান

চিন সফরে গিয়ে বিতর্কের জন্ম দিয়েছেন বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। তিনি শি জিনপিংয়ের কাছে ভিক্ষা করতে গিয়েছেন। দেশের অন্দরেও এমন সমালোচনার মুখে পড়তে হচ্ছে খালেদা জিয়ার পুত্রকে। সেজন্য তাঁর ঢাল হয়ে মাঠে নামতে হয়েছে বাংলাদেশের বিদেশমন্ত্রী খলিলুর রহমানকে। সাংবাদিকদের প্রশ্ন শুনে বিরক্তই হন তিনি। প্রধানমন্ত্রীর হয়ে ব্যাট ধরে জানান, তারেক রহমান ভিক্ষার ঝুলি হাতে চিনে যাননি। তিনি দুই দেশের সম্পর্কের গতিপথ নির্ধারণ করতে গিয়েছিলেন। 

তারেকের সফর নিয়ে ঢাকায় সাংবাদিকদের সঙ্গে কথা বলতে গিয়ে খলিলুর রহমান বলেন, কোনও দেশের নেতা আন্তর্জাতিক কূটনীতিতে ভিক্ষার ঝুলি নিয়ে যান না। চিনের কাছ থেকে সরাসরি প্রকল্পভিত্তিক আর্থিক সহায়তা প্রসঙ্গেও মেজাজ হারান তিনি। বলেন, 'আপনারা নগদ অর্থ পাওয়ার কথা বলছেন। ভাই, দয়া করে এ ধরনের প্রশ্ন করবেন না। এতে আমাদের খুব লজ্জা লাগে।' 

তিনি আরও বলেন, 'প্রধানমন্ত্রী সেখানে দুই দেশের সম্পর্কের দিকনির্দেশনা, বিষয়বস্তু, পরিধি, গুরুত্ব ও গভীরতা নির্ধারণ করতে গিয়েছিলেন। কোনও দেশের সরকারপ্রধান অন্য দেশের নেতার সঙ্গে কাগজ-কলম নিয়ে বসেন না, আর ভিক্ষার ঝুলিও নিয়ে যান না। অনুগ্রহ করে একটু আত্মসম্মান বজায় রাখুন।' 

বাংলাদেশের ১৩ তম সংসদ নির্বাচনে জিতে ক্ষমতায় এসেছে BNP। তারেক রহমান প্রধানমন্ত্রী হিসেবে প্রথম বিদেশ সফরে মালয়েশিয়া যান। পরদিন তিনি উত্তর-পূর্ব চিনের শহর দালিয়ানে যান। সেখানে বিশ্ব অর্থনৈতিক ফোরামের বার্ষিক সভায় যোগদানের পর তিন দিনের রাষ্ট্রীয় সফর শুরু করতে বুধবার বেইজিংয়ে পৌঁছন। এই সফরে তারেক শি জিনপিং এবং প্রধানমন্ত্রী লি কেকিয়াংয়ের সঙ্গে উচ্চ পর্যায়ের দ্বিপাক্ষিক আলোচনা করেন। 

ঢাকা ও বেইজিং বিভিন্ন ক্ষেত্রে ১৭টি সমঝোতা স্মারক স্বাক্ষর করেছে। দুই দেশের মধ্যে ১৩ চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়েছে। এগুলোর মধ্যে অন্তর্ভুক্ত ছিল তিস্তা নদী পরিকল্পনা, চিনের কারিগরি সহায়তা, মংলা বন্দর ও আনোয়ারা সংলগ্ন অর্থনৈতিক অঞ্চলের উন্নয়ন এবং সড়ক, সেতু, রেলপথ, জ্বালানি, পরিবেশবান্ধব উন্নয়ন, স্বাস্থ্য, শিক্ষা ও মানবসম্পদ উন্নয়নসহ অবকাঠামো খাতে সহযোগিতা। 

Advertisement

POST A COMMENT
Advertisement