scorecardresearch
 

Saira Banu: হৃদরোগে আক্রান্ত সায়রা বানু, ভরতি ICU-তে

দিন তিনেক রক্তচাপ জনিত সমস্যা হওয়ায় মুম্বইয়ের হিন্দুজা হাসপাতালে (PD Hinduja Hospital) ভর্তি করা হয় সায়রাকে। পরে হৃদরোগে আক্রান্ত হন সায়রা। সায়রার এক আত্মীয় সংবাদমাধ্যমকে জানান, এখনও ইনসেনটিভ কেয়ার ইউনিটে রয়েছেন অভিনেত্রী। তাঁর সুস্থতা কামনা করছেন অনুরাগীরা। এই একই হাসপাতালে চিকিৎসার জন্য ভরতি হয়েছিলেন দিলীপ কুমারও।

সায়রা বানু সায়রা বানু
হাইলাইটস
  • দিন তিনেক রক্তচাপ জনিত সমস্যা হওয়ায় মুম্বইয়ের হিন্দুজা হাসপাতালে (PD Hinduja Hospital) ভর্তি করা হয় সায়রাকে
  • পরে হৃদরোগে আক্রান্ত হন সায়রা

গুরুতর অসুস্থতা নিয়ে হাসপাতালে ভর্তি বর্ষীয়ান অভিনেত্রী সায়রা বানু (Saira Banu)। সূত্রের খবর, দিন তিনেক রক্তচাপ জনিত সমস্যা হওয়ায় মুম্বইয়ের হিন্দুজা হাসপাতালে (PD Hinduja Hospital) ভর্তি করা হয় সায়রাকে। পরে হৃদরোগে আক্রান্ত হন সায়রা। সায়রার এক আত্মীয় সংবাদমাধ্যমকে জানান, এখনও ইনসেনটিভ কেয়ার ইউনিটে রয়েছেন অভিনেত্রী। তাঁর সুস্থতা কামনা করছেন অনুরাগীরা। এই একই হাসপাতালে চিকিৎসার জন্য ভরতি হয়েছিলেন দিলীপ কুমারও (Dilip Kumar)।

অভিনেত্রী নাসিম বানুর কন্যা সায়রা বানু কিছুদিন আগেই জন্মদিন কাটালেন। সদ্য প্রয়াত স্বামী তথা দীর্ঘদিনের বন্ধু, অভিভাবক দিলীপ কুমারের শোক এখনও কাটিয়ে উঠতে পারেননি সায়রা। তাই এ বছর আলাদা করে কোনও আয়োজন করেননি তিনি। ১৯৬৬ সালে মাত্র ২২ বছর বয়সে দিলীপ কুমারকে বিয়ে করেছিলেন। তাঁদের প্রেম এবং দাম্পত্যের কাহিনি ফিল্ম ইন্ডাস্ট্রির ইতিহাসে লেখা থাকবে।

 

৫৫ বছরের দাম্পত্যে প্রেমের কোনও ঘাটতি ছিল না। তবুও একটা বড় আফসোস থেকে গিয়েছে দিলীপ কুমার (Dilip Kumar) এবং সায়রা বানুর জীবনে। তাঁরা নিঃসন্তান ছিলেন। তার জন্য আক্ষেপ রয়ে গিয়েছিল বলিউডের অন্যতম উজ্জ্বল এবং চর্চিত এই জুটির। দিলীপ কুমার নিজেই একটি সাক্ষাৎকারে জানিয়েছিলেন, সন্তান থাকলে তাঁদের সাংসারিক জীবন আরও বর্ণময় হতে পারত।

সাক্ষাৎকারে দিলীপ বলেছিলেন, 'সন্তান থাকলে আমাদের সাংসারিক জীবন আরও বর্ণময় হতে পারত। তবে উত্তরাধিকার না থআকার জন্য তেমন বড় কোনও খেদও নেই।' একে অপরের প্রতি তীব্র ভালোবাসায় এই ঘাটতি মিটিয়ে নিয়েছেন দুজনে। সন্তানের শূন্যতা একপ্রকার মেনে নিয়েছিলেন দীলিপ এবং সায়রা। পরিবারের বাকি সদস্যদের সঙ্গে দম্পতির সম্পর্ক খুব মধুর হওয়াতে সেই অভাব অনেকাংশ কমে গিয়েছিল।

দিলীপ কুমার তাঁর আত্মজীবনী Dilip Kumar: The Substance and the Shadow-তে লিখেছেন, ১৯৭২ সালে সন্তানসম্ভবা হয়েছিলেন সায়রা। খুব আনন্দেই কাটছিল দিন। ক্রমে প্রসবের দিন এগিয়ে আসে। কিন্তু একই সঙ্গে সায়রা গর্ভকালীন নানা সমস্যা তৈরি হয়। আট মাস পর জন্মানোর আগেই সন্তানের মৃত্যু হয়। তার পর থেকে তাঁরা আর সন্তানের জন্য চেষ্টা করেননি। 'ঈশ্বরের এটাই ইচ্ছা', এই বিশ্বাস নিয়েই আজীবন একে অপরের ভালোবাসা এবং ভরসায় জীবন কাটিয়েছেন এই তারকা দম্পতি।

বয়সের বিরাট পার্থক্য থাকায় সায়রার ভাই সুলতানকে অনেকটা পুত্র স্নেহেই বড় করেছিলেন তাঁরা। পরবর্তীকালে তাঁর সন্তান এবং নাতি নাতনিরা অত্যন্ত আদরের সম্পদ হয়ে উঠএছিলেন দীলিপ এবং সায়রার জীবনে। তবে তাঁর অভিনয়ের ধারাকে এগিয়ে নিয়ে যাওয়ার কেউ নেই, এটা নিয়ে কোনও দুঃখ থাকবে না? উত্তরে দিলীপ বলেছিলেন, 'বলিউডে নতুন প্রজন্মের বহু অভিনেতা খুব ভালো কাজ করছএন। নিজেরে পরিশ্রম, নিষ্ঠা এবং একাগ্রতায় তাঁরা অভিনয়কে এগিয়ে নিয়ে চলেছেন। এঁরাই আমার যোগ্য উত্তরসূরি। আমাদের সন্তানের চেয়ে তাঁরা কোনও অংশে কম নন।'