scorecardresearch
 
 

Naseeruddin Shah: হেনস্থার ভয়ে কোনও ইস্যুতে কথা বলে না 'তিন খান', দাবি নাসিরের

চলতি মাসেই আফগানিস্তান (Afghanistan) প্রসঙ্গে কথা বলতে গিয়ে সাম্প্রদায়িক মন্তব্য করেছিলেন নাসিরুদ্দিন শাহ (Naseeruddin Shah)। এবার আরও বড় বিস্ফোরক কথা বলে ফেললেন। অভিনেতার মন্তব্য, “এখনকার বলিউড ইন্ডাস্ট্রির সঙ্গে হিটলারের নাৎসি জমানার মিল পাই।”

নাসিরুদ্দিন শাহ নাসিরুদ্দিন শাহ
হাইলাইটস
  • বর্তমানে কেন্দ্রীয় সরকারের গৌরব তুলে ধরার জন্য সিনেমা বানানোয় উৎসাহ দেওয়া হয়
  • এর জন্যে অর্থ সাহায্যও করা হয় ইন্ডাস্ট্রির কিছু পরিচালক-প্রযোজকদের
  • এমনটা তো হিটলারের জমানাতেও হত

রাজনীতি হোক কিংবা বলিউড, বরাবরই যেকোনও বিষয়ের ওপর নিজের বক্তব্য সোজাসুজি পেশ করতে একটুও দ্বিধা বোধ করেননি নাসিরুদ্দিন শাহ (Naseeruddin Shah)। তাঁর করা বিভিন্ন সুচিন্তিত মন্তব্য ঘিরে উঠেছে বিতর্কও। তবু দমে যাননি তিনি। ফের একবার সর্বভারতীয় এক সংবাদমাধ্যমে দেওয়া সাক্ষাৎকারে বর্তমানে বলিউডের পরিস্থিতিকে হিটলার অধিকৃত জার্মানির (Nazi Germany) সঙ্গে তুলনা করলেন নাসির! ভয়ডরহীনভাবে।

 

“ভারতীয় মুসলিমরা তালিবানের জয় উদযাপন করছেন, যা আরও ভয়ঙ্কর…”, চলতি মাসেই আফগানিস্তান (Afghanistan) প্রসঙ্গে কথা বলতে গিয়ে সাম্প্রদায়িক মন্তব্য করেছিলেন নাসিরুদ্দিন শাহ (Naseeruddin Shah)। এবার আরও বড় বিস্ফোরক কথা বলে ফেললেন। অভিনেতার মন্তব্য, “এখনকার বলিউড ইন্ডাস্ট্রির সঙ্গে হিটলারের নাৎসি জমানার মিল পাই।”

 

তাঁর মতে, “বর্তমানে কেন্দ্রীয় সরকারের গৌরব তুলে ধরার জন্য সিনেমা বানানোয় উৎসাহ দেওয়া হয়। শুধু তাই নয়, এর জন্যে অর্থ সাহায্যও করা হয় ইন্ডাস্ট্রির কিছু পরিচালক-প্রযোজকদের। এমনকী, সিনেমার গল্পের মাধ্যমে খুব কৌশলে সরকারের হয়ে প্রচার করলে, কোনও মামলায় জড়িত অভিনেতা-প্রযোজকদের ক্লিন চিটও দিয়ে দেওয়া হয় সরকারের তরফে। এমনটা তো হিটলারের জমানাতেও হত। সেই সময়ও নাৎসি আদর্শ তুলে ধরার জন্য প্রোপাগান্ডা ফিল্ম তৈরি করা হত।”

সম্প্রতি এক সাক্ষাৎকারে অভিনেতাকে জিজ্ঞেস করা হয়েছিল, মুসলিম হওয়ায় ইন্ডাস্ট্রিতে কখনও কোনও বৈষম্যের শিকার হতে হয়েছে কিনা তাঁকে? তার উত্তর দিতে গিয়েই নাসিরুদ্দিন বলেন, “আমি নিজে কখনও এমন বৈষম্যের শিকার হইনি বটে, কিন্তু এখানে অভিনেতাদের নিজের মনের কথা বললে হয়রানির শিকার হতে দেখেছি।”

নাসিরুদ্দিন শাহর পাল্টা প্রশ্ন, আজকে বলিউডের ‘তিন খান’ কেন চুপ করে থাকেন? “ওঁরা আসলে হয়রানির শিকার হওয়ার ভয় পান। মুখ খুললেই ওঁরা অনেক কিছু হারিয়ে ফেলতে পারেন। শুধু অর্থনৈতিকভাবেই যে ক্ষতিগ্রস্থ হবেন, এমনটা নয়। কিংবা এক-দুটো ছবি-বিজ্ঞাপনের চুক্তি হাত ফসকে যাবে, সেই কারণেও নয়। আসলে তিন খান মুখ খুললে ওঁদের এত বছরের পরিশ্রমের ফিল্মি কেরিয়ার কিংবা ওঁদের পুরোদস্তুর সত্ত্বাটাকেই প্রশ্নের মুখে দাঁড় করিয়ে দেওয়া হবে”, এমনটাই ধারণা নাসিরুদ্দিনের।