
২০২১ সালে বিধানসভা নির্বাচনে প্রথমবার ব্যারাকপুরে তৃণমূলের টিকিট পেয়ে জয় লাভ করেন রাজ। ছাব্বিশের বিধানসভা নির্বাচনেও এই একই কেন্দ্র থেকে দাঁড়িয়েছেন রাজ। সেখানে বিজেপির কৌস্তুভ বাগচীর সঙ্গে তাঁর লড়াই।

সম্প্রতি হলফনামা জমা দিয়েছেন পরিচালক। দেখে নিন রাজের সম্পত্তির পরিমাণ কত।

হলফনামায় রাজের নাম রাজু। আর তাঁর সম্পত্তির পরিমাণ কত, দেখে নেওয়া যাক।

রাজের হলফনামা অনুযায়ী, বিধায়কের পাশাপাশি তাঁর পেশা ছবি পরিচালনা। তাঁর স্ত্রী পেশায় একজন অভিনেত্রী।

রাজ জানিয়েছেন, গত ৫ বছরে তাঁর আয় বেড়েছে পাঁচগুণেরও বেশি। ২০২০-২১ সালে রাজের আয় ছিল ৭ লক্ষ ২৪ হাজার ৩১০ টাকা। ২০২৪-২৫ সালে তাঁর আয় বেড়ে হয়েছে ৪১ লক্ষ ৮৯ হাজার ৩৩০ টাকা।

তবে আয়ের নিরিখে রাজকেও ছাপিয়ে গিয়েছেন তাঁর স্ত্রী শুভশ্রী। গত পাঁচ বছরে তাঁর আয় বেড়ে হয়েছে প্রায় ১ কোটি ৬৮ লক্ষ ৭৪ হাজার ৫৪০ টাকা।

রাজ চক্রবর্তীর নিজের নামে কোনও গয়না না থাকলেও, শুভশ্রীর গয়নার ভাণ্ডার চোখ কপালে তোলার মতো। তাঁর প্রায় ১৯০ ভরি সোনা রয়েছে, যার বাজারমূল্য ২ কোটি ৬০ লক্ষ টাকারও বেশি।

হলফনামা অনুসারে, রাজের দু’টি গাড়ি রয়েছে। একটি হল টাটা নেক্সন, যার মূল্য প্রায় ৭ লক্ষ ৮৮ হাজার ২১২ টাকা। দ্বিতীয়টি ভলভো, যার দাম ৮০ লক্ষ ৬২ হাজার ৪২৩ টাকা। শুভশ্রীর একটি স্করপিয়ো রয়েছে, যার মূল্য ১৬ লক্ষ ১২ হাজার ৫৭৫ টাকা।

রাজের মোট অস্থাবর সম্পত্তির পরিমাণ ২ কোটি ১০ লক্ষ ৫১ হাজার ১৬৭ টাকা। শুভশ্রীর অস্থাবর সম্পত্তির পরিমাণ ১৩ কোটি ১৫ লক্ষ ৩৬ হাজার ৮৭৭ টাকা।

রাজ হলফনামায় জানিয়েছেন, তাঁর বা শুভশ্রীর কোনও কৃষিজমি নেই। হালিশহরে প্রায় ১৩ হাজার ৫০৩ বর্গফুটের বাস্তু জমি রয়েছে তাঁর। শুভশ্রীর সোনারপুরে ১,৭৯৭ বর্গফুটের বাস্তু জমি রয়েছে।

সম্পত্তির পাহাড়ের হিসেবে শুভশ্রী তাঁর স্বামীকে অনেকটাই পিছনে ফেলেছেন। শুভশ্রীর মোট অস্থাবর সম্পত্তির পরিমাণ ১৩ কোটি ১৫ লক্ষ টাকার বেশি, যেখানে রাজের ক্ষেত্রে এই অঙ্কটি ২ কোটি ১০ লক্ষ টাকা।

স্থাবর সম্পত্তির (জমি ও ফ্ল্যাট) দিক থেকে রাজ এগিয়ে। আরবানায় ৪ কোটি টাকার ফ্ল্যাট থেকে শুরু করে কসবায় আড়াই কোটি টাকার অফিস মিলিয়ে রাজের স্থাবর সম্পত্তি প্রায় ৭ কোটি ৪৫ লক্ষ টাকার।