
প্রসেনজিতের বাড়ির লক্ষ্মীপুজোয় চাঁদের হাটটলিপাড়ার প্রতিটি তারকাদের বাড়িতেই লক্ষ্মীপুজো হয়। যাঁদের মধ্যে প্রসেনজিতের বাড়ি অন্যতম। প্রতি বছরই প্রসেনজিৎ চট্টোপাধ্যায়ের বাড়িতে এইদিন নিষ্ঠা সহকারে লক্ষ্মীপুজো হয়ে থাকে। পুজোর সমস্ত দায়িত্বই থাকে স্ত্রী অর্পিতা চট্টোপাধ্যায়ের ওপর। পুজোটা মুম্বইতে কাটলেও লক্ষ্মীপুজোর আগে আগে প্রসেনজিৎ-পত্নী চলে আসেন তাঁর বাড়ি উৎসব-এ। এই বছরও ব্যতিক্রম ছিল না। সব কাজ ফেলে বাড়ির লক্ষ্মীপুজোয় সামিল হলেন অর্পিতা।
এই বছর প্রসেনজিতের বাড়ির লক্ষ্মীপুজোয় উপস্থিত ছিলেন সস্ত্রীক জিৎ, অঙ্কুশ-ঐন্দ্রিলা, শুভাশিস, সুদেষ্ণা সহ অনেকে। এদিন একটি অফ হোয়াইট পাঞ্জাবিতে সেজে থাকতে দেখা যায় প্রসেনজিৎ চট্টোপাধ্যায়কে। অর্পিতা সেজেছিলেন পেঁয়াজি রঙের শাড়িতে। প্রসেনজিৎ পুত্রকে দেখা যায় লাল রঙের পাঞ্জাবিতে সেজে থাকতে। গোটা ফ্রেম থাকে বুম্বাদার প্রিয় পোষ্যও। প্রসেনজিতের বাড়ির লক্ষ্মীপুজো মানেই সেখানে নিজের হাতে ভোগ রান্না করবেন অর্পিতা।

বছরের বেশির ভাগ সময়েই কাজের সূত্রে শহরের বাইরে কাটে অভিনেত্রী অর্পিতা চট্টোপাধ্যায়ের। কিন্তু যা-ই হোক না কেন, বছরে একটি দিন বালিগঞ্জে নিজের বাড়িতে ঠিক চলে আসেন অভিনেত্রী। সারা বছর খুব কমই একসঙ্গে দেখা যায় প্রসেনজিৎ চট্টোপাধ্যায় এবং অর্পিতাকে। কিন্তু এ দিন কোনও নড়চড় হয় না। এক ফ্রেমে দেখা যায় অর্পিতা এবং প্রসেনজিৎকে। বাড়িতে ধুমধাম করে হয় লক্ষ্মীপুজো। এই বছরও দু-তিনদিন আগেই অর্পিতা মুম্বই থেকে কলকাতায় চলে এসেছেন।
কোজাগরী লক্ষ্মীপুজোর দিন নিজের হাতে মায়ের ভোগ রান্না করেন অর্পিতা। এই বিশেষ দিনে তাঁদের আত্মীয়স্বজনও আসেন ‘উৎসব’-এ। ইন্ডাস্ট্রিতে অনেকেই জানেন, প্রসেনজিতের বাড়ির নাম ‘উৎসব’। এক দিকে যেমন মায়ের ভোগ রান্নার দায়িত্বে থাকেন অর্পিতা, অন্য দিকে, স্বয়ং ‘ইন্ডাস্ট্রি’-ও বসে থাকেন না। তিনিও পুজোর কাজে হাত লাগান। প্রতি বছরই লক্ষ্মীপুজোর সঙ্গে সত্যনারায়ণের পুজোও হয়ে থাকে। এই বছরও সেটাই হয়েছে।