Madhumita Debmalya Reception: বরের সঙ্গে জমিয়ে ফুচকা খেলেন নববধূ মধুমিতা, দেখুন নবদম্পতির বউভাতের লুকস

সরস্বতী পুজোর দিন বারুইপুর রাজবাড়িতে রাজকীয় বিয়ে সারেন অভিনেত্রী মধুমিতা সরকার ও দেবমাল্য চক্রবর্তী। আর রবিবার ছিল তাঁদের গ্র্যান্ড রিসেপশন। উত্তর কলকাতার শোভাবাজার রাজবাড়িতে মধুমিতা ও দেবমাল্যর বউভাতের আসর বসেছিল।

Advertisement
বরের সঙ্গে জমিয়ে ফুচকা খেলেন নববধূ মধুমিতা, দেখুন নবদম্পতির বউভাতের লুকসমধুমিতা-দেবমাল্যর রিসেপশন লুকস
হাইলাইটস
  • সরস্বতী পুজোর দিন বারুইপুর রাজবাড়িতে রাজকীয় বিয়ে সারেন অভিনেত্রী মধুমিতা সরকার ও দেবমাল্য চক্রবর্তী।

সরস্বতী পুজোর দিন বারুইপুর রাজবাড়িতে রাজকীয় বিয়ে সারেন অভিনেত্রী মধুমিতা সরকার ও দেবমাল্য চক্রবর্তী। আর রবিবার ছিল তাঁদের গ্র্যান্ড রিসেপশন। উত্তর কলকাতার শোভাবাজার রাজবাড়িতে মধুমিতা ও দেবমাল্যর বউভাতের আসর বসেছিল। রিসেপশনের দিন এই জুটির থেকে চোখ ফেরানো যাচ্ছিল না। একেবারে রাজা-রানির মতোই লাগছিল মধুমিতা ও দেবমাল্যকে। 

বিয়ের দিন একেবারে সাবেকি বাঙালি বধূরূপে দেখা গিয়েছিল মধুমিতাকে। আর রিসেপশনের দিন তাঁর সৌন্দর্য যেন কয়েকগুণ বেড়ে গিয়েছিল। রিসেপশনে মধুমিতা পরেছিলেন লাল রঙের শাড়ি ও ব্লাউজ।শাড়ির আঁচল জুড়ে ছিল সূক্ষ্ম গোল্ডেন এমব্রয়ডারি। সঙ্গে কুন্দন সেটষ সিঁথিতে রাঙানো সিঁদুর, সঙ্গে মানানসই মেকআপ ও খোলা চুলে তাঁর থেকে চোখ সরানো যাচ্ছিল না। দেবমাল্য রিসেপশনে বেছে নিয়েছিলেন সাদা রঙের শেরওয়ানি, যার বর্ডার জুড়ে ছিল সোনালি কারুকাজ। গলায় একটি স্টাইলিশ হার আর হাতে দামি ঘড়ি। 

ছবি সৌজন্যে: ফেসবুক

দেবমাল্যর সঙ্গে পোজ দিয়ে ছবি তুলেছেন মধুমিতা। বিয়ের দিন যতটা নার্ভাস ছিলেন নায়িকা রিসেপশনের দিন তাঁকে বেশ হালকা মেজাজেই পাওয়া গেল। আইটি প্রফেশনাল দেবমাল্যকে পাশে নিয়ে মধুমিতার হাসিই বলে দিচ্ছিল তিনি কতটা খুশি। বউভাতের দিন দেবমাল্যকে সঙ্গে নিয়ে জমিয়ে ফুচকা খেলেন পর্দার পাখি। আবার ফুচকাওয়ালাকে নির্দেশ দিলেন ফুচকায় আরও বেশি করে ঝাল দিতে। এদিনও তাঁদের রিসেপশনে এসেছিলেন টলিপাড়ার চেনা মানুষেরা। 

গত কয়েক মাস ধরে মধুমিতা সরকারের বিয়ে নিয়ে নেটপাড়ায় আলোচনার অন্ত ছিল না। দীর্ঘদিনের বন্ধু ও জীবনসঙ্গী দেবমাল্য চক্রবর্তীর সঙ্গে বিবাহ বন্ধনে আবদ্ধ হলেন তিনি। বসন্ত পঞ্চমীর রাতে জীবনের দ্বিতীয় ইনিংস শুরু করেছেন ছোটপর্দার পাখি। ছোটবেলার বন্ধু মধুমিতা-দেবমাল্য়, মাঝে বেশ কয়েক বছর যোগাযোগ ছিল না দুজনের। কিন্তু দ্বিতীয়বার কাছাকাছি আসবার পর আর দেরি করেননি। একসঙ্গে বাকি জীবনটা কাটানোর সিদ্ধান্ত নিয়ে ফেলেন তাঁরা।

Advertisement

ছবি সৌজন্যে: ফেসবুক

এদিন অতিথিদের আলোচনার কেন্দ্রবিন্দুতে ছিল প্রীতিভোজের এলাহি মেনু। স্টার্টার থেকে ডেজার্ট— প্রতিটি পদেই ছিল বাঙালিয়ানা আর আভিজাত্যের ছোঁয়া। অনুষ্ঠানে ঢুকেই অতিথিদের স্বাগত জানানো হয় গরমাগরম ফুচকা দিয়ে। এছাড়াও ছিল চা-কফি সহ নানান ধরনের পানীয়ের ব্যবস্থা। এরপর স্টার্টারে ছিল গোল্ডেন প্রন, কলকাতার সিগনেচার ফিশ ফ্রাই, রকমারি কাবাব এবং অনন্য স্বাদের গন্ধরাজ চিকেন।  মেন কোর্সে ছিল লুচি ও কড়াইশুঁটির কচুরির সঙ্গে আলুর দম আর ভেজিটেবিল চপ। ছিল সাদা ভাত ও ফুলকপির রোস্ট। মিষ্টি সুগন্ধি বাসন্তী পোলাও। মাছের তালিকায় ছিল সাবেকি ফিশ পাতুরি, মালাইয়ে ভরা চিংড়ির মালাইকারি এবং ক্লাসিক দই কাতলা। মাংসের বিভাগে বিশেষ আকর্ষণ ছিল কলকাতার আইকনিক গোলবাড়ির কষা মাংস। চাটনি ও পাঁপড় ছাড়াও শেষ পাতে ছিল গরম গরম রসগোল্লা, মালাইয়ের স্বাদে ভরা রসমালাই আর মচমচে জিলিপি

POST A COMMENT
Advertisement