মিমি চক্রবর্তীসম্প্রতি সোশ্যাল মিডিয়ায় একটি ভিডিও ঝড়ের গতিতে ভাইরাল হয়েছে। যেখানে দেখা গিয়েছে, গাড়ি থেকে এক মহিলা নামতেই তাঁকে গণপ্রহার করতে করতে থানার ভিতরে নিয়ে যাওয়া হচ্ছে। আর সেই ভিডিওটি নাকি টলিউডের নায়িকা মিমি চক্রবর্তীর, এমনটাই দাবি করা হয়েছে। যদিও ভিডিওটা কতটা সত্যি, তা নিয়ে সন্দেহ রয়েছে। কিন্তু এরকম ভিডিও সোশ্যাল মিডিয়ায় ভাইরাল হওয়ায় তা নজর এড়ায়নি মিমির। দিলেন কড়া ভাষায় বার্তা। সঙ্গে আইনি পদক্ষেপের হুঁশিয়ারিও দিলেন নায়িকা।
মিমি এই ভুয়ো ভিডিও দেখে রীতিমতো চটেছেন। সোশ্যাল মিডিয়ায় কড়া বার্তা দিয়েছেন তিনি। মিমি লেখেন, আজকে আমাকে ঘিরে একটা ফেক ভিডিও নজরে এসেছে। সোশ্যাল মিডিয়ায় অন্য একটি ভিডিও এবং একটি খবর মিলিয়ে পোস্ট করা হয়েছে, যেটা সম্পূর্ণ ফেক। এটা যাঁরা করছেন, তাঁদের বিরুদ্ধে আইনি ব্যবস্থা নিতে আমি বাধ্য হব। মিমি আরও বলেন, যিনি একজন মহিলা হয়ে এটা পোস্ট করেছেন, তাঁকে বলি, আপনার লজ্জা হওয়া উচিত। আপনি একজন মহিলা হয়ে অন্য একজন মহিলার মার খাওয়া সেলিব্রেট করতে পারেন কীভাবে! বাকিরাই বা কত ছোট মনের হলে, এরকম করতে পারেন? মহিলাদের সম্মান করেন না যাঁরা, তাঁদের লজ্জা হওয়া উচিত।
এরপরই অভিনেত্রী জানান যে ইতিমধ্যেই একজনকে ফেক নিউজ করার জন্য আইনি নোটিশ পাঠানো হয়েছে। বাকিদেরও পাঠানো হবে বলে জানান নায়িকা। এরপরই মিমি বলেন, কিছুদিন আগে একজন পলিটিশিয়ানের সঙ্গে আমার নাম জড়িয়ে একটা ফেক ভিডিও সমাজ মাধ্যমে ভাইরাল হয়। এগুলো যাঁরা করছেন, তাঁরা অত্যন্ত অন্যায় করছেন। আপনারা আমার নাম নিয়ে সমাজ মাধ্যমে ভাইরাল হতে চাইছেন আশা করি।
এর আগেও মিমি এই ধরনের ভুয়ো খবর ও ভিডিওর বিরুদ্ধে সোচ্চার হয়েছিলেন। কিছুমাস আগে বনগাঁতে অনুষ্ঠান করতে গিয়ে মিমিকে হেনস্থা হওয়ার ঘটনা সামনে আসে। আয়োজকদের সঙ্গে মিমির বচসা অনেক দূর পর্যন্ত গড়ায়। আর তা নিয়েই ভুয়ো খবর সোশ্যাল মিডিয়ায় ভাইরাল হতে থাকে। নজরে পড়তেই মিমি সোশ্যাল মিডিয়ার মাধ্যমে তাঁদের বিরুদ্ধে কড়া ব্যবস্থা নেওয়ার হুঁশিয়ারি দেন। কারোর সাতে পাঁচে থাকতে একেবারেই পছন্দ করেন না নায়িকা আর কেউ তাঁর ব্যক্তিগত বিষয় নিয়ে নাড়াচাড়া করুক, সেটাও চান না তিনি।