
প্রসেনজিৎ ও পল্লবীবাংলা ইন্ডাস্ট্রির জ্যেষ্ঠপুত্র প্রসেনজিৎ চট্টোপাধ্যায়কে নিয়ে চর্চা তুঙ্গে হলেও সেইসব বিষয় নিয়ে একেবারেই মাথা গলান না অভিনেতা। ইন্ডাস্ট্রির ব্যস্ততম অভিনেতা হওয়া সত্ত্বেও প্রসেনজিৎ বরাবরই সাধারণ জীবন যাপনে বিশ্বস্ত। বোন পল্লবী চট্টোপাধ্যায়ের সঙ্গে তাঁর সম্পর্ক খুবই ভাল। রাখি বা ভাইফোঁটায় তাঁদের একসঙ্গে হতে দেখা যায়। প্রসেনজিৎ ও পল্লবী বিশ্বজিৎ চট্টোপাধ্যায়ের প্রথম পক্ষের সন্তান। সম্প্রতি এক পডকাস্টে এসে পল্লবী জানালেন তাঁর সঙ্গে অভিনেতা-দাদার সম্পর্ক কেমন?
মুম্বইতে প্রসেনজিৎ আসেন এই প্রশ্ন পল্লবীকে জিজ্ঞাসা করা হলে অভিনেত্রী বলেন যে, রাখি ও ভাইফোঁটায় এলে দেখা হয়। এমনকী অন্য সময়ে প্রসেনজিৎ মুম্বইতে এলেও পল্লবী তা জানতেও পারেন না। পডকাস্টে এসে পল্লবী আরও দাবি করেন যে দাদা প্রসেনজিতের সঙ্গে রোজ সকালে ‘গুড মর্নিং’ ম্যাসেজ বিনিময় ছাড়া সেভাবে আর কথা হয় না। অভিনেত্রীকে আক্ষেপের সুরে বলতে শোনা যায় যে তৃতীয় স্ত্রী অর্পিতা, ছেলে মিশুক যেমন পরিবার প্রসেনজিতের কাছে, তেমনই পরিবার হিসেবে ভাবেন টলিউড ইন্ডাস্ট্রিকেও। কিন্তু ততটাও তিনি (পল্লবী) নন।
পল্লবী এই পডকাস্টে এসে আরও জানিয়েছেন যে তিনিও ছোটবেলায় মা-বাবার বিচ্ছেদের পর বিশ্বজিৎকে কাছে পাননি। পল্লবী চট্টোপাধ্যায়ের বাড়িতে বাবা দাদা দু’জনেই সুপারস্টার। তবে তিনি অবশ্য কখনই পয়লা নম্বর হিরোইন হওয়ার রেসে নামেননি। বিয়ের পর পাকাপাকিভাবে মুম্বইতেই থাকেন পল্লবী। তবে যাতায়াত রয়েছে কলকাতায়। পল্লবীর ছোটোবেলা কেটেছে বেশ অভাবের মধ্যে দিয়ে।

মা অর্থাৎ বিশ্বজিতের প্রথম স্ত্রী রত্না চট্টোপাধ্যায় ভেবেছিলেন মেয়েকে বড় করে তোলায় যেন অভাব না হয়। তাই ১৩ বছর বয়সেই বিয়ে দিয়ে দেন। প্রাপ্তবয়স্ক হওয়ার আগেই, মাত্র ১৫-১৬ বছর বয়সে সন্তান কোলে আসে পল্লবীর। সেই বিয়ে যদিও সুখের হয়নি। একমাত্র মেয়েকে নিয়ে আলাদা হয়ে যান। এরপর দ্বিতীয় বিয়ে করেন পল্লবী। পল্লবী দাবি করেছেন যে তাঁর ও প্রসেনজিতের রাস্তা এখন একেবারেই আলাদা। দাদা প্রসেনজিতের সঙ্গে খুব একটা কথাও হয় না। শেষবার কথা হয়েছিল প্রসেনজিৎ পদ্ম পুরস্কার পাওয়ার পর।