Solanki-Soham: সোহমের জন্মদিনে আদুরে নামে ডাকলেন শোলাঙ্কি, প্রেমে সিলমোহর পড়ল?

শোলাঙ্কি রায় ও সোহম মজুমদারের সম্পর্কের কথা অজানা কারোর নয়। তাঁরা যে সম্পর্কে রয়েছেন, তা নিজেরা প্রকাশ্যে না বললেও, টলিপাড়ার ওপেন সিক্রেট বলা চলে। যদিও শোলাঙ্কি যে প্রেমে রয়েছেন, তা নিজে জানালেও, মনের মানুষের কথা মুখ ফুটে বলতে নারাজ।

Advertisement
সোহমের জন্মদিনে আদুরে নামে ডাকলেন শোলাঙ্কি, প্রেমে সিলমোহর পড়ল?সোহম-শোলাঙ্কি
হাইলাইটস
  • শোলাঙ্কি রায় ও সোহম মজুমদারের সম্পর্কের কথা অজানা কারোর নয়।

শোলাঙ্কি রায় ও সোহম মজুমদারের সম্পর্কের কথা অজানা কারোর নয়। তাঁরা যে সম্পর্কে রয়েছেন, তা নিজেরা প্রকাশ্যে না বললেও, টলিপাড়ার ওপেন সিক্রেট বলা চলে। যদিও শোলাঙ্কি যে প্রেমে রয়েছেন, তা নিজে জানালেও, মনের মানুষের কথা মুখ ফুটে বলতে নারাজ। তবে সোহমের জন্মদিনে অভিনেতাকে আদুরে নামে ডাকলেন নায়িকা। তাহলে কি গোপনীয়তা ভাঙছেন সোহম-শোলাঙ্কি?

শনিবার ছিল সোহম মজুমদারের জন্মদিন। ইন্ডাস্ট্রির অনেকেই অভিনেতাকে তাঁর এই বিশেষ দিনে শুভেচ্ছা জানিয়েছেন। জন্মদিনে চর্চিত প্রেমিককে শুভেচ্ছা জানাতে ভোলেননি গাঁটছড়ার নায়িকা। শোলাঙ্কির সেই আদুরে পোস্ট ঘিরেই ফের শুরু হল গুঞ্জন। সোহমের জন্মদিনে তাঁর একটি হাসিমুখের ছবি পোস্ট করেছেন শোলাঙ্কি। ঘুম জড়ানো চোখে মিষ্টি হাসি, কফির কাপে চুমুক দিচ্ছেন নায়ক। অভিনেত্রী ক্যাপশনে লিখেছেন, ‘হ্যাপি বার্থ ডে হোমি’ (Homie)।

সাধারণত খুব কাছের মানুষকে এই নামে ডাকেন কেউ। এরই সঙ্গে লাল রঙের হার্ট ইমোজি। সোহমও পাল্টা জবাবে হার্টের ইমোজি দিয়েছেন। আর এই পোস্ট বলে দিচ্ছে সোহম ও শোলাঙ্কি সম্পর্কে রয়েছেন। শোলাঙ্কি ও সোহমের সম্পর্ক প্রায় তিন বছরের। তাঁদের প্রেম নিয়ে চর্চা কম হয় না। মাঝে শোলাঙ্কি যখন মুম্বই গিয়েছিলেন, তখন সোহমের সঙ্গে লিভ-ইন করতেন। যদিও তাঁরা একে-অপরকে ভাল বন্ধুর তকমাই দিয়ে এসেছেন। একসঙ্গে ফিল্মি পার্টিতে যাওয়া, কফি ডেটে যাওয়া, কিছুই চোখ এড়াচ্ছে না কারোর। 

যদিও সাম্প্রতিক এক সাক্ষাৎকারে শোলাঙ্কি বলেছিলেন যে তিনি সম্পর্কে রয়েছেন তিনি তবে এখনই তিনি সেই বিষয় নিয়ে কথা বলতে চান না। একটা সময় ভালোবেসে বন্ধু শাক্যর সঙ্গে গাঁটছড়া বেঁধেছিলেন নায়িকা। কিন্তু হঠাৎ করেই তাঁদের মধ্যে আসে বিচ্ছেদ। সেই বিচ্ছেদের কারণ প্রসঙ্গে এই একই সাক্ষাৎকারে কথা বলেছিলেন শোলাঙ্কি। তিনি বলেছিলেন, 'আমাদের সমস্যাটা হয়েছিল মূলত দূরত্ব নিয়ে। আমরা দু’জন দুটো আলাদা টাইম জোনে থাকতাম। তারপর আমার কাজের যা সময় ছিল, সেটার পর আর আমাদের আর সে ভাবে কথা হত না। আমার যখন কাজ শেষ হত ও তখন ঘুম থেকে উঠত, আর অফিসের জন্য বেরিয়ে যেত। হ্যাঁ, আমাদের বিয়ে হয়েছিল ঠিকই। কিন্তু আমরা বৈবাহিক জীবনযাপন করতাম না। তারপর একটা সময় আমরা একসঙ্গে বসে সিদ্ধান্ত নিলাম যে, এই বিষয়টা খুব খারাপ দিকে যাচ্ছে। এমন পরিস্থিতি তৈরি হয়েছিল যে এবার কেউ না কেউ বিদ্রোহ ঘোষণা করবেই। তাছাড়াও আসতে আসতে বুঝতে পেরেছিলাম যে ওঁর পক্ষে সব ছেড়ে এখানে এসে থাকা সম্ভব নয়। আর আমার পক্ষেও সম্ভব হয়নি। আমি চেষ্টা অবশ্যই করেছিলাম, প্রথম ছ'মাস কিন্তু তাতে কোনও লাভ হয়নি। তাই আমরা এই সিদ্ধান্ত নিতে বাধ্য হয়েছিলাম। কিন্তু মুশকিলটা হচ্ছে ডিভোর্স আমাদের দেশে এখনও একটা ট্যাবু। আর অনেকেই মনে করেন ডিভোর্স মানেই হয় মেয়েটি ঠকাচ্ছে বা ছেলেটি।'    

Advertisement

POST A COMMENT
Advertisement