
জন্মদিনের দিন ট্রোলড অপরাজিতাঅপরাজিতা আঢ্যর ব্যক্তিগত জীবন বেশ রঙিন। অভিনেত্রী সোজা সাপটা কথা বলতে ভীষণ ভালোবাসেন। নিজের শর্তেই জীবন চালান তিনি। অভিনয় এবং ব্যক্তিগত জীবন, দুটোই সমান দক্ষতায় চালান তিনি। রবিবার ছিল অভিনেত্রীর জন্মদিন। আর এদিন ঘরোয়া ভাবেই নিজের বিশেষ দিনটি উদযাপন করলেন। তবে জন্মদিনের দিনও ট্রোলাররা পিছু ছাড়ন না। অভিনেত্রীর একটি ছবিকে ঘিরে সোশ্যাল মিডিয়ায় কটাক্ষের শিকার হতে হল তাঁকে।
পরিবার এবং স্বামী শাশুড়িকে নিয়ে মধ্যরাতে জন্মদিনের কেক কাটেন অভিনেত্রী। ফুল এবং বেলুন দিয়ে সাজানো ঘরে কেক কাটেন অপরাজিতা। থিমের সঙ্গে ম্যাচিং করে একটি গোলাপি রঙের গাউন পরেন তিনি। স্বামী এবং পরিবারের বাকি সদস্যদের সঙ্গে ছবি তুলতে দেখা যায় অপরাজিতাকে। কিন্তু যে ছবিটি সব থেকে বেশি নজর কেড়েছে সেটি হল কেক কাটার পর স্বামীকে নয় বরং শাশুড়ির ঠোঁটে ঠোঁট রেখে চুমু খান তিনি। আর এই ছবি সামনে আসার পর নেটপাড়ার একাংশ সমালোচনা করছেন অভিনেত্রীর।

কেউ লিখেছেন, এটা আবার কী? আবার কেউ লেখেন, যত সব ন্যাকামো। আবার কেউ লেখেন, এটা কোন দেশের নোংরামো ছিঃ। কেউ লিখেছেন, মাকে ভালোবাসা দেখানোর জন্য একেবারে সরাসরি লিপকিস, আর কত কি দেখব। কেউ লিখেছেন, চুমু খাওয়ারও নিয়ম আছে, সেটা এদের জানা নেই। যদিও এইসব ট্রোলের কোনও জবাব দেননি অপরাজিতা। বরং জন্মদিনের দিনটা সুন্দরভাবে পরিবারের সঙ্গে কাটিয়েছেন।
জন্মদিনের দুপুরে অপরাজিতার জন্য ছিল এলাহি ব্যবস্থা। ভাত, পোলাও, পাঁচ রকমের ভাজা, ফিসফ্রাই, ডাল, মাছ, চিংড়ি মাছ, পায়েস, মিষ্টি দই এবং মিষ্টি। সব সাজিয়ে গুছিয়ে দেওয়া হয় অপরাজিতার সামনে। পরিবারের সঙ্গে একেবারে একান্তভাবে সময় কাটান অভিনেত্রী। তবে তাঁর জন্মদিন আরও বিশেষ হয়ে ওঠে মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের কাছ থেকে শুভেচ্ছা বার্তা পেয়ে। অপরাজিতা এই চিঠি পেয়ে আপ্লুত।
অভিনয়ের পাশাপাশি নাচেও সমান ভাবে পারদর্শী অপরাজিতা। বরাবর নিজেকে আপডেটেড করে রাখতেই ভালোবাসেন তিনি। বয়সকে তুড়ি মেরে সব রকম পোশাকে স্বচ্ছন্দ অভিনেত্রী। শাশুড়ির সঙ্গে অপরাজিতার এক অন্য ধরনের সম্পর্ক। তিনি একাধিক সাক্ষাৎকারে বলেছেন, তাঁর শাশুড়িকে দেখেই তিনি বিয়েতে হ্যাঁ বলেছিলেন। মা মারা যাওয়ার পর শাশুড়িকেই এখন আগলে রয়েছেন অভিনেত্রী। এর আগেও শাশুড়ির ঠোঁটে চুমু খাওয়া নিয়ে ট্রোলড হন অপরাজিতা।