Sayak Chakraborty: 'Bigg Boss' বাংলা কি স্ক্রিপটেড? ঘর থেকে বেরিয়ে সত্যিটা বললেন সায়ক

রবিবার 'বিগ বস' বাংলার ঘর ছেড়েছেন অভিনেতা ও সোশ্যাল ইনফ্লুয়েন্সার সায়ক চক্রবর্তী। তাঁর সোশ্যাল মিডিয়া পেজে ফলোয়ার্সের সংখ্যা লাখ খানেক হলেও দর্শকদের ভোট পেয়ে তাঁকে বেরিয়ে যেতে হয় বিগ বস বাংলার ঘর থেকে। আলেকজান্দ্রা বেরিয়ে যাওয়ার পর থেকেই সায়কের বেরিয়ে যাওয়া নিয়ে সম্ভাবনা ছিল প্রবল। আর সেটাই সত্যি হল।

Advertisement
'Bigg Boss' বাংলা কি স্ক্রিপটেড? ঘর থেকে বেরিয়ে সত্যিটা বললেন সায়কবিগ বস বাংলা থেকে বেরিয়ে কোন তথ্য ফাঁস করলেন?
হাইলাইটস
  • রবিবার 'বিগ বস' বাংলার ঘর ছেড়েছেন অভিনেতা ও সোশ্যাল ইনফ্লুয়েন্সার সায়ক চক্রবর্তী।

রবিবার 'বিগ বস' বাংলার ঘর ছেড়েছেন অভিনেতা ও সোশ্যাল ইনফ্লুয়েন্সার সায়ক চক্রবর্তী। তাঁর সোশ্যাল মিডিয়া পেজে ফলোয়ার্সের সংখ্যা লাখ খানেক হলেও দর্শকদের ভোট পেয়ে তাঁকে বেরিয়ে যেতে হয় বিগ বস বাংলার ঘর থেকে। আলেকজান্দ্রা বেরিয়ে যাওয়ার পর থেকেই সায়কের বেরিয়ে যাওয়া নিয়ে সম্ভাবনা ছিল প্রবল। আর সেটাই সত্যি হল। ঘরের মধ্যে অন্য প্রতিযোগীদের তুলনায় সায়ককে কমই ঝগড়া-ঝামেলায় জড়িয়ে পড়তে দেখা গিয়েছে। আর সেটাই মনে হয় কাল হল। বিগ বস-এর ঘর থেকে বেরিয়ে bangla.aajtak.in-এর সঙ্গে তাঁর তিন সপ্তাহের অভিজ্ঞতা শেয়ার করলেন সায়ক। 

সায়ক বলেন, বাড়িতে ঢোকা আগে থেকেই মায়ের একটি কঠিন শারীরিক সমস্যা বা মেডিক্যাল কন্ডিশন তৈরি হয়েছিল। মায়ের শারীরিক অবস্থা কেমন আছে, তা বিগ বস-এর ঘরে বসে বুঝতে পারছিলাম না, বিগ বস-এর কাছে বারবার অনুরোধ করলেও কোনও খবর পাচ্ছিলাম না, মায়ের জন্য মন খারাপ তো ছিলই। তবে এমনিতে ভালই কেটেছে দিনগুলো। সায়ক জানিয়েছেন যে একদিনই সকালে উঠে তিনি মায়ের জন্য কেঁদেছিলেন, অন্য সময়ে কান্না চেপে রেখে তিনি বাড়ির সকলের সঙ্গে কথা বলতেন। কারণ বার বার কাঁদলে ওখানে তাঁকে ছিঁচকাঁদুনে বলা হত।

ছবি সৌজন্যে: ফেসবুক

সায়ক বলেন, বিগ বস-এর ঘরে তিনি সবথেকে বেশি সৃজলা ও সোনামণির সঙ্গে কথা বলতেন, তাঁদের সঙ্গেই বেশি থাকতেন। সোনামণি ও সৃজলার থেকে রুটি গোল করে বেলা, রান্না করা এগুলো শিখেছেন সায়ক। বিগ বসের ঘরে ফোনের অভাব বা বিনোদনের অভাব নিয়ে সায়কের কোনও আফসোস ছিল না। সারাদিনের হাড়ভাঙা খাটুনির পর ঘুমানোর সময় পেলেই তিনি বেঁচে যেতেন। সায়কের কথায় তিনি অন্য প্রতিযোগীদের মতো ঝগড়া-কূটকচালি, পরনিন্দা করতে পারবেন না। কারোর সঙ্গে সম্পর্ক খারাপ করে, কাউকে অসম্মান করে সায়ক এগিয়ে যেতে নারাজ। তাঁর কাছে সম্পর্ক তৈরি করাটাই আসল। আর সেটাই তিনি করেছেন। বাড়ির সকলের সঙ্গেই সায়কের সম্পর্ক খুবই ভাল। বিগ বস-এর পর তাই সৃজলা-সোনামণি-ভরত কল ছাড়াও সকলের সঙ্গেই সম্পর্ক রাখবেন। 

Advertisement

ছবি সৌজন্যে: ফেসবুক

২৪X৭ ক্যামেরার সামনে থাকতে হয়েছে, অস্বস্তি হয়নি? সায়ক বলেন, আমি তো মাঝে মাঝে ভুলেই যেতাম যে ক্যামেরা চলছে। নাকও খুঁটেছি ক্যামেরার সামনেই, তারপর মনে পড়েছে ক্যামেরা রয়েছে। তাই অসুবিধা কিছু হয়নি। বিগ বস-এর ঘরে নীরঞ্জনকে দেখা গিয়েছিল বার্নার চুরি করতে। সায়ক লাফটারসেনের সেই কাজকে একেবারেই সমর্থন করেন না। সায়ক বলেন, আমি নীরঞ্জনের মতো বার্নার চুরি করে সকলের খাবার খাওয়া বন্ধ করতে পারব না। কারণ ভরত দা, সৃজলা এঁদের ওষুধ খাওয়া থাকে, এতটা নীচে নামতে পারব না। সায়কের কথায়, বিগ বসের ঘরে তিনি কোনও সুনির্দিষ্ট প্ল্যান বা ছক কষে যাননি। নিজের মতোই থাকার চেষ্টা করেছিলেন। তবে মায়ের জন্য মন খারাপ সব সময় ছিল। 

অনেকের মনেই প্রশ্ন থাকে যে এত ঝগড়া অশান্তি, তর্ক-বিতর্ক সবটা আসল নাকি স্ক্রিপটেড? সায়ক এ বিষয়ে বলেন, সবটাই আসল বিগ বস-এ। ঝগড়া থেকে ঠাট্টা-ইয়ার্কি কোনও কিছুই স্ক্রিপ্টে লেখা নয়, যেটআি হচ্ছে সেটা একেবারে আসল জিনিস। বিগ বস-এর ঘরে ইঁদুর দৌড়ে না গিয়ে সায়ক নিজের মানবিক রূপটাই তুলে ধরেছেন। আর তাই সায়ক বেরিয়ে যাওয়ার পর ঝিলম, তনুশ্রীদের বলতে শোনা যায়, যেটা দেখেছিলাম বা শুনেছিলাম, তার চেয়ে অনেক আলাদা সায়ক। খুব ভাল ছেলেটা।     

POST A COMMENT
Advertisement