EIMPA Piya Sengupta: পালাবদলে 'টালমাটাল' টলিউড! পিয়া চেয়ার ছাড়তে নারাজ, রাতেই গেলেন থানায়, EIMPA-তে কত অশান্তি?

ছাব্বিশের বিধানসভা নির্বাচনে পালা বদলের পর থেকেই রাজ্য-রাজনীতিতে যেমন বদল এসেছে, তেমনি টলিপাড়াও উত্তাল। রাজ্যে বিজেপি সরকার গঠন হওয়ার পর থেকেই বাংলা সিনে ইন্ডাস্ট্রিও উত্তাল। একের পর এক ঘটনা ঘটে চলেছে EIMPA-তে। যা উত্তাল রূপ নেয় শুক্রবার। এদিন ইম্পার বৈঠকেও ধুন্ধুমার পরিস্থিতি তৈরি হয়।

Advertisement
পালাবদলে 'টালমাটাল' টলিউড! পিয়া চেয়ার ছাড়তে নারাজ, রাতেই গেলেন থানায়, EIMPA-তে কত অশান্তি?অসুস্থ অবস্থায় থানায় গেলেন ইমপা সভাপতি
হাইলাইটস
  • রাজ্যে বিজেপি সরকার গঠন হওয়ার পর থেকেই বাংলা সিনে ইন্ডাস্ট্রিও উত্তাল।

ছাব্বিশের বিধানসভা নির্বাচনে পালা বদলের পর থেকেই রাজ্য-রাজনীতিতে যেমন বদল এসেছে, তেমনি টলিপাড়াও উত্তাল। রাজ্যে বিজেপি সরকার গঠন হওয়ার পর থেকেই বাংলা সিনে ইন্ডাস্ট্রিও উত্তাল। একের পর এক ঘটনা ঘটে চলেছে EIMPA-তে। যা উত্তাল রূপ নেয় শুক্রবার। এদিন ইম্পার বৈঠকেও ধুন্ধুমার পরিস্থিতি তৈরি হয়। তীব্র বাদানুবাদে জড়িয়ে পড়েন সংশ্লিষ্ট সংগঠনের সদস্যরা। পিয়া সেনগুপ্তকে চেয়ার ছাড়ার দাবিতে অনড় বিক্ষুব্ধ সদস্যরা। ৪ মে বিজেপি সরকার আসার ১৮ দিনের মাথায় EIMPA-র সভাপতিপদ থেকে সরিয়ে দেওয়া হল পিয়াকে, দাবি করেছেন বিরোধী পক্ষের প্রযোজকদের মুখ শতদীপ সাহা। এদিন রাতেই পিয়া ও শতদীপ বৌবাজার থানায় পুরো ঘটনা জানিয়ে লিখিত অভিযোগ দায়ের করেন। 

বৈঠকে কী হয়?
শুক্রবারের বৈঠকে পিয়ার পদত্যাগকে ঘিরে টানটান উত্তেজনা তৈরি হয় ইমপা অফিসে। আগেও পিয়া সেনগুপ্তের চেয়ার আঁকড়ে ধরে থাকার বিষয়টি নিয়েও প্রতিবাদে সরব হয়েছিলেন প্রযোজক-ডিস্ট্রিবিউটারদের একাংশ। সেই সময় পিয়ার বিরুদ্ধে একাধিক অভিযোগও সামনে নিয়ে আসা হয়েছিল। আর শুক্রবারের বৈঠকেও যে এরকম পরিস্থিতি সৃষ্টি হবে, তা একপ্রকার ইঙ্গিত মিলেছিল আগেই। শুক্রবার ইমপার অফিসে রীতিমতো ঝড় বয়ে যায়। বাংলা সিনে ইন্ডাস্ট্রির জন্য যা বেশ অস্বস্তিকর। 

মাঝপথে বৈঠক ছাড়েন পিয়া
এদিন হঠাৎ করেই মিটিং থেকে মাঝপথেই ফাইল ছেড়ে বেরিয়ে যান ক্ষুব্ধ EIMPA সভাপতি। তাঁর অভিযোগ, বৈঠকে বাইরের লোক ঢোকানো হয়েছে। তাঁর দিকে নাকি পুলিশের সামনেই তেড়ে আসছে, এরকম অভিযোগও করেন। পরিস্থিতি এমন পর্যায়ে পৌঁছয় যে, বৈঠক থেকে ফাইল হাতে বেরিয়েই থানায় যাওয়ার সিদ্ধান্ত নেন পিয়া। এমনকী শ্লীলতাহানিরও অভিযোগ তুলেছেন তিনি। পরে অবশ্য পুলিশের উপস্থিতিতে ফের মিটিং শুরু হয়। যেখানে ধ্বনিভোটে অস্থায়ী সভাপতি পদে রতন সাহার নাম উঠে আসে। কিন্তু সেটা মানতে অস্বীকার করেন বর্তমান সভাপতি পিয়া সেনগুপ্ত।

রাতেই থানায় অভিযোগ
এরপরই অসুস্থ হয়ে পড়েন পিয়া। সরকারি হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয় তাঁকে। চিকিৎসক জানিয়েছেন, প্যানিক অ্যাটাক হয়েছে তাঁর। বিশ্রামে থাকার পরামর্শ দিয়েছেন ইমপা সভাপতিকে। একটু সুস্থ হতেই বৌবাজার থানায় অভিযোগ দায়ের করবেন বলে সিদ্ধান্ত নেন তিনি। রাতেই পিয়া ও শতদীপ দুজনেই থানায় আসেন। পিয়া এক সংবাদমাধ্যমকে জানিয়েছেন যে তাঁর সঙ্গে যে অভদ্র আচরণ করা হয়েছে, সেই বিষয়েও তিনি অভিযোগ দায়ের করেন। প্রসঙ্গত, শুক্রবার ইমপার বৈঠকে ধ্বনিভোটে অস্থায়ী সভাপতি পদে রতন সাহার নাম উঠে আসে। কিন্তু সেটা মানতে অস্বীকার করেন বর্তমান সভাপতি পিয়া সেনগুপ্ত।

Advertisement

TAGS:
POST A COMMENT
Advertisement