
দেবশ্রী-শুভশ্রীপুজো মানেই বন্ধু-বান্ধব ও পরিবারের সঙ্গে সময় কাটানো। রোজকার ব্যস্ত জীবন ছেড়ে পুজোর কটা দিন পরিবারের প্রিয় সদস্যদের নিয়ে থাকতেই যেন বেশি ভালোলাগে। টলিপাড়ার ব্যস্ততম নায়িকা শুভশ্রীও পুজোয় নিজের পরিবারকেই সময় দেন। দুই সন্তান ও বর রাজের সঙ্গে এই পুজোতেও তাঁর সময় বেশ ভালই কেটেছে। যদিও বেশ কয়েকমাস ধরেই নায়িকার সঙ্গে দেখা যায়নি দিদি দেবশ্রীকে। একটা সময় প্রিয় বোনের বাড়িতে অহরহ দেখা যেত দিদি দেবশ্রীকে। কিন্তু এখন দেবশ্রী বা তাঁর ছেলেকেও শুভশ্রীর পরিবারের কোনও অনুষ্ঠানে এখন দেখা যায় না। চলতি বছরের পুজোতেও দিদি দেবশ্রী কলকাতায় ছিলেন না। তবে বোন শুভশ্রীর সঙ্গে তাঁর সম্পর্ক নিয়ে মুখ খুলেছেন সম্প্রতি।
দুর্গাপুজোয় কলকাতায় ছিলেন না দেবশ্রী। বারাণসীতে তাঁর ছেলে অনীশ গঙ্গোপাধ্যায়ের উদ্যোগে সেখানে প্রথমবার বড় করে দুর্গাপুজোর আয়োজন করা হয়েছিল। ছেলের উদ্যোগে দুর্গাপুজো, তাই গোটা পুজো বারাণসীতেই কাটান দেবশ্রী। এমনিতেই শুভশ্রীর সঙ্গে তাঁর সম্পর্কের অবনতি নিয়ে টলিপাড়ার চর্চা কম নয়। তারওপর দেশু৭ প্রিমিয়ারেও দেবশ্রীকে দেখা যায়নি। তাহলে কি দুই বোনের এই মনোমালিন্য এখনও কাটেনি? এই নিয়ে সম্প্রতি কথা বলেন দেবশ্রী।

দেবশ্রী জানিয়েছেন যে তাঁদের দুই বোনের মধ্যে সম্পর্ক খারাপ হওয়ার জল্পনা ঠিক নয়। সবকিছু ঠিক আছে শুভশ্রী ও তাঁর মধ্যে। পুজোতে কলকাতা না থাকার কারণ বারাণসীতে ছেলের পুজো। আর সেখানে যাওয়ার পরিকল্পনা অনেক আগেই দেবশ্রী করেছিলেন। শুভশ্রী নিজের কাজ ও পরিবার নিয়ে ব্যস্ত। তাই বারাণসী আসতে পারেননি। তবে দেবশ্রী এও জানান যে আগামী বছরের পুজোতে শুভশ্রী নবমীর দিন বারাণসী আসবেন বলে জানিয়েছেন। সঙ্গে রাজ ও দুই সন্তান থাকবেন। বর্ধমানের বাড়ির পুজোতেও তাঁরা যাবেন বলেছেন। তাই দেবশ্রী-শুভশ্রীর মধ্যে যে মনোমালিন্যের জল্পনা ছিল, তা একেবারেই ঠিক নয় বলে জানান নায়িকার দিদি।

প্রসঙ্গত, টলিউডের লেডি সুপারস্টার শুভশ্রী গঙ্গোপাধ্যায়ের সঙ্গে তাঁর দিদি দেবশ্রী গঙ্গোপাধ্যায়ের সম্পর্ক যে অবনতির পথে, তা কারোর অজানা নয়। একটা সময় শুভশ্রী ও রাজ চক্রবর্তীর বাড়ির সব অনুষ্ঠান থেকে শুরু করে একসঙ্গে সময় কাটানো, সর্বত্রই দুই বোনকে দেখা যেত। রাজ-শুভশ্রীর দুই সন্তানের সঙ্গেও মাসি দেবশ্রীকে সময় কাটাতে দেখা যেত। অপরদিকে, দেবশ্রীর ছেলেকে নায়িকা নিজের বড় ছেলে বলেই মানতেন। কিন্তু সেই সব এখন অতীত। দুই বোনের সম্পর্কে বড় ফাটল ধরেছে বলেই শোনা যাচ্ছিল।