দেব-প্রসেনজিৎবুধবার থেকেই টলিপাড়ায় ফিসফাস। ইম্পার দপ্তরে স্ক্রিনিং কমিটির বৈঠকে দুই সুপারস্টারের তরজায় মধ্যস্থতা করতে গিয়ে নাকি অপমানিত হতে হয় প্রসেনজিৎ চট্টোপাধ্যায়কে! শোনা যায়, এই বৈঠকে দেবের কিছু কথায় অপমানিত বোধ করেন সকলের প্রিয় বুম্বা দা তথা প্রসেনজিৎ চট্টোপাধ্যায়। আর যা নিয়ে ইন্ডাস্ট্রির টক অফ দ্য টাউন হয়ে ওঠে দেব-প্রসেনজিতের কথোপকথন। এই নিয়ে যখন বিতর্ক দানা বাঁধছে, তখনই প্রসেনজিতের বাড়ি গিয়ে সব ভুল বোঝাবুঝি মিটিয়ে নেন দেব। আর এই নিয়ে সম্প্রতি সংবাদমাধ্যমের কাছে মুখ খুলেছেন সুপারস্টার দেব।
শুক্রবার ছিল প্রসেনজিতের ছবি 'বিজয়গড়ের হীরে'-এর সাকসেস পার্টি। আর সেখানেই আমন্ত্রিতি অতিথিদের মধ্যে ছিলেন দেবও। পার্টিতে এসেই দেব প্রথমেই জড়িয়ে ধরেন প্রসেনজিৎকে। সংবাদমাধ্যমের সামনে দেব এ প্রসঙ্গে বলেন, 'আমাদের মধ্যে কোনও মান অভিমান ছিল না।' দেব আরও বলেন, 'এই জন্মে বুম্বাদার সঙ্গে আমার খারাপ সম্পর্ক হবেনা, যাঁরা সঙ্গে ছিল তাঁরা সঙ্গে আছে। আমার আর বুম্বাদার মধ্যে খারাপ কিছু যে হবে না তা মিশুক আর অর্পিতা দি জানে আর আমার মা-বাবা জানে। দেব জানান, যাঁরা সম্পর্ক খারাপ করানোর চেষ্টা করছে, তাঁরা আরও চেষ্টা করুক।'
ইন্ডাস্ট্রির সূত্রের খবর, বুধবার ইম্পার ওই আলোচনা সভায় পদ্মশ্রীপ্রাপ্ত প্রসেনজিৎ চট্টোপাধ্যায়কে সংবর্ধনা দেওয়া হয়। তবে সেই পরিবেশ কিছপক্ষণের মধ্যেই থমথমে হয়ে যায়। বৈঠক চলাকালীন উপস্থিত সাংবাদিকদের সামনে দিয়েই বেরিয়ে যান দেব। জানা যাচ্ছে, পুজোর সিনে ক্যালেন্ডারের তরজা থামানোর জন্য প্রসেনজিৎ কিছু কথা বলেছিলেন দেবকে। সেই কথার উত্তর দিতে গিয়ে দেব নাকি বুম্বাদাকে বলেন যে প্রসেনজিৎ তো পদ্মশ্রী-টদ্মশ্রী পেয়েছেন, তাই তাঁর কথা শুনতেই হবে। এ ধরনের ব্যাঙ্গাত্মক মন্তব্য দেবের কাছ থেকে শুনে কিছুটা অস্বস্তিতে পড়েন প্রসেনজিৎ। এমনকি জিতের সঙ্গেও ঠান্ডা লড়াই হয়। আর এই নিয়ে যখন টলিপাড়া উত্তাল ঠিক তখনই শুক্রবার সটান বুম্বার বালিগঞ্জের ‘উৎসবে’ হাজির হন দেব।
প্রসেনজিৎ ও তাঁর ছেলে তৃষাণজিতের সঙ্গে ছবি তোলেন দেব। সেই ছবি প্রসেনজিৎ শেয়ার করে লেখেন, তুই এলি, কথা বললি, ভালো লাগল। নিজের খারাপ লাগাগুলোকে সরিয়ে বাড়ির ভুল বোঝাবুঝিগুলোকে সামলানোটাই মনে হয় বড়দের কাজ। ভালো থাক। আর তারপরই বিকেলে বিজয়গড়ের হীরে ছবির স্পেশাল স্ক্রিনিংয়ে হাজির হন দেব। যেখানে প্রসেনজিৎও বলেন যে তিনি দেবকে খুবই ভালোবাসেন।