
রচনা বন্দ্যোপাধ্যায়সোশ্যাল মিডিয়া উত্তাল অভিনেত্রী-সাংসদ রচনা বন্দ্যোপাধ্যায়ের আরবানা মন্তব্যে। সম্প্রতি অভিনেত্রী এক সাক্ষাৎকারে বলেন যে আরবানাতে থাকতে গেলে যোগ্যতা লাগে। আর অভিনেত্রী-সাংসদের এই ধরনের মন্তব্য সামনে আসতেই বাংলা ইন্ডাস্ট্রির একাংশ যেমন সমালোচনা শুরু করে অভিনেত্রীকে নিয়ে তেমনি সোশ্যাল মিডিয়ায় হাসির রোল ওঠে এই নিয়ে। প্রসঙ্গত, তিন দশকের বেশি সময় ধরে অভিনয় করছেন রচনা। বাংলা, ওড়িয়া ও দক্ষিণী সিনেমায় তাঁর দাপট ছিল একসময়। কিন্তু জানেন রচনা তাঁর আসল নাম নয়। অভিনয় জগতে আসার পর রচনা তাঁর নাম বদলে ফেলেন। আসুন জেনে নেওয়া যাক রচনার আসল নাম কী?
রচনার নাম বদলে ছিলেন অভিনেতা সুখেন দাস। তাঁর কথামতোই অভিনেত্রী নিজের নাম বদলে ফেলেন। রচনার আসল নাম ঝুমঝুম বন্দ্যোপাধ্যায়। অভিনেত্রী-সাংসদ এক সাক্ষাৎকারে বলেছিলেন, অভিনেতা সুখেন দাসের কাছে রচনাকে নিয়ে গিয়েছিলেন তাঁর বাবা। ঝুমঝুম নাম শুনে সুখেন বলেছিলেন, এই নামটা আগে পাল্টাতে হবে। ঝুমঝুম নাম শুনলে সকলে বলবেন, মুনমুনের বোন (পড়ুন মুনমুন সেন-‘ অভিনেত্রী এবং মহানায়িকার সুচিত্রা সেনের কন্যা)। তাই আগে পাল্টাতে হবে নামটা। তারপর নাকি রবীন্দ্র রচনাবলি নিয়ে আসা হয়েছিল। সেখান থেকে একটা নাম বাছাই চলছিল রচনার। হঠাৎ সুখেন বলে বসেন, “রবীন্দ্র রচনাবলির ‘রচনা’ নামটা কী ক্ষতি করল। সেটাই থাক। সেই থেকে ঝুমঝুম হয়ে উঠলেন রচনা।

বাবার খুবই প্রিয় ছিলেন রচনা। রচনার সিনেমা থেকে তাঁর দিদি নম্বর ১, সবই এখন আলোচনায় উঠে আসছে৷ বিদ্রোহী তৃণমূল হিসেবেও তিনি মুখ খুলেই বোমা ফাটিয়েছেন সাংসদ৷ টলিউড থেকে বলিউড, যাঁর অভিনয়ের বিস্তৃতি কোনও ভৌগলিক সীমায় আটকে থাকেনি। এই দুই ইন্ডাস্ট্রির পাশাপাশি একাধিক আঞ্চলিক ভাষার ছবিতেও কাজ করেছিলেন তিনি। বাংলা ফিল্ম ইন্ডাস্ট্রির বাইরে গিয়ে তিনি বলিউডে কাজ করেছেন৷ ওড়িয়া ফিল্ম ইন্ডাস্ট্রিতে বিশেষ ভাবে সাড়া ফেলেছিলেন রচনা।

সিনেমার পর্দা থেকে অনেক আগেই নিজেকে সরিয়ে নিয়েছিলেন রচনা। তবে দিদি নম্বর ১ তাঁকে আবারও আলাদা জনপ্রিয়তা দিয়েছিল। এই শোয়ের মাধ্যমেই রচনা সকলের প্রিয় দিদি হয়ে উঠেছিলেন। কিন্তু দিদি নম্বর ১-এর নতুন ফরম্যাট সামনে আসতেই সঞ্চালিকাও বদলে যায়। রচনা এক সাক্ষাৎকারে জানিয়েছেন যে দুদিনের নোটিশে তাঁকে এই শো থেকে সরিয়ে দেওয়া হয়। সব মিলিয়ে এখন হট টপিক কিন্তু অভিনেত্রী-সাংসদ রচনাই।