Shamik Adhikary Bail Granted: সেই 'ননসেন' শমীক জামিন পেয়ে গেলেন, তবে রোজ থানায় হাজিরা দিতে হবে

মারধর, যৌন হেনস্থার অভিযোগে গ্রেফতার হয়েছিলেন জনপ্রিয় কনটেন্ট ক্রিয়েটর শমীক অধিকারী। সোশ্যাল মিডিয়া তোলপাড় হয়ে উঠেছিল ননসেন-কে নিয়ে। দীর্ঘ একমাসের বেশি সময় জেল হেফাজতে থাকার পর অবশেষে জামিন পেলেন শমীক।

Advertisement
সেই 'ননসেন' শমীক জামিন পেয়ে গেলেন, তবে রোজ থানায় হাজিরা দিতে হবেশমীক অধিকারী
হাইলাইটস
  • মারধর, যৌন হেনস্থার অভিযোগে গ্রেফতার হয়েছিলেন জনপ্রিয় কনটেন্ট ক্রিয়েটর শমীক অধিকারী।

মারধর, যৌন হেনস্থার অভিযোগে গ্রেফতার হয়েছিলেন জনপ্রিয় কনটেন্ট ক্রিয়েটর শমীক অধিকারী। সোশ্যাল মিডিয়া তোলপাড় হয়ে উঠেছিল ননসেন-কে নিয়ে। দীর্ঘ একমাসের বেশি সময় জেল হেফাজতে থাকার পর অবশেষে জামিন পেলেন শমীক। ঠিক কী কারণে গ্রেফতার হয়েছিলেন শমীক ওরফে ননসেন?

কী কী অভিযোগ ওঠে?
ফেব্রুয়ারি মাসে শমীক অধিকারীর বিরুদ্ধে যৌন হেনস্থার মতো মারাত্মক অভিযোগ ওঠে। নেটপাড়ায় এই ইনফ্লুয়েন্সার ননসেন নামেই পরিচিত। বেহালা থানায় তাঁর বিরুদ্ধে অভিযোগ দায়ের করেন নির্যাতিতা। এরপরই শমীকের বিরুদ্ধে ধর্ষণের মামলা রুজু করার সিদ্ধান্ত নেয় পুলিশ। অভিযোগকারিণীর আইনজীবীর তরফে জানানো হয়েছিল, শমীক নির্যাতিতার বন্ধু। বাড়ি বদল করার সময় সাহায্য করার অজুহাতে তরুণীকে নিজের ফ্ল্যাটে ডেকে পাঠান শমীক। এরপরই তরুণীর মোবাইল ফোন কেড়ে নেন শমীক, এমনটাই অভিযোগ। সারারাত ধরে তাঁর উপর শারীরিক ও মানসিক নির্যাতন চালানো হয় বলেও অভিযোগ করা হয়েছিল। অশান্তি চলাকালীন যে প্রেমিকাকে শারীরিক আঘাত করেছিলেন ইনফ্লুয়েন্সার শমীক, মা-বাবা দু’জনেই একবাক্যে স্বীকার করে নিয়েছিলেন সেকথা।

নির্যাতিতার পুলিশি বয়ান
নির্যাতিতার পুলিশি বয়ানেও উঠে এসেছিল ভয়ানক সেই ঘটনার কথা। শমীকের মারের চোটে ওই তরুণী অজ্ঞান হয়ে গিয়েছিলেন। এতটাই মেরেছিল শমীক যে নির্যাতিতার চোখ ফুলে যায়। তরুণীর চিৎকার শুনে শমীকের মা-বাবা এলেও শমীকের আত্মহত্যার হুমকি শুনে তরুণীকে একা ফেলে চলে যায়। পরের দিন বিকেল পর্যন্ত শমীক ওই তরুণীকে আটকে রাখেন বলে অভিযোগে বলা হয়। এরপর শমীকের হাত থেকে কোনও মতে রেহাই পেয়ে তরুণী পুলিশের দ্বারস্থ হন। এই ঘটনায় শমীক অধিকারীর বিরুদ্ধে ন্যায় সংহিতার ১২৭(২), ১১৫(২), ৭, ৪ এবং ৩৫১(২) ধারায় মামলা রুজু হয়েছিল। এবার ১২ মার্চ শেষমেশ ‘ননসেন’ শমীক অধিকারী জামিন পেলেন।

কোন শর্তে জামিন?
পুলিশ সূত্রে খবর, গ্রেফতারির পর শমীকের ফোন থেকে বেশ কিছু আপত্তিজনক ভিডিও উদ্ধার করা হয়েছিল, যা নিয়ে বিতর্ক আরও ঘনীভূত হয়। কিছুদিন আগেই আদালত তাঁকে ১৪ দিনের বিচারবিভাগীয় হেফাজতে পাঠানোর নির্দেশ দিয়েছিল। যদিও শুরু থেকেই নিজেকে ‘নির্দোষ’ বলে দাবি করে এসেছেন শমীক। তবে ১২ মার্চ তাঁর হেফাজত শেষে আদালতে পেশ করলে তাঁকে জামিনে মুক্তি দেওয়া হয়। আলিপুর সেশন আদালতের বিচারক জামিনের শর্ত হিসাবে শমীককে ৫০ হাজার টাকা দেওয়ার নির্দেশ দেন। এছাড়াও বেহালা থানার তদন্তকারী অফিসারের সঙ্গে প্রতিদিন ৬টা থেকে ৮টার মধ্যে শমীককে হাজিরা দিতে হবে। আদালতের অনুমতি ছাড়া শমীক কলকাতা ছাড়তে পারবেন না। 

Advertisement

শমীকের বিতর্কিত কনটেন্ট
শমীক তথা ননসেন সোশ্যাল মিডিয়ায় মজার কনটেন্ট তৈরি করেই পরিচিতি পান। ননসেন-এর মা-ছেলের ভিডিও নেট পাড়ায় বেশ জনপ্রিয়। কিন্তু এই ঘটনার কয়েকদিন আগেই তাঁর সোশ্যাল মিডিয়া পেজে একটি কনটেন্ট হু হু করে ভাইরাল হয়। যে কনটেন্টে দেখানো হয়েছিল রাজ্যের শাসক দল মেয়েদের নিরাপত্তা দিতে পারছে না। এই ভিডিও বিজেপির পক্ষ থেকেও শেয়ার করা হয়েছিল। তার কয়েকদিন পরেই শমীকের বিরুদ্ধে এই ধরনের অভিযোগ ওঠে।  

POST A COMMENT
Advertisement