
আলেকজান্দ্রা ও সায়কশনি ও রবিবার 'বিগ বস' বাংলায় বসে দাদার দরবার। আর এই দুদিনে ঘর থেকে বিদায় নেন নমিনেটেড এক সদস্য। তবে এই সপ্তাহে একটু টুইস্ট রয়েছে। কারণ বিগ বস-এর ঘর থেকে এই সপ্তাহে এলিমিনেট হবেন বাড়ির দুই সদস্য়। একজন ইতিমধ্যেই বাড়ি ছেড়েছেন। রবিবার আরও একজন সদস্যকে ঘরছাড়া হতে হবে। শনিবার বিগ বস থেকে এলিমিনেট হলেন বিদেশিনী প্রতিযোগী তথা অভিনেত্রী আলেকজান্দ্রা টেলর। শনিবার অ্যালেক্সের বিদায়ের পর বর্তমানে ডেঞ্জারজোনে রয়েছেন সায়ক চক্রবর্তী, মনামী ঘোষ, নিরঞ্জন মণ্ডল এবং দীপেন্দু বিশ্বাস। এর আগে দুর্নিবার ও সৃজলা সেফ জোনে চলে গিয়েছেন।
আলেকজান্দ্রার মন্তব্য ঘিরে বিতর্ক
ভাঙা ভাঙা বাংলা বলে বাড়ির অন্য হাউস মেটদের সঙ্গে ভালই জমিয়ে ফেলেছিলেন আলেকজান্দ্রা। অ্যালেক্সকে সকলেই ভীষণ পছন্দ করতেন, কারণ তিনি যেহেতু বাংলাটান ঠিক করে বলতে এবং বুঝতে পারতেন না, তাই ঝগড়া-অশান্তি তাঁর সঙ্গে কমই হত। বিগ বস-এর কাছ থেকে বহুবার অ্যালেক্স তাঁর বাংলা বলার চেষ্টা করা নিয়ে প্রশংসিত হয়েছিলেন। বাড়ির সদস্যদের অনেকেই ভাবতে পারেননি যে বিগ বস থেকে এত তাড়াতাড়ি বিদায় নেবেন আলেকজান্দ্রা। তবে আলেকজান্দ্রা বিদায় নেওয়ার আগে তাঁকে দাদার দরবারে সৌরভ গঙ্গোপাধ্যায়ের মুখোমুখি হতে হয়। যেখানে অ্যালেক্সের একটি মন্তব্যকে ঘিরে দাদার কাছে সমালোচিত হন আলেকজান্দ্রা। আসলে সম্প্রতি এক পর্বে রাজবীরকে উদ্দেশ্য করে আলেক্স বলেন, ‘চুপ শালা গরিব’ বা ‘চুপসানো গরিব’। যা নিয়ে সোশ্যাল মিডিয়ায় বিতর্ক শুরু হয়।

ভাষাগত বাধা
সৌরভ গঙ্গোপাধ্যায় যখন এই মন্তব্যের বিষয়ে অ্যালেক্সকে প্রশ্ন করেন, তখন তিনি নিজের অবস্থান স্পষ্ট করার চেষ্টা করেন। অ্যালেক্স জানান, তিনি রাজবীরকে আর্থিকভাবে ‘গরিব’ বলতে চাননি, বরং মনের দিক থেকে বা ভাবনার দিক থেকে ‘গরিব’ বোঝাতে চেয়েছিলেন। তাই অনেকেই মনে করছেন অ্যালেক্সের ঘর থেকে চলে যাওয়ার অন্যতম কারণ হয়তো তাঁর এই মন্তব্য হতে পারে। এমনিতেই অ্যালেক্সের ঠিকমতো বাংলা বলতে বা বুঝতে একেবারেই পারেন না। আর তাই ভাষাগত সমস্যা তাঁর প্রথম থেকেই ছিল। ঘর ছাড়ার পর সৌরভের সঙ্গে মঞ্চে দাঁড়িয়ে অ্যালেক্স স্বীকার করেন, বাংলা ভাষা খুব কঠিন এবং বিগ বসের ঘর বেশ ভয়ের জায়গা। সব মিলিয়ে অ্যালেক্সের ঘরছাড়ার পর ভীষণভাবে ভেঙে পড়তে দেখা যায় ঝিলম, সোহিনী, দুর্নিবারদের।
চলে যেতে পারেন সায়ক?
রবিবার আরও এক সদস্যের যাওয়ার পালা। আর সেই তালিকায় জোরালো ভাবে শোনা যাচ্ছে সায়ক চক্রবর্তীর নাম। এতদিন বাড়িতে থাকার পরও সায়ক তাঁর কোনও দিককেই সঠিকভাবে তুলে ধরতে পারেননি। নিজস্ব কোনও মত প্রকাশ করতেও সায়ককে দেখা যায়নি। বরং কিছুটা গা বাঁচিয়ে চলার প্রচেষ্টা সবসময়ই তাঁর মধ্যে দেখা গিয়েছে। তাই মনে করা হচ্ছে নমিনেটেড বাকি সদস্যদের মধ্যে সায়কের যাওয়ার সম্ভাবনা কিন্তু প্রবল।