জয়া আহসানএকমাস ধরে রোজা রাখার পর ইদের দিন যেন চারগুণ আনন্দ এনে দেয়। খুশির ইদে সাধারণ থেকে তারকারা মন খুলে আনন্দ করেন, মেহেন্দি পরেন, বাড়িতে ভাল-মন্দ রান্না হয়, অতিথিদের সমাগম হয়। দুই বাংলার জনপ্রিয় অভিনেত্রী জয়া আহসানও ইদের দিনটি উদযাপন করেছেন ঠিকউ, তবে মন খারাপ নিয়েই। এই বছরের ইদ তাঁর কাছে আনন্দের হলেও, সঙ্গে বিষাদেরও।
ফেব্রুয়ারি মাসের শেষের দিকেই বাংলাদেশে ফিরে গিয়েছিলেন জয়া। সেখানেই রোজা রেখে, পরিবারের সঙ্গে ইফতার পালন করেছেন তিনি। জয়ার সোশ্যাল মিডিয়া পেজে নজর দিলেই সেই সব ঝলক নজরে আসবে। বোন, মা ও গোটা পরিবারকে সঙ্গে নিয়েই রোজা পালন করেছেন জনপ্রিয় এই নায়িকা। তবে ইদের দিনেও বড্ড মন খারাপ ছিল তাঁর। আর এই মন খারাপের কারণ হল জয়ার ভাইয়ের দুবাইতে আটকে থাকা। এই বছর ভাইকে ছাড়াই জয়া ইদ পালন করলেন।
কলকাতার দুর্গাপুজোর মতোই ইদে গোটা ঢাকা শহর সেজে ওঠে আলোয় আলোয়। জয়ার বাড়িতে চাঁদ রাত থেকেই অতিথি অ্যাপায়নের যাবতীয় প্রস্তুতি শুরু হয়ে যায়। প্রচুর রান্না হয়েছে নায়িকার বাড়িতে। মেহেন্দি পরেছেন জয়া, নতুন হেয়ার স্টাইলও করেছেন তিনি। তবে এতকিছুর মাঝে ভাই দুবাইতে আটকে থাকার কষ্টও রয়েছে নায়িকার। জয়ার সঙ্গে নায়িকার মায়েরও মনটা তাই খারাপ। মধ্যপ্রাচ্যের যুদ্ধের আবহ থাকার জন্য দুবাই থেকে ফিরতে পারেনি জয়ার ভাই। তবে বাড়িতে আত্মীয়-স্বজন, বন্ধু-বান্ধবেরা ভিড় করেন এদিন।
ইদের দিন জয়ার বাড়িতে তাঁর মায়ের হাতের বিশেষ পদ খাওয়ার জন্য সবাই আসেন। এদিন নায়িকার বাড়িতে পোলাও, কাচ্চি বিরিয়ানি, পায়েস, দুধ সেমাই, ফ্রুট কাস্টার্ড সহ আরও অনেক পদ রান্না হয়েছিল। এইদিন একেবারে ঘরোয়াভাবেই ইদ উদযাপন করবেন জয়া। তুতো ভাই-বোনেদের সঙ্গে ঘুরতেও বেড়িয়েছিলেন নায়িকা। প্রসঙ্গদ, দুই বাংলাতেই ভীষণভাবে জনপ্রিয় জয়া। কাজের সূত্রে এখন প্রায়ই তাঁকে কলকাতাতে আসতে হয়। জয়ার অভিনয়ের প্রশংসা সর্বত্র। অভিনয় ছাড়াও জয়া ভালোবাসেন নিজের হাতে চাষবাস করতে। তাঁর খামার বাড়িতে এমন কোনও সবজি নেই, যার গাছ নেই। বহু বছর একা থাকার পর জয়া সম্পর্কে জড়িয়েছেন, তাঁর সঙ্গে এখন লিভ-ইন করেন।