
সুস্মিতাকে নিয়ে কী বললেন ললিত মোদী?২০২২ সালের জুলাই মাসে হঠাৎ সকলকে অবাক করে দিয়ে সুস্মিতা সেনের সঙ্গে একগুচ্ছ ছবি শেয়ার করে নেন শিল্পপতি ও প্রাক্তন আইপিএল চেয়ারম্যান ললিত মোদী। সেখানে সুস্মিতাকে সরাসরি ‘জীবনসঙ্গিনী’র তকমা দিয়ে বসেন। সেই ছবি ভাইরাল হতে একেবারেই খুব বেশি সময় লাগেনি। পরে এই নিয়ে যখন চর্চা তুঙ্গে ওঠে, তখন সুস্মিতাও পাল্টা পোস্ট করেন। যেখানে ব্যাঙ্গ করে নিজেকে ডায়মন্ড ডিগারও বলেন। পরে অবশ্য নিজেকে সিঙ্গল বলেই ঘোষণা করেন প্রাক্তন বিশ্বসুন্দরী। এবার সুস্মিতার সঙ্গে তাঁর সম্পর্ক নিয়ে খোলাখুলি কথা বললেন ললিত মোদী। তিনি বলেন যে তাঁর জীবনে সুস্মিতার জায়গা ছিল বিশেষ।
এক সাক্ষাৎকারে কথা বলতে গিয়ে প্রাক্তন আইপিএল চেয়ারম্যান বলেন যে তাঁর মনে আজও সুস্মিতার জন্য ভালোবাসা ও সম্মান রয়েছে। তিনি বলেন, 'সুস্মিতা খুব বিশেষ ছিল আমার কাছে। আমাকে অনেক কিছু শিখিয়েছে এবং আজকে আমাকে যেমন দেখছেন, তার পিছনে সুস্মিতার বড় ভূমিকা রয়েছে।' ললিত মোদী বলেন, 'সেই সময় সুস্মিতা আমার জীবনের অংশ ছিল, শুধু আমাদের মধ্যে দুরত্ব চলে এসেছিল। আমার ও সুস্মিতার খুবই বিশেষ সম্পর্ক ছিল এবং এখন আমার কাছে সুস্মিতাকে নিয়ে ভাল স্মৃতি রয়েছে। এখন আমরা ভাল বন্ধু।'

সিঙ্গল মাদার হিসাবে ললিত মোদী সুস্মিতার ভূয়সী প্রশংসা করেন। তিনি জানান যে অভিনেত্রী তাঁর নিজের জীবন নিজেই সামলে নিয়েছেন। সিঙ্গল মাদার হিসাবে সুস্মিতা অসাধারণ। শিল্পপতি বলেন, আমি অবাক হয়ে শুধু দেখি সুস্মিতার এগিয়ে যাওয়া। আমি শুধু চাই ভাল থাকুক ও। প্রসঙ্গত, ২০২২ সালে যখন ললিত ও সুস্মিতার সম্পর্ক অফিসিয়াল হয়, তখন অনেকেই সুস্মিতাকে গোল্ড ডিগার বলে ট্রোলড করতে শুরু করে। যদিও সেই সময়ে সংবাদমাধ্যমের কাছে মুখ খোলেননি সুস্মিতা। মাঝে একবার বলেছিলেন, ‘‘এটা ভাল লাগে যে ‘গোল্ড ডিগার’ শব্দের যথার্থ ব্যবহার করা হয়েছে আমার উপর দিয়ে। তবে সুস্মিতাকে লোভী বলতে নারাজ ললিত। তিনি বলেন যে অভিনেত্রী আগে থেকেই আর্থিক দিক থেকে যথেষ্ট স্বচ্ছল ও সফল।

ললিত মোদী বলেন, এটা বুঝতে হবে যে সুস্মিতা খুবই সুন্দরী ও সফল মহিলা। আমি জানি না যে এটা আদৌও কেউ জানেন কি জানেন না যে সুস্মিতার কাছে যা দামি হিরে রয়েছে, তা অন্যদের কাছে আছে কিনা। এগুলো সব সুস্মিতা নিজে অর্জন করেছে। ওর কাছে অনেক হিরে রয়েছে। ললিতের কথায়, সুস্মিতা খুবই ধনী মহিলা, যেটাই করেছে নিজের দমে। তিনি বলেন, আমার সঙ্গে থাকার সময় এরকম একটা দিনও ছিল না যে, আমাকে খরচ করতে হয়েছে। সুস্মিতা সবটা করত নিজের দমে। আমার যাবতীয় খরচ ও-ই চালাত। আসলে আমার ভরণপোষণের দায়িত্ব নিয়ে নিয়েছিল সুস্মিতা।
ও এমন একজন মানুষ যে, কারও থেকে কিছু আশা করে না। বলেন ললিত। শোনা যায়, তাঁদের সম্পর্ক ভেঙেছে বেশ কয়েক বছর আগেই। দ্বিতীয় বিয়ে করেছেন ললিত, সুস্মিতা অবশ্য এখনও ‘সিঙ্গল’।