ঐন্দ্রিলার দিদির বিয়েছোটপর্দার পরিচিত মুখ ছিলেন ঐন্দ্রিলা শর্মা। ২০২২ সালের ২০ নভেম্বর টানা কুড়ি দিন ক্যান্সারের সঙ্গে লড়াইয়ের পর প্রয়াত হন অভিনেত্রী। তাঁর মৃত্যু মেনে নেওয়া ছিল খুব কঠিন, বিশেষ করে তাঁর পরিবারের পক্ষ থেকে। বহু ঝড় সামলে ছন্দে ফেরার চেষ্টা করেছে তাঁর কাছের মানুষেরা। দিদি ঐশ্বর্য শর্মা সোশ্যাল মিডিয়াতে খুবই পরিচিত মুখ। চিকিৎসকের পাশাপাশি তিনি কনটেন্ট ক্রিয়েটারও। ফেব্রুয়ারিতে বিয়ের পিঁড়িতে বসছেন ঐশ্বর্য।
সম্প্রতি নিজের প্রি-ওয়েডিং-এর ছবি শেযার করেছেন ঐশ্বর্য তাঁর সোশ্যাল মিডিয়া পেজে। যেখানে ঐন্দ্রিলার দিদিকে লাল টুকটুকে শাড়িতে দেখা গিয়েছে আর হবু বরকে নীল পাঞ্জাবিতে। ঐশ্বর্যের হবু বরের নাম দিব্যজিৎ দত্ত, পেশায় চিকিৎসক। ৩ ফেব্রুয়ারি এনগেজমেন্ট ঐশ্বর্যর। মাঙ্গলিক অনুষ্ঠান ২০২৬ সালের শেষে বা ২০২৭-এর শুরুতে হওয়ার সম্ভাবনা। একই হাসপাতালে কাজ করেন তাঁরা। আপাতত বিয়ের প্রস্তুতি চলছে জমিয়ে।
তবে এতকিছুর মধ্যেও ছোট মেয়ে ঐন্দ্রিলার অভাব বোধ করছেন মা শিখা শর্মা। এক সংবাদমাধ্যমকে তিনি জানিয়েছেন যে ঐন্দ্রিলার বিয়ে নিয়ে অনেক পরিকল্পনা, স্বপ্ন ছিল। এখন ঐশ্বর্যর বিয়ে দিয়েই সেই ইচ্ছে পূরণ করছি। দিদির বিয়ে নিয়েও খুব উৎসাহী ছিলেন ঐন্দ্রিলা। খুব কম বয়সেই সকলকে ছেড়ে চলে যান ঐন্দ্রিলা। তাঁর মৃত্যুতে টলিপাড়ায় শোকের ছায়া নেমে আসে।
ঐশ্বর্যাও পেশায় চিকিৎসক। এখন তিনি ‘ইএনটি’ নিয়ে ‘এমএস’ করছেন। হবু স্বামী তাঁর থেকে কয়েক বছরের সিনিয়র। ঐশ্বর্যা বললেন, “আমার থেকে দিব্যজিৎ চার-পাঁচ বছরের বড়। আমার সিনিয়র। আলাপ ছিল। তার পর ও দেখে, আমার ম্যাট্রিমনিয়াল সাইটে প্রোফাইল আছে। সেখান থেকেই বিয়ের কথাবার্তা শুরু। ফেব্রুয়ারিতে আমরা আইনি বিয়ে আর আংটিবদল সারব।”
বোনকে হারিয়ে মানসিকভাবে ভেঙে পড়েছিলেন দিদি ঐশ্বর্য। বাড়ির ছোট মেয়েকে হারিয়ে ভেঙে পড়েছিলেন তাঁর মা-বাবা। সেই পরিস্থিতিটা একা হাতে সামলেছিলেন তিনি। তাঁর মা শিখা শর্মাও ক্যান্সারের রোগী। ঐশ্বর্য চিকিৎসক ছাড়াও অভিনয়ের সঙ্গে যুক্ত। কিছু মিনি সিরিজে অভিনয় করেছেন তিনি। খুব শীঘ্রই আসবে তাঁর নতুন কাজ।