Asha Bhosle Passed Away: সঙ্গীত জগতে লক্ষত্রপতন, প্রয়াত আশা ভোঁসলে, বয়স হয়েছিল ৯২

৯২ বছর বয়সে প্রয়াত হলেন কিংবদন্তী গায়িকা আশা ভোঁসলে। বুকে সংক্রমণ নিয়ে মুম্বইয়ের ব্রিচ ক্যান্ডি হাসপাতালে ভর্তি হয়েছিলেন তিনি।

Advertisement
সঙ্গীত জগতে লক্ষত্রপতন, প্রয়াত আশা ভোঁসলে, বয়স হয়েছিল ৯২প্রয়াত আশা ভোঁসলে
হাইলাইটস
  • ৯২ বছর বয়সে প্রয়াত হলেন কিংবদন্তী গায়িকা আশা ভোঁসলে।

৯২ বছর বয়সে প্রয়াত হলেন কিংবদন্তী গায়িকা আশা ভোঁসলে। বুকে সংক্রমণ নিয়ে মুম্বইয়ের ব্রিচ ক্যান্ডি হাসপাতালে ভর্তি হয়েছিলেন তিনি। রবিবার হাসপাতালেই শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন গায়িকা। আশা ভোঁসলের প্রয়াত হওয়ার খবর নিশ্চিত করেছেন ডাঃ প্রতীত সমদানি। তিনি জানিয়েছেন, শরীরের একাধিক অঙ্গ বিকল হয়ে যাওয়ার কারণেই মৃত্যু হয়েছে গায়িকার। কিংবদন্তী গায়িকার মৃত্যুতে সঙ্গীত জগতে শোকের ছায়া। 

শনিবার সন্ধেতেই তিনি বুকে সংক্রমণ নিয়ে মুম্বইয়ের হাসপাতালে ভর্তি হন তিনি। হাসপাতালের চিকিৎসক প্রতীত সামদানি জানান, আশাজি তাঁর তত্ত্বাবধানে রয়েছেন। তবে এর চেয়ে বেশি বিস্তারিত তথ্য দিতে চাননি। আশা ভোঁসলের নাতনি জনাই ভোঁসলে তাঁর এক্স হ্যান্ডলে লেখেন, 'অতিরিক্ত ক্লান্তি এবং বুকে সংক্রমণের কারণে দিদাকে হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। আমি অনুরোধ করব, দয়া করে আমাদের ব্যক্তিগত পরিসরকে সম্মান করুন। ওঁর চিকিৎসা চলছে। আশা করছি সব ঠিক হয়ে যাবে। আমরা শীঘ্রই ইতিবাচক খবর আপনাদের জানাব'।

বলিউড বা বাংলা সিনেমায় নয়, তাঁর কন্ঠের জাদুতে মুগ্ধ ছিলেন আপামর ভারতবাসী। ১৯৩৩ সালের ৮ সেপ্টেম্বর মহারাষ্ট্রের সাঙ্গলির গোয়ারে জন্ম নেন আশা ভোঁসলে। পণ্ডিত দীনানাথ মঙ্গেশকর ছিলেন তাঁর বাবা। পণ্ডিত দীনানাথ ছিলেন একজন শাস্ত্রীয় সংগীতশিল্পী ও অভিনেতা, আশার বয়স যখন ৯, তখনই তিনি প্রয়াত হন। এরপর আশা লতা দুই বোন ও পরিবার মিলে মুম্বই চলে আসেন। যেখানে ভোঁসলে এবং তাঁর বড় বোন লতা মঙ্গেশকর গায়িকা হিসেবে সিনেমায় তাঁদের কর্মজীবন শুরু করেন।

দীর্ঘ কর্মজীবনে তিনি ভারতের বিভিন্ন ভাষায় অজস্র চলচ্চিত্র ও অ্যালবামের জন্য অসংখ্য গান রেকর্ড করেছেন এবং বহু পুরস্কার অর্জন করেছেন। তিনি দাদাসাহেব ফালকে পুরস্কারে সম্মানিত হয়েছেন, ২০০৮ সালে পেয়েছেন পদ্মভূষণ। এ ছাড়া, ১৯৯৭ সালে গ্র্যামির জন্য মনোনীত হয়েছিলেন তিনি। তাঁর জনপ্রিয় গানগুলির মধ্যে অন্যতম, ‘দিল তো পাগল হ্যায়, ‘এক পরদেশী মেরা দিল লে গয়া’, ‘তুমসে মিলকে’, ও মেরে সোনা রে, ও হাসিনা জুলফে ওয়ালি, জওয়ানি জানেমন ইত্যাদি। পেপি গানের জন্য জনপ্রিয় ছিলেন আশাজি। তাঁর গানের ছন্দে নেচে উঠতে বাধ্য হতেন শ্রোতারা।   

Advertisement

POST A COMMENT
Advertisement