কখন দেখবেন আপনার প্রিয় সিরিয়াল?রাহুল অরুণোদয় বন্দ্যোপাধ্যায়ের মৃত্যুর পর টেলিপাড়ায় একাধিক পরিবর্তন নজরে এসেছে। ভোলে বাবা পার করেগা সিরিয়ালের শ্যুটিং করতে গিয়ে তালসারিতে সমুদ্রের জলে ডুবে মৃত্যু হয় এই জনপ্রিয় অভিনেতার। এরপরই এই সিরিয়ালের প্রযোজনা সংস্থা 'ম্যাজিক মোমেন্ট'-র বিরুদ্ধে গাফিলতির অভিযোগ ওঠে। এমতাবস্থায় আর্টিস্ট ফোরামের পক্ষ থেকে এই প্রযোজনা সংস্থার বিরুদ্ধে একাধিক পদক্ষেপ নেওয়া সহ এই সংস্থাকে ব্যানও করা হয়েছে। যার ফলে স্টার জলসার কিছু সিরিয়াল বন্ধ হয়ে গিয়েছে। আর এই অবস্থাতে জি বাংলার গোটা স্লটে একাধিক বদল এল। দেখে নিন এখন থেকে কোন সিরিয়াল কখন দেখানো হবে।
রান্নাঘর
কনীনিকা বন্দ্যোপাধ্যায় সঞ্চালিত এই রান্নাঘর এখন থেকে বিকেল ৪টের সময় দেখানো হবে।
দিদি নম্বর ১
রচনা বন্দ্যোপাধ্যায়ের জনপ্রিয় শো দিদি নম্বর ১ দেখানো হবে বিকেল সাড়ে ৪টের সময়।
চিরদিনই তুমি যে আমার
জিতু কমল ও শিরিন পালের জনপ্রিয় সিরিয়াল দেখানো হবে বিকেল সাড়ে ৫টার সময়।
সাত পাকে বাঁধা
প্রতিদিন সন্ধে ৬টার সময় এই সিরিয়াল সম্প্রচার হবে।
কমলা নিবাস
জি বাংলার নতুন সিরিয়াল কমলা নিবাস দেখানোর সময় সন্ধে ৬.৩০-এ।
কুসুম
প্রতিদিন সন্ধে ৭টায় দেখা যাবে কুসুম।
তারে ধরি ধরি মনে করি
প্রতিদিন সন্ধে সাড়ে ৭টায় দেখানো হবে এই সিরিয়ালটি।
পরিণীতা
রাত ৮টার সময় পরিণীতা দেখতে পাবেন।
জোয়ার ভাঁটা
রাত ৮.৪৫ মিনিটে দেখা যাবে শ্রুতি-আরাত্রিকার জোয়ার ভাঁটা।
কনে দেখা আলো
এই সিরিয়াল আদৌও বন্ধ হবে নাকি চলবে তা নিয়ে ইতিমধ্যেই সংশয় দেখা দিলেও নতুন স্লট অনুযায়ী কনে দেখা আলো দেখা যাবে রাত সাড়ে ৯টার সময়।
আনন্দী
রাত ১০টা ১৫ মিনিটে দেখা যাবে আনন্দী।
আমাদের দাদামণি
রাত ১১টার সময় দাদামণি সিরিয়াল সম্প্রচার হবে।
আচমকাই এই প্রাইম টাইমের স্লট বদলে বড়সড় চমক দিল জি বাংলা। প্রসঙ্গত, গত মাসের শেষের দিকেও একাধিক সিরিয়ালের স্লট বদলে ফেলা হয়েছিল চ্যানেলের পক্ষ থেকে। এদিকে নতুন ধারাবাহিক আসছে ‘অন্নপূর্ণার লক্ষ্মীরা’। ইতিমধ্যেই প্রকাশ্যে এসেছে প্রোমো। এই ধারাবাহিকে মুখ্য ভূমিকায় দেখা যাবে স্বস্তিকা ঘোষকে। তাঁর সঙ্গে রয়েছেন অভিনেত্রী সোমা বন্দ্যোপাধ্যায়, যিনি ‘অন্ন মা’-র চরিত্রে অভিনয় করছেন। তিন মেয়েকে একা বড় করে তোলেন। বিপরীতে থাকছেন সৌম্যদীপ মুখোপাধ্যায়। তবে এই নতুন ধারাবাহিকটি কোন স্লটে জায়গা পাবে, তা নিয়েও কৌতূহল তুঙ্গে। সব মিলিয়ে, জি বাংলার এই সিদ্ধান্ত কি দীর্ঘমেয়াদে সুফল দেবে, নাকি দর্শকের অভ্যাসে ধাক্কা দিয়ে উল্টো প্রভাব ফেলবে, সেই উত্তর দেবে সময়ই। আপাতত স্পষ্ট, টিআরপি-র লড়াইয়ে এগিয়ে থাকতে চ্যানেল এবার বড় ঝুঁকি নিতেই পিছপা হয়নি।