Nana Patekar Net Worth: ছেলেবেলায় রাস্তায় জেব্রা ক্রসিং রং করতেন, সেই নানার কত কোটির সম্পদ?

ছোটবেলায় দারিদ্রতা দেখেছিলেন নানা। বাবার ব্যবস্থা বন্ধ হওয়ার পর রাস্তায় জেব্রা ক্রসিং রং করতেন। পরে তিনিই হয়ে ওঠেন বাড়ি, ফার্মহাউস, কোটি টাকার মালিক। তবে ছিলেন কৃষকদের মাসিহা।

Advertisement
ছেলেবেলায় রাস্তায় জেব্রা ক্রসিং রং করতেন, সেই নানার কত কোটির সম্পদ?নানা পাটেকরের কত সম্পত্তি?
হাইলাইটস
  • রাস্তায় জেব্রা ক্রসিং রং করতেন
  • পরে হন বাড়ি, ফার্মহাউস, কোটি টাকার মালিক
  • ছিলেন কৃষকদের মাসিহা

প্রবীণ বলিউড অভিনেতা নানা পাটেকর ৭৫ বছর বয়সে প্রয়াত। 'ক্রান্তিবীর' এবং 'তেরঙা'-র মতো সুপারহিট ছবিতে তাঁর অভিনয় চলচ্চিত্র জগতে এক সিগনেচার তৈরি করেছিল। গোয়ার ফ্ল্যাটে হৃদরোগে আক্রান্ত হয়ে শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন এই অভিনেতা। তিনি গোয়া ও মুম্বইয়ের বাড়ি, কৃষি জমি সহ কোটি টাকার সম্পত্তি রেখে গেলেন। 

১৯৫১ সালের ১ জানুয়ারি মুম্বইয়ে জন্মগ্রহণ করেন নানা পাটেকর। তাঁর বাবা দিনকর প্যাটেকর টেক্সটাইল পেইন্টিংয়ের ব্যবসার সঙ্গে যুক্ত ছিলেন। পারিবারিক ব্যবস্থা বন্ধ হয়ে যাওয়ার পর নানা পাটেকর নিজেই জেব্রা ক্রসিং এবং সিনেমার পোস্টার রং করা শুরু করেন। শৈশবে আর্থিক কষ্টের সম্মুখীন হওয়া সত্ত্বেও নানা হাল ছাড়েননি। নিজের কঠোর পরিশ্রম ও প্রতিভার মাধ্যমে বলিউডে পা রাখতে সক্ষম হন। স্বতন্ত্র পরিচয় তৈরি করেন। 'ক্রান্তিবীর', 'তেরঙা', 'অব তক ছপ্পন', 'গুলাম-এ মুস্তাফা'-র মতো সিনেমার মাধ্যমে তিনি বিপুল সংখ্যক অনুরাগী তৈরি করেন। 

প্রায় ৪ দশক ধরে বলিউডে সক্রিয় থাকা নানা পাটেকর তাঁর স্ত্রী নীলকান্তি পাটেকর এবং ছেলে মালহার পাটেকরের জন্য কোটি কোটি টাকার সম্পত্তি রেখে গিয়েছেন। নানা পাটেকরের মোট সম্পদ আনুমানিক ৮০ কোটি টাকা। 

সাদামাটা জীবনযাপন করা অভিনেতার গোয়ায় একটি ফ্ল্যাট ছাড়াও পুনে ল কলেজ রোডে একটি বাড়ি রয়েছে। এ ছাড়াও মুম্বইতে তাঁর একটি 1bhk ফ্ল্যাট রয়েছে। পুনের কাছে খাদকওয়াসলা জেলার একটি গ্রামে তাঁর একটি ফার্মহাউস আছে। অভিনেতা বেশিরভাগ সময় এই ২৭ একরের ফার্মহাউসে কাটাতেন। তিনি সেখানে গম ও ধানের চাষে সাহায্যও করতেন। তিনি চাষাবাদ থেকে পাওয়া আয় কৃষকদের মধ্যে ভাগ করে দিতেন। এমনই দিন গিয়েছে, নিজের গাড়ি কেনার দেড় কোটি টাকা চাষীদের মধ্যে বিতরণ করে দিয়েছেন।

নানা পাটেকর কৃষকদের জন্য বিপুল সাহায্যের হাত বাড়িয়ে দিয়েছিলেন। ২০১৫ সালে তিনি পুনেতে সদর দফতর সহ একটি রেজিস্টার্ড ফাউন্ডেশনের মাধ্যমে তিনি মহারাষ্ট্রে তীব্র  ক্ষরা, জলের অভাব, ঋণের জেরে আত্মঘাতী কৃষক পরিবারের পাশে দাঁড়াতেন। বহু গ্রামবাসীকে আর্থিক সাহায্য করতেন। দরিদ্র কৃষক পরিবারের মেয়েদের বিয়েতেও অর্থসাহায্য করতেন নানা পাটেকর।  

Advertisement

 

POST A COMMENT
Advertisement