scorecardresearch
 
 

Nusrat-Nikhil Relationship : ৭ দিন পর নুসরতের ৭ বিস্ফোরক জবাব

নিখিলের সঙ্গে তাঁর সম্পর্ক নিয়ে নিরবতা ভাঙলেন অভিনেত্রী-তৃণমূল সাংসদ নুসরত জাহান। তুরস্কে ব্যবসায়ী নিখিলের সঙ্গে বিয়ে করেছিলেন নুসরত। সেই প্রসঙ্গে অভিনেত্রী জানালেন, তুরস্কের আইন অনুযায়ী সেই বিয়ে অবৈধ।

নুসরত জাহান নুসরত জাহান
হাইলাইটস
  • নিখিলের সঙ্গে তাঁর সম্পর্ক নিয়ে নিরবতা ভাঙলেন অভিনেত্রী-তৃণমূল সাংসদ নুসরত জাহান
  • ৭ টি পয়েন্ট তুলে ধরে তাঁর ও নিখিলের সম্পর্ক নিয়ে নিজের অবস্থান স্পষ্ট করলেন অভিনেত্রী

নিখিলের সঙ্গে তাঁর সম্পর্ক নিয়ে নিরবতা ভাঙলেন অভিনেত্রী-তৃণমূল সাংসদ নুসরত জাহান। তুরস্কে ব্যবসায়ী নিখিলের সঙ্গে বিয়ে করেছিলেন নুসরত। সেই প্রসঙ্গে অভিনেত্রী জানালেন, তুরস্কের আইন অনুযায়ী সেই বিয়ে অবৈধ। প্রসঙ্গত, গত বছরের ডিসেম্বর মাস থেকে নুসরত-নিখিলের সম্পর্ক নিয়ে টানাপোড়েন চলছে। তাঁরা আর একসঙ্গে থাকেন না বলেও শোনা যায়। কয়েকদিন আগে আবার শোনা যায়, নুসরত গর্ভবতী। গত সাতদিন ধরে এই নিয়ে খবরের লাইম লাইটে রয়েছেন নুসরত। এরই মধ্যে সমস্ত জল্পনার অবসান ঘটালেন তিনি। ৭টি পয়েন্ট তুলে ধরে নিজের অবস্থান স্পষ্ট করলেন তিনি। নুসরত লিখেছেন- 

১) তুরস্কের আইন অনুসারে যে বিয়ে হয়েছিল তা অবৈধ। আর এটি  ভিন ধর্মের মধ্যে বিবাহ। ভারতীয় সোশ্যাল ম্যারেজ অ্যাক্ট অনুযায়ী, এই বিয়ে আইনি হওয়ার প্রয়োজন ছিল। কিন্তু, তা করা হয়নি। আইন মোতাবেক এটা বিয়ে নয়। একটা লিভ-ইন রিলেসনশিপ মাত্র। তাই ডিভোর্সের কোনও প্রশ্নই উঠছে না। ফলে সংবাদমাধ্যমে যে বিবাহ বিচ্ছেদের প্রসঙ্গ তোলা হচ্ছে, তা যুক্তিহীন। আইনের চোখে যেহেতু আমরা বিবাহিত নই, তাই বিবাহ-বিচ্ছেদের প্রশ্নও উঠছে না। 

২) ব্যবসায় জন্য বা অবসর যাপনের জন্য আমি কোথাও গেলে তা নিয়ে কারও মাথা ঘামানোর দরকার নেই। যার সাথে আমি থাকি না, তার তো নয়ই। আমি সবসময় নিজের খরচ নিজেই চালিয়েছি। নির্দিষ্ট একজনের খরচে কিছু করিনি। 

৩) আমি আমার বোনের লেখাপড়া ও পরিবারের খরচও নিজেই চালিয়েছি। প্রথম দিন থেকেই। কারও ক্রেডিট কার্ড নিজের কাছে রাখার বা ব্যবহারের প্রয়োজন পড়েনি। সেই সংক্রান্ত প্রমাণও আছে আমার কাছে। 

নুসরত ও নিখিল
নুসরত ও নিখিল

৪) বরং, আমাদের বিচ্ছেদের পরও আমার অ্যাকাউন্ট থেকে টাকা তোলা হয়েছে। এই নিয়ে আমি সংশ্লিষ্ট ব্যাঙ্কে অভিযোগ জানিয়েছি। খুব শিগগিরই থানাতেও এই নিয়ে অভিযোগ দায়ের করব। 

এর আগেও তাঁর অনুরোধে আমার ও আমার পরিবারের সদস্যদের ব্যাঙ্কের সমস্ত তথ্য তাঁকে দেওয়া হয়েছিল। তাঁর অনুরোধেই দেওয়া হয়েছিল। অথচ সে তার অপব্যবহার করে। ব্যাঙ্ক থেকে টাকা তুলে নেয়। আমাদের না জানিয়েই। আমি এনিয়ে ইতিমধ্যেই ব্যাঙ্কে জানিয়েছি। প্রয়োজনে প্রমাণও দেব। সেসব আছে আমার কাছে। 

৫)  আমার পোশাক, ব্যাগ এখনও ওঁর কাছে আছে। আমার আত্মীয়-পরিজনরা যে গয়না আমাকে দিয়েছিল, সেই সব এখনও ওঁর কাছেই রয়েছে। ও সেগুলো কব্জা করে রেখেছে। আমি যা উপার্জন করেছি, তারও একটা অংশ ও দখল করে রেখেছে। এটা নিয়ে আমি হতাশ। 

৬) আমি যা অর্জন করেছি, তা নিজের দক্ষতা ও পরিশ্রমের জেরে। আমি কোনওদিনই চাই না, কেউ আমাকে ব্যবহার করে নিজে লাইমলাইটে আসুক। কিন্তু, সেটাই হয়েছে। 

৭) আমি কোনওদিন ব্যক্তিগত জীবন নিয়ে মুখ খুলতে চাইনি। কিন্তু, বাধ্য হলাম। আমি মিডিয়ার কাছেও অনুরোধ করব, যে আমার সঙ্গে কোনওভাবেই যুক্ত নয়, তাঁকে যেন আমার সম্পর্কে প্রশ্ন করা না হয়। নিজেকে একজন সাধারণ মানুষ বলে প্রচার করে তিনি এখন হিরো হওয়ার চেষ্টা করছেন। আমার ভাবমূর্তিকে নষ্ট করার চেষ্টা করে যাচ্ছেন।