Tele Actress Attempts Suicide: কাজের অভাবে অবসাদ, আত্মহত্যার চেষ্টা টেলি অভিনেত্রীর

বিনোদন জগতে মানসিক অবসাদ বা ডিপ্রেশন থেকে মৃত্যুর ঘটনা নতুন নয়। সেই তালিকায় নতুন করে সংযোজন হয়েছে পরিচালক অনীক দত্তের নাম। সম্প্রতি অনীক দত্তের মৃত্যুতে উঠে এসেছে তাঁর মানসিক অবসাদে থাকার বিষয়টি। সেই রেশ কাটতে না কাটতেই ফের খারাপ খবর টেলিদুনিয়ায়।

Advertisement
কাজের অভাবে অবসাদ, আত্মহত্যার চেষ্টা টেলি অভিনেত্রীরআত্মহত্যার চেষ্টা এই টেলি অভিনেত্রীর
হাইলাইটস
  • বিনোদন জগতে মানসিক অবসাদ বা ডিপ্রেশন থেকে মৃত্যুর ঘটনা নতুন নয়।

বিনোদন জগতে মানসিক অবসাদ বা ডিপ্রেশন থেকে মৃত্যুর ঘটনা নতুন নয়। সেই তালিকায় নতুন করে সংযোজন হয়েছে পরিচালক অনীক দত্তের নাম। সম্প্রতি অনীক দত্তের মৃত্যুতে উঠে এসেছে তাঁর মানসিক অবসাদে থাকার বিষয়টি। সেই রেশ কাটতে না কাটতেই ফের খারাপ খবর টেলিদুনিয়ায়। কাজের অভাব এবং গভীর অবসাদের জেরে এবার ঘুমের ওষুধ খেয়ে আত্মহত্যার চেষ্টা করলেন পরিণীতা ধারাবাহিকের অভিনেত্রী মৌলি দত্ত। তবে ভয়ের কোনও কারণ নেই। কারণ সঠিক সময়ে তাঁর বন্ধুরা এসে অভিনেত্রীকে উদ্ধার করে। এখন বিপন্মুক্ত তিনি।

কেন এই চরম পদক্ষেপ নেওয়ার কথা এসেছিল অভিনেত্রীর মনে? এক সংবাদমাধ্যমকে মৌলি এ প্রসঙ্গে জানিয়েছেন যে তাঁর ওপরে রয়েছে ইএমআই-এর চাপ আর তারওপর কাজের অভাব। সব মিলিয়ে গভীর অবসাদে ছিলেন মৌলি। অভিনেত্রী জানিয়েছেন, তিনি দীর্ঘদিন ধরে কাজ না পাওয়ার কারণে তীব্র মানসিক অবসাদে ভুগছিলেন। বর্তমানে যে প্রজেক্টে তিনি কাজ করছেন, সেখানে তাঁর তেমন কোনো ডেট বা নিয়মিত ডাক থাকে না। অথচ কলকাতা শহরে টিকে থাকার বেসিক খরচ এবং ফ্ল্যাটের ইএমআই প্রতি মাসে তাঁকেই দিতে হয়। কাটোয়ায় থাকা পরিবারের সমস্ত দায়িত্বও ওঁর কাঁধেই। মৌলি আক্ষেপের সুরে জানান, তাঁর হাতে কাজ নেই। অথচ বর্তমান বাজারদর যা তাতে সংসার চালানো কঠিন হয়ে দাঁড়িয়েছে। 

ছবি সৌজন্যে: ইনস্টাগ্রাম

অভিনেত্রী বলেন যে তিনি একাধিক জায়গায় কাজের কথা বললেও সব জায়গা থেকেই তাঁকে পরোক্ষভাবে না শুনতে হয়েছে। কেউ কেউ আবার বলতেন যে ওঁর মতো কোনো চরিত্র নেই কিংবা ফ্যামিলি ক্যারেক্টারের জন্য উনি মানানসই নন! অথচ কেরিয়ারের শুরু থেকে মৌলি ফ্যামিলি ক্যারেক্টারই করে এসেছেন। তবে মৌলির একটি পোস্টকে ঘিরেও তৈরি হয় জল্পনা, যে হয়তো সম্পর্কে টানাপোড়েনের কারণেই তিনি এ ধরনের পদক্ষেপ নিয়েছিলেন। 

ছবি সৌজন্যে: ইনস্টাগ্রাম

গল্পকে উড়িয়ে দিয়ে মৌলি স্পষ্ট করে দিয়েছেন যে, এর পেছনে কোনো বয়ফ্রেন্ড বা প্রেমের বিষয় জড়িত ছিল না। তিনি নিজের মতো ভালো থাকতে, বন্ধুদের সঙ্গে ঘুরতে ভালোবাসতেন। কিন্তু কাজের অবসাদের মাঝেই সেদিন এক কাছের বন্ধুর সঙ্গে তাঁর একটু মনোমালিন্য হয়ে যায়। সবকিছু একসঙ্গে মাথার ওপর চেপে বসায় চরম অভিমান হয়েছিল মৌলির। তাঁর মনে হচ্ছিল, ওঁর কথা শোনার মতো বা ওঁর পাশে থাকার মতো বোধহয় কেউ নেই। এই চরম মানসিক একাকীত্ব থেকেই ডিপ্রেশনের চিকিৎসার জন্য ডাক্তারের দেওয়া এক পাতা ঘুমের ওষুধ একবারে খেয়ে নেন তিনি। পরবর্তীতে ওঁর বন্ধুবান্ধবরাই ফ্ল্যাটে এসে তাঁকে উদ্ধার করে হাসপাতালে নিয়ে যায় এবং পুলিশে খবর দেয়। বন্ডে সই করে বাড়ি ফিরেছেন। মৌলি জানান, আগের থেকে তিনি অনেকটাই সুস্থ, তবে শরীরে এখনও চরম দুর্বলতা রয়েছে। 

Advertisement

POST A COMMENT
Advertisement