
রুদ্রনীল ঘোষরাজনীতি এবং অভিনয়, দুটো দিকই নিজের দক্ষতায় সামলে চলেছেন রুদ্রনীল ঘোষ। ছাব্বিশের বিধানসভায় বিধায়ক হিসাবে জয়ী হয়ে দায়িত্ব বেড়েছে বই কমেনি। এবার অভিনেতা-বিধায়কের কাঁধে চাপানো হল গুরুত্বপূর্ণ সংসদীয় দায়িত্ব। রাজ্য সরকারের ‘ইনফরমেশন অ্যান্ড কালচারাল অ্যাফেয়ার্স, স্পোর্টস অ্যান্ড ইয়ুথ সার্ভিস’ স্ট্যান্ডিং কমিটির চেয়ারম্যান পদে নিযুক্ত হলেন রুদ্রনীল। ২০২৬-২৭ সালের জন্য গঠিত এই কমিটির চেয়ারম্যান হিসেবে তাঁর নাম উল্লেখ করে চিঠি পাঠিয়েছে বিধানসভা সচিবালয়।
তথ্য ও সংস্কৃতি থেকে শুরু করে ক্রীড়া এবং যুব পরিষেবা—একাধিক গুরুত্বপূর্ণ ক্ষেত্রের সঙ্গে যুক্ত বিধানসভার এই কমিটির নেতৃত্ব এবার রুদ্রনীলের হাতে। আর নতুন দায়িত্ব পাওয়ার পরই মঙ্গলবার গুরুত্বপূর্ণ বৈঠকেও যোগ দেন বিজেপি বিধায়ক। এদিন দুপুর ১২টায় বিধানসভার প্ল্যাটিনাম জুবিলি বিল্ডিংয়ের কনফারেন্স রুমে নবগঠিত সমস্ত কমিটির চেয়ারম্যান ও চেয়ারপার্সনদের সঙ্গে বৈঠক করেন বিধানসভার অধ্যক্ষ রথীন্দ্র বসু। অভিনয়ের পাশাপাশি রাজনীতিটাও যে তিনি মনপ্রাণ দিয়ে করেন, তা নতুন করে বলার অপেক্ষা রাখে না। বাংলা ইন্ডাস্ট্রির হিত সাধনেও যেমন রয়েছেন তেমনি নিজের বিধানসভা কেন্দ্রেও সমাভভাবে দায়িত্ব পালন করছেন রুদ্রনীল।

রাজনৈতিক ময়দানে পা রাখার পর থেকেই সংগঠন জোরদার করার পাশাপাশি জনকল্যাণমূলক কাজে সক্রিয় ভূমিকায় দেখা গেছে রুদ্রনীলকে। শিবপুর বিধানসভা কেন্দ্র থেকে বিজেপির প্রার্থী হয়ে লড়ার সময় থেকেই এলাকার নানাবিধ নাগরিক সমস্যার সমাধানে তিনি সোচ্চার হয়েছেন। পাশাপাশি, রূপা গঙ্গোপাধ্যায়, পাপিয়া অধিকারী, হিরণ চট্টোপাধ্যায়ের সঙ্গে কাঁধ মিলিয়ে টলিপাড়ার নানা সামাজিক ও পেশাগত সমস্যা এক ছাতার তলায় সমাধানের দায়িত্বও সামলাচ্ছেন তিনি। আর এবার স্ট্যান্ডিং কমিটির চেয়ারম্যান হিসাবে সংস্কৃতি জগতের উন্নয়নে রুদ্রনীল বড় ভূমিকা পালন করবেন বলেই মনে হচ্ছে।
রাজনীতির পাশাপাশি অভিনয়টাও সমানভাবে চালিয়ে যাচ্ছেন রুদ্রনীল। খুব শীঘ্রই তাঁকে দেখা যাবে সৃজিত মুখোপাধ্যায় পরিচালিত ‘মহারাজা তোমারে সেলাম’ ছবিতে। উল্লেখ্য, পরমব্রত চট্টোপাধ্যায় ও রাইমা সেনের সঙ্গে ‘আবার হাওয়া বদল’ ছবিতে দর্শক শেষবার বড় পর্দায় দেখেছিল তাঁকে। বিধায়কের দায়িত্ব, জনসেবা সঙ্গে রূপোলি পর্দায় অভিনয়, সবটা এবার সামলানোর গুরু ভার এসে পড়ল রুদ্রনীলের ওপর।