
গণেশ বিসর্জনে সলমন খানগণপতি আরাধনায় মেতে উঠেছে গোটা মুম্বইবাসী। সাধারণ মানুষ থেকে শুরু করে তারকারাও এই দশদিনের উৎসবে সামিল হন। বাপ্পাকে তাঁদের ঘরে অত্যন্ত উৎসাহের সঙ্গে স্বাগত জানান তাঁর ভক্তরা। প্রতি বছরের মতো এই বছরও সলমন খানের পরিবার গণপতি বাপ্পার পুজোয় মেতেছেন। আর এরই মাঝে সোশ্যাল মিডিয়ায় ঘুরছে সল্লু মিঞার একটি ভাইরাল ভিডিও। যেখানে সলমনকে দেখা গিয়েছে, গণপতির আরতির সময় তিনি ভুলদিকে ঘোরচ্ছেন, তবে তা সঙ্গে সঙ্গে শুধরে দেন সলমনের বোন অর্পিতা খান। এই যাত্রায় দাদাকে বাঁচিয়ে দিয়েছেন বোন।

প্রতি বছরই ভাই সোহেল খানের বাড়িতে গণেশ পুজোর আয়োজন করা হয়। যেখানে সামিল হন গোটা খান পরিবার। বিসর্জনের অনুষ্ঠান চলাকালীন সলমন খান গণেশজির আরতি করেন। তিনি একটি আরতির থালা হাতে নিয়ে পুজোর আচার-অনুষ্ঠান পালন করেন। সোশ্যাল মিডিয়ায় ভাইরাল হওয়া ভিডিওতে দেখা গিয়েছে, সলমন গণেশজির আরতি করার সময় ভুলদিকে থালা ঘোরাচ্ছেন। কাছেই দাঁড়িয়ে থাকা তাঁর বোন অর্পিতা খান শর্মা বিষয়টি লক্ষ্য করেন এবং সঙ্গে সঙ্গে হাত দিয়ে ইশারা করে থালাটি সঠিক দিকে ঘোরানোর জন্য ভাইকে বকা দেন। সলমন খান কোনো দ্বিধা ছাড়াই বোনের কথা মেনে নেন এবং সঙ্গে সঙ্গে আরতি করার পদ্ধতি পরিবর্তন করেন।
গণপতি বিসর্জনে উপস্থিত ছিলেন লুলিয়া ভান্টুর, আরবাব খানের ছেলে আরহান খান, তাঁরা সকলেই গণশে বিসর্জনে সাহায্য করেন। খুব সাধারণ পোশাকে ছিলেন সলমন খান। গণেশ পুজো বলে বাড়তি কোনও ছাপ ছিল না পোশাকে৷ তিনি একটি কালো টি-শার্ট, হাতাকাটা ধূসর জ্যাকেট এবং মাথায় কালো টুপি পরেছিলেন। তাঁর বোন, অর্পিতা খান, ফুলের নকশা করা একটি ঐতিহ্যবাহী সবুজ ও কালো এথনিক স্যুটে ছিলেন। বাপ্পাকে বিদায় জানাতে পরিবারের অন্যান্য সদস্য, ঘনিষ্ঠ বন্ধু এবং আত্মীয়-স্বজনরাও এই উদযাপনে উপস্থিত ছিলেন।

মঙ্গলবার সলমন খানের মেজাজ বেশ ভাল ছিল বলে পাপারাৎজ্জিদের ভিডিওতে ধরা পড়েছে। সোহেল খানের বাড়িতে গণপতি বাপ্পার পুজোর আয়োজন করা হয়েছিল। মঙ্গলবার ছিল গণপতি বিসর্জন, যেখানে সলমন, অর্পিতা, আলভিরা অগ্নিহোত্রী ও তাঁদের পরিবারকে দেখা যায়। গ্যালাক্সি অ্যাপার্টমেন্টস এবং খান পরিবারের গণেশ উৎসব দীর্ঘদিন ধরেই আলোচনার কেন্দ্রবিন্দুতে রয়েছে। সলমন খানের মা, সালমা খান, একটি মহারাষ্ট্রীয় হিন্দু পরিবারের মেয়ে৷ অন্যদিকে তাঁর বাবা, সেলিম খান, মুসলিম। এই কারণেই সলমন খান পরিবার বছরের পর বছর ধরে সব ধর্মের উৎসব সমান শ্রদ্ধা ও উৎসাহের সঙ্গে উদযাপন করে আসছে। সলমন প্রতি বছর গণেশোৎসবের সময় আরতি এবং বিসর্জন পূজায় সক্রিয়ভাবে অংশগ্রহণ করেন।