
সাহেব-সুস্মিতাপ্রেমের কাহিনী চলছিল অনেকদিন ধরেই। তবে তা প্রকাশ্যে আসতে একটু সময় নিল। আর পুজো মানেই তো রোম্যান্স-ভালোবাসা। টলিপাড়ার আলোচিত এই জুটি এবার একেবারে ধরা পড়ে গেছেন। না, আর কোনও রাখঢাক নেই। গোটা পুজোটাই একসঙ্গে কাটালেন সাহেব ভট্টাচার্য ও সুস্মিতা দে। যাঁদের প্রেমপর্ব ওপেন সিক্রেট ইন্ডাস্ট্রিতে। অষ্টমীতে একসঙ্গে অঞ্জলি দেওয়া ও নবমীর রাতে সাহেবের বাড়ির হাউস পার্টিতেও দেখা মিলল সুস্মিতার। তবে এই বছরের পুজোর সবচেয়ে বড় পাওনা হল সাহেবের বাবা সুব্রত ভট্টাচার্যের সঙ্গে প্যান্ডেল হপিং করেছেন সুস্মিতা। তাহলে কী চলতি বছরেই সাতপাকে বাঁধা পড়বেন এই জুটি?
অষ্টমীর সকালে লাল রঙের বেনারসী। সেই সঙ্গে খোলা চুল, গলায় ভারী গয়না, কপালে লাল টিপ। একেবারে বাঙালি সাবেকি সাজে ধরা দেন তিনি। অন্য দিকে সাহেবের পোশাকেও সাবেকিয়ানার ছোঁয়া। সাদা রঙের পাঞ্জাবির উপরে লাল রঙের সুতোয় কাজ। এই বছরের অষ্টমীর অঞ্জলি একসঙ্গেই দিলেন সাহেব-সুস্মিতা। জানা গিয়েছে, সাহেবের মা গিয়েছেন বেঙ্গালুরুতে, তাঁর বোনের বাড়িতে। আর বাবা সুব্রত রয়েছেন কলকাতায়। তাই বাবাকে ঠাকুর দেখিয়েছেন সাহেব, সঙ্গে ছিলেন সুস্মিতা। হবু শ্বশুরের সঙ্গে সেলফিও তুলেছেন সুস্মিতা। সব মিলিয়ে পরিবারের সকলের সঙ্গে সুস্মিতার আলাপ-পরিচয় পর্ব প্রায় শেষ। এর আগে সাহেবের মা ও বোনের সঙ্গেও দেখা গিয়েছিল অভিনেত্রীকে।

টলিপাড়ায় জল্পনা, অবিবাহিত অবস্থায় এটাই শেষ পুজো সাহেব ও সুস্মিতার। খুব শীঘ্রই নাকি বিয়ের সানাই বাজবে তাঁদের। যদিও এই বিষয়ে স্পিকটি নট চর্চিত জুটি। এখনই বিয়ের খবর সামনে আনতে চাইছেন না তাঁরা। তবে ইন্ডাস্ট্রির অন্দরের খবর, আর দেরি করতে চাইছেন না দুই পরিবারই। প্রসঙ্গত, কথা সিরিয়াল-এর মাধ্যমেই সাহেব ও সুস্মিতা একে-অপরের কাছাকাছি আসেন। সেই সম্পর্ক ভালোবাসায় পরিণত হতে খুব বেশি দেরি লাগেনি। যদিও নিজেদের সম্পর্ক নিয়ে কথা বলতে মোটেও রাজি নন তাঁরা। তবে তাঁদের একসঙ্গে সব জায়গাতেই দেখতে পাওয়া যায়।

এর আগে সুস্মিতার দীর্ঘদিনের সম্পর্ক ভাঙে। বাগদানও সারা হয়ে গিয়েছিল। কিন্তু তারপরই সেই সম্পর্কে চিড় ধরে। অপরদিকে, সাহেবও হারিয়েছেন তাঁর প্রেমিকা সোনিকা চৌহানকে। এক পথ দুর্ঘটনায় মৃত্যু হয় তাঁর। দীর্ঘদিন সিঙ্গল থাকার পর সুস্মিতা এসেছে তাঁর জীবনে। দুজনের মধ্যে বয়সের ফারাক অনেকটাই। সুস্মিতাকে তাই আগলে রাখেন সাহেব। এখন দেখার পালা কবে চারহাত এক হচ্ছে?