কাঞ্চন-শ্রীময়ীটলিপাড়ায় যাঁদের নিয়ে সবচেয়ে বেশি চর্চা হয়ে থাকে, তাঁরা হলেন কাঞ্চন মল্লিক ও শ্রীময়ী চট্টরাজ। তাঁদের সম্পর্ক থেকে তাঁদের বিয়ে, সবটাই নেট দুনিয়ায় চর্চার বিষয় হয়ে দাঁড়িয়েছে। শুধু তাই নয়, অনেক সময়ই এই তারকা দম্পতিকে বডি শেমিংয়ের মুখোমুখিও হতে হয়। যদিও এইসব ট্রোল-কটাক্ষ নিয়ে একেবারেই ভাবিত নন তাঁরা, যদিও এই নিয়ে সম্প্রতি এক পডকাস্টে সরব হতে দেখা গেল TMC বিধায়ক কাঞ্চন ও তাঁর স্ত্রী শ্রীময়ীকে।
এই তারকা দম্পতি যখনই তাঁদের ভালোবাসার মুহূর্তকে সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করেছেন, তখনই জুটেছে কটাক্ষ, খারাপ মন্তব্য। কিছু কিছু ট্রোলিং একেবারে নোংরা পর্যায়ে চলে গিয়েছে। এবার সেইসব মন্তব্য নিয়েই এক পডকাস্টে এসে মুখ খুললেন কাঞ্চন ও শ্রীময়ী। অভিনেত্রী স্পষ্ট করে জানিয়েছেন যে বেশিরভাগ সময়েই কাঞ্চনকে নিয়ে যারা কটাক্ষ করেন, তাদের অধিকাংশই মহিলা। শ্রীময়ী বলেন, 'ও কি পারল ৫০ বছরে, না পারল না (শারীরিক সম্পর্কের দিকে ইঙ্গিত)! কারণ ওরা রাত্রি বেলা কেউ ঘুমের ওষুধ খায়, কেউ নেশার ট্য়াবলেট নেয়, কেউ মদ খায় গলা অবধি। খেয়ে আমার ভিডিওগুলো জুম করে দেখে, কাঞ্চনের নিয়ন প্যান্ট জুম করে দেখে। দেখে মেসেজ করে।'
শ্রীময়ীর কথার রেশ ধরে কাঞ্চনও বলেন, 'আমি কমেন্ট বক্স অফ করে রেখে দিয়েছি। আমি একটা সুইমিং পুলে নামব, আমার বাবা-কাকারাও যখন পুকুরে স্নান করতেন, ধুতি-পাঞ্জাবি পরে স্নান করতে দেখেনি। আর শ্রীময়ী বলার পর দেখেছি, এসব যারা বলছে, তাঁরা বেশিরভাগই মহিলা। আমার পা-টা কেন সরু, আমাকে বলছে রোগা, টুথপিক, দেশলাই কাঠি। তার মানে তোরা আমাকে দেখছিস। কেন দেখছিস, শাহরুখ খানকে দেখ না গিয়ে।' প্রসঙ্গত, শ্রীময়ী ও কাঞ্চন বহুবার তাঁদের করা ট্রোল নিয়ে মুখ খুলেছেন। তাঁদের পাশাপাশি দম্পতির একরত্তি সন্তানকেও ট্রোল করতে ছাড়েনি নেটপাড়ার একাংশ।
কাঞ্চন ও শ্রীময়ীর বয়সের ব্যবধান প্রচুর হলেও তাঁদের ভালোবাসায় কোনও খামতি দেখা যায়নি। ২০২৪ সালের ফেব্রুয়ারিতে প্রথমে আইনি বিয়ে ও মার্চে সামাজিক মতে বিয়ে সারেন এই জুটি। যদিও তাঁদের সম্পর্কের বয়স অনেকটাই। ২০২৪ সালের নভেম্বরে তাঁদের কোলে এসেছে কৃষভি। তাঁকে ঘিরেই এখন সবকিছু। ২০২৪ সালেই কাঞ্চনের সঙ্গে তাঁর দ্বিতীয় স্ত্রী শ্রীময়ীর আইনি বিচ্ছেদ হয়। এর আগে তাঁদের সম্পর্ক নিয়ে বহু কাঁটাছেঁড়া হয়েছে। কাঞ্চনের ছেলে থাকে পিঙ্কির কাছে, ছেলের সঙ্গে বাবার কোনও যোগাযোগ নেই। আর এইসব নিয়েই মাঝে মধ্যেই ট্রোলের মুখে পড়তে হয় কাঞ্চন ও শ্রীময়ীকে।