চিনতে পারছেন এই অভিনেত্রীকে?নস্যি রঙের ব্লাউজ, সঙ্গে সোনালি রঙের শাড়ি। খোঁপা বাঁধা, হালকা মেকআপ ও কপালে বড় টিপ। আর পাশে বসে একেবারে নিপাট এক ভাল মানুষ। চলছে বিয়ের আইনি কাগজে সই-সাবুদ। কোনও ছবিতে আবার আইনি বিয়ের পর গলায় রজনীগন্ধার মালা পরে স্বামী-স্ত্রী ছবি তুলেছেন। ছিপছিপে গড়নের এই তরুণী বর্তমানে জনপ্রিয় অভিনেত্রী। সিরিয়াল-সিনেমা এবং ওয়েব সিরিজের মাধ্যমে তিনি দর্শকদের মন জয় করেছেন। এটা তাঁর আইনি বিয়ে এবং সামাজিক বিয়ের টুকরো ছবি, যা তিনি তাঁর বিবাহবার্ষিকীর দিন সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করেন।
এই তরুণীকে দেখে চিনতে একেবারে ভুল হবে না ইনি টলিউডের কোন অভিনেত্রী। মুখের গড়ন আর কপালে বড় টিপ দেখেই চিনতে পারবেন ইনি হলেন অভিনেত্রী অপরাজিতা আঢ্য। ইন্ডাস্ট্রিতে যিনি অপা নামে পরিচিত। দেখতে দেখতে ২৯টা বছর পার করে ফেললেন অপরাজিতা ও অতনু হাজরা। অতনুকে স্বামী হিসাবে পেয়ে তিনি যে কতটা গর্বিত, তা একাধিক সাক্ষাৎকারে বহুবার বলেছেন। বিবাহবার্ষিকী উপলক্ষ্যে নিজের বিয়ে ও রেজিস্ট্রি ম্যারেজের স্মৃতি সকলের সঙ্গে শেয়ার করে নিলেন অভিনেত্রী।
২৯তম বিবাহবার্ষিকীতে অপরাজিতার মুখে শুধুই স্বামী ও শ্বশুরবাড়ির প্রশংসা। কী লিখলেন অভিনেত্রী? সোশ্যাল মিডিয়ায় বিয়ের বেশ কিছু ছবি শেয়ার করে অপরাজিতা লেখেন, আমার জীবনের সবথেকে বড় পুরস্কার আমার বিয়ে। ছোটবেলা থেকেই নানান পরিস্থিতিতে আমাকে বহুবার বিচারের কাঠগড়ায় দাঁড় করানো হয়েছে কিন্তু শ্বশুর বাড়িতে কখনও সেটা হয়নি। আমার ভুলটুকু দেখেননি কেউ। ভুল করলেও বলা হয়েছে এর পেছনে নিশ্চয়ই কোনও ভালো কারণ আছে।’ অপরাজিতার কথায়, অভিনেত্রীর সমস্ত অসম্পূর্ণতাকে গ্রহণ করেছেন তাঁর শ্বশুরবাড়ির সকলে। এই নিঃস্বার্থ গ্রহণযোগ্যতাই তাঁর জীবনের সবথেকে বড় আশীর্বাদ। এই জীবন যুদ্ধে সব থেকে বড় সঙ্গী যিনি ছিলেন তিনি হলেন স্বামী অতনু। প্রতিটি মুহূর্তে স্ত্রীর সঙ্গ দিয়ে তিনি অপরাজিতাকে এগিয়ে যেতে সাহায্য করেছেন।
তবে শুধু শ্বশুরবাড়ির সকলের অবদান ছিল তা নয়, বিয়েকে সফলভাবে এগিয়ে নিয়ে যাওয়ার জন্য অপরাজিতার অবদানও কিছু কম ছিল না। গত বছরের বিবাহবার্ষিকীতে তিনি নিজের পোষ্টের মাধ্যমে তুলে ধরেছিলেন সেই কথাই। সংসারে এসে শুধুমাত্র দায়িত্ব নিজের কাজে তুলে নেওয়া নয়, প্রতিটি মানুষকে যত্নে আগলে রেখেছিলেন বলেই আজ সকলে মিলে এত মসৃণভাবে দাম্পত্য জীবনের ২৯ টি বছর পার করে ফেললেন অপরাজিতা।