স্বস্তিকা মুখোপাধ্যায়হই হুল্লোড় করতে বরাবরই ভীষণ ভালোবাসেন স্বস্তিকা মুখোপাধ্যায়। কোনও ফিল্মি পার্টিতে তাঁকে সেভাবে দেখা না গেলেও নিজের বন্ধু-বান্ধবদের সঙ্গে স্বস্তিকা মন-প্রাণ খুলে আড্ডা দিতে, মজা করতে ভালোবাসেন। আর তার জন্য তাঁকে লাক্সারি গাড়ি বা দেহরক্ষীদের নিয়ে সব সময় চলতে হবে সেটাতে বিশ্বাসী নয় অভিনেত্রী। তাই দিদি নম্বর ১-এর শ্যুটিং সেরেই চতুর্থীর দিন সরি করেই বেড়িয়ে পড়লেন। ঠাকুর দেখতে নাকি?
স্টারডম আকাশ ছোঁয়া হলেও মাটির কাছে থাকতেই বরাবর ভালোবাসেন স্বস্তিকা। জীবনকে নিজের মতো করে গুছিয়ে নিয়েছেন তিনি। নিজের শর্তেই বাঁচেন। বয়সকে লুকিয়ে নয়, বরং বয়স বেড়ে যাওয়াকে সেলিব্রেট করতেই বিশ্বাসী সকলের প্রিয় দিদি স্বস্তিকা। মাঝে মধ্য়েই কিছু অদ্ভুত কাণ্ড করে অভিনেত্রী সকলের মন জয় করে নেন। এবারেও ব্যতিক্রম হল না। দিদি নম্বর ১-এর শ্যুটিং সেরে লরি করে বেরিয়ে পড়লেন স্বস্তিকা। গন্তব্য? না, ঠাকুর দেখতে নয়, ঠাকুর আনতেই লরি করে রওনা হলেন অভিনেত্রী। সেখানে তারকাসুলভ আচরণ নয়, একেবারে সাধারণভাবেই লরিতে উঠে ঠাকুর আনতে গেলেন অভিনেত্রী।
এই মুহূর্তে তাঁকে একেবারে অন্য ভূমিকায় দেখা যাচ্ছে। দিদি নম্বর ১-এর সঞ্চালিকার ভূমিকায় রয়েছেন অভিনেত্রী। বহুবছর রচনা বন্দ্যোপাধ্যায়কে দিদি নাম্বার ওয়ান অনুষ্ঠানের সঞ্চালিকা হিসেবে মানুষ দেখেছেন, রচনা থেকে স্বস্তিকা, এই পরিবর্তনটা খুব একটা সহজ ছিল না সকলের কাছে তার থেকেও বেশি কঠিন ছিল স্বস্তিকার কাছে। তবে নিজের স্বভাব সিদ্ধ কারনে খুব সহজে সকলের মনে জায়গা করে নিয়েছেন তিনি। স্বস্তিকাকেও নতুন দিদি হিসাবে সকলে সাদরে গ্রহণও করে নিয়েছেন। সব মিলিয়ে এই বছরের পুজোটা স্বস্তিকার আরও ভাল কাটবে বলে মনে করা হচ্ছে।