কাঞ্চন-শ্রীময়ীটলিপাড়ার চর্চিত কাপলদের মধ্যে অন্যতম কাঞ্চন মল্লিক ও শ্রীময়ী চট্টরাজ। চর্চার শীর্ষে থাকেন এই তারকা দম্পতি। সদ্য দ্বিতীয় সন্তানের জন্ম দিয়েছেন শ্রীময়ী। দুই সন্তানকে নিয়ে খুব ব্যস্ত কাঞ্চন-শ্রীময়ী দুজনেই। আর তারই মাঝে দাদাগিরির মঞ্চে এসে বর কাঞ্চনের বদভ্যাস নিয়ে কথা বললেন শ্রীময়ী। তিনি জানান যে কাঞ্চনের এই অভ্যাসের কারণে রাতে ঘুমোতে পারছেন না স্ত্রী শ্রীময়ী। দেবের সামনেই কাঞ্চনের সেই বদভ্যাসের কথা ফাঁস করে ফেললেন স্ত্রী।
'দাদাগিরি'র মঞ্চে শ্রীময়ী বলেন যে কাঞ্চনের কানগুলো বেশ বড় এবং বুদ্ধি দারুণ। এরপরই আর এক প্রতিযোগী অম্বরীশ ভট্টাচার্য কাঞ্চনের সেই বদভ্যাস অর্থাৎ রাতে নাক ডাকার কথাটা হঠাৎ করেই শ্রীময়ীকে বলে বসেন। যার উত্তরে শ্রীময়ী বলেন, মারাত্মক, কী করব বল? অম্বরীশও জানান যে তিনি কাঞ্চনের সঙ্গে একরাত থেকেই বুঝেছিলেন যে কী বীভৎস নাক ডাকে কাঞ্চন। নাক ডাকার কথা রীতিমতো অস্বীকার করেন নাকি কাঞ্চন। কাঞ্চন শ্রীময়ীকে বলেন, শ্রীময়ী, মিথ্যে কথা বল না। আমি কিন্তু নাক ডাকি না, সব সময় দোষ চাপিয়ে দেবে না।
শ্রীময়ীর এই অভিযোগ শুনে কাঞ্চনকে বাঁচাতে আসেন সুদীপা চট্টোপাধ্যায়। তিনি শ্রীময়ীকে বলেন, নাকডাকা এরপর অভ্যাস হয়ে যাবে। পরে তুমি নাকডাকা ছাড়া ঘুমোতে পারবেন না। দেখবে কেমন ঘরটা ফাঁকা ফাঁকা লাগছে। তবে এই নাকডাকা থেকে বাঁচতে শ্রীময়ী এক নিয়ম তৈরি করে নিয়েছেন। কাঞ্চন-ঘরণী অম্বরীশকে বলেন, আমি কাঞ্চনকে বলেছি আমি ঘুমিয়ে পড়লে তুমি ঘুমোবে। কাঞ্চনকে ঘুমের জন্য বেশি পরিশ্রম করতে হয় না, এক-দুই-তিন বললেই কাঞ্চন ঘুমিয়ে পড়েন। শ্রীময়ী ও অম্বরীশের এই মারাত্মক অভিযোগ নিয়ে কাঞ্চন অবশ্য কিছু বলেননি।
টলিপাড়ার জনপ্রিয় তারকা দম্পতি কাঞ্চন ও শ্রীময়ীকে নিয়ে আলোচনা-সমালোচনা কম হয় না। তাঁদের প্রেম থেকে বিয়ে সবটা নিয়েই চর্চা চলে। ২০২৪ সালে কাঞ্চন তাঁর দ্বিতীয় স্ত্রী পিঙ্কি বন্দ্যোপাধ্যায়কে ডিভোর্স দিয়ে শ্রীময়ীকে বিয়ে করেন। ওই বছরই তাঁদের প্রথম সন্তান কৃষভির জন্ম হয়। আর মেয়ের জন্মের দেড় বছরের মাথায় কাঞ্চন-শ্রীময়ীর ঘরে আসে তাঁদের দ্বিতীয় সন্তান কৃষভ। তৃতীয় পক্ষের এক ছেলে আর শ্রীময়ীর সঙ্গে এক কন্যা সন্তান রয়েছে কাঞ্চনের। কৃষভের জন্মের পর তৃতীয়বার বাবা হলেন অভিনেতা। দুই সন্তানকে নিয়ে কাঞ্চন ও শ্রীময়ীর সুখের সংসার। শ্রীময়ী এখন কাজ থেকে কিছুটা দূরে রয়েছেন। তবে কাঞ্চন জমিয়ে অভিনয় করে চলেছেন।