Hoi Hoi Korbo Bole: পুজোয় ভাইরাল ‘হই হই করব বলে’, রাতারাতি স্টার হওয়ার পথ সহজ ছিল না রোহিতের

এক গানেই রাতারাতি স্টার হয়ে গিয়েছেন রোহিত। তবে জানেন কী গান নিয়ে প্রথাগত শিক্ষা নেই রোহিতের। কিন্তু তাও সঙ্গীত শিল্পী হওয়ার স্বপ্ন ছিল রোহিতের। এমনকী মোবাইলে নেট ভরার পয়সা ছিল না। মেট্রোর ওয়াই-ফাই থেকে গিটারের টিউটোরিয়াল ডাউনলোড করে গায়ক শিখেছিলেন গিটার।

Advertisement
পুজোয় ভাইরাল ‘হই হই করব বলে’, রাতারাতি স্টার হওয়ার পথ সহজ ছিল না রোহিতেরহই হই করব বলে ভাইরাল গানে স্টার রোহিত
হাইলাইটস
  • সোশ্যাল মিডিয়া জুড়ে এই একটি গানই রাজ করেছে তা হল—‘হই হই করব বলে’।

বাঙালির প্রাণের উৎসব দুর্গাপুজো। আর এই পুজো অসম্পূর্ণ পুজোর গান ছাড়া। এ বছরের পুজোতে ভাইরাল শুধু একটি গান। সোশ্যাল মিডিয়া জুড়ে এই একটি গানই রাজ করেছে তা হল—‘হই হই করব বলে’। ইনস্টাগ্রামের রিলস হোক কিংবা ফেসবুকের স্টোরি, যেখানেই চোখ পড়ছে, সেখানেই যেন এই সুর বেজে চলেছে। আম জনতা থেকে টলিউড তারকা, এমনকী বলিউড তারকাদের স্টোরি বা রিলসেও বাজছে এই ভাইরাল গান। কিন্তু এই তুমুল জনপ্রিয় গানটির স্রষ্টা কে? কীভাবে তৈরি হল এই ভাইরাল ট্র্যাক? সোশাল মিডিয়ায় যাঁকে সবাই জনপ্রিয় ইউটিউবার ‘infra_rs’ বা রোহিত নামে চেনেন। 

এক গানেই রাতারাতি স্টার হয়ে গিয়েছেন রোহিত। তবে জানেন কী গান নিয়ে প্রথাগত শিক্ষা নেই রোহিতের। কিন্তু তাও সঙ্গীত শিল্পী হওয়ার স্বপ্ন ছিল রোহিতের। এমনকী মোবাইলে নেট ভরার পয়সা ছিল না। মেট্রোর ওয়াই-ফাই থেকে গিটারের টিউটোরিয়াল ডাউনলোড করে গায়ক শিখেছিলেন গিটার। প্রথাগত গানের শিক্ষা না থাকলেও তাঁর গাওয়া গানকে গোটা বিশ্বের কাছে পৌঁছে দেওয়ার স্বপ্ন দেখেছিলেন তিনি। নিম্নমধ্যবিত্ত পরিবারের ছেলে Infra-র ‘দুগ্গা মা আসছে’ গান আজ বাঙালির মুখে মুখে।  

কলেজে পড়তে পড়তেই গান লেখা শুরু করেন রোহিত। বরাবর তাঁর অনুপ্রেরণা ছিলেন এড শিরান। রোহিতের খাতা ভর্তি গান লেখা থাকলেও, তা রিলিজ করার মতো টাকা ছিল না তাঁর। চাকরি পাওয়ার পর ২০২২ সালে তাঁর প্রথম গান মুক্তি পায়, এরপর আর পিছনে ফিরে তাকাতে হয়নি রোহিতকে। ২০২৫ সালেই মুক্তি পেয়েছিল রোহিত তথা ইনফ্রার হই হই করবে বলে গানটি। কিন্তু সেই বছর সেভাবে জনপ্রিয়তা না পেলেও, ২০২৬ সালের দুর্গাপুজোয় এই গান আট থেকে আশি সকলকে মাতিয়ে দিয়েছে। পুজোর আগে থেকেই রোহিতের এই গান রীতিমতো হট ফেভারিট। চেনা মুখ থেকে অচেনা ব্যক্তি, টলিউড থেকে বলিউড স্টার সকলেই এই গান দিয়ে রিলস তৈরি করছেন, বানাচ্ছেন পুজোর ভিডিও। 

Advertisement

এই গানটি ইতিমধ্যেই পেরিয়ে গিয়েছে ৫০ হাজারের গণ্ডি! অর্থাৎ, পঞ্চাশ হাজারবার মানুষ সক্রিয়ভাবে ভেবেছেন যে তাঁদের রিলসের ব্যাকগ্রাউন্ডে এই গানটিই বাজবে। সোশ্যাল মিডিয়ায় সফল হওয়ার পথটা যে মোটেই সহজ ছিল না, সে কথাও অকপটে স্বীকার করেছেন রোহিত। গত চার বছর ধরে নিয়মিত মিউজিক পাবলিশ করে চলেছেন তিনি। কিন্তু এই জার্নিটা যে বেশ কণ্টকাকীর্ণ ছিল, তা তাঁর কথাতেই স্পষ্ট। রোহিত জানান, গত বছর যখন এই গানটি নিয়ে কাজ শুরু হয়, তখন তাঁকে অজস্র অপমান ও ট্রোলের শিকার হতে হয়। এমনকি চলতি বছরেও এই গানের মেলডি বা সুর চুরি বা হাইজ্যাক করার প্রবণতা দেখা গিয়েছিল। তবে সব প্রতিবন্ধকতা পেরিয়ে এই গান এখন আট থেকে আশি সবার মুখে মুখে। 

সাড়া শহরজুড়ে প্যান্ডেলে, মেট্রোয়, মোবাইলে রোহিতের গান বাজছে। অথচ এই সাদামাটা ছেলেটিকে সেভাবে কেউ চেনেন না। এই বছর ম্যাডক্স স্কোয়ারে অবশ্য রোহিতের অনুষ্ঠান ছিল, যেখানে তাঁর ভাইরাল গানে মেতে উঠেছিল গোটা ম্যাডক্স। এখনও পর্যন্ত ফেসবুকে ৫ লক্ষেরও বেশি, ইনস্টাগ্রামে ৪ লাখ প্লাস, সব মিলিয়ে প্রায় তিন মিলিয়ন অতিক্রান্ত রিলস।  

POST A COMMENT
Advertisement