Mimi Chakraborty: 'একজন নারীই পিতৃতন্ত্রকে নাড়া দিয়েছিলেন', ভোটের আবহে কাকে 'স্যালুট' জানালেন মিমি?

২০২৪-এর লোকসভা নির্বাচনের সময়ই রাজনীতি থেকে দূরে সরে গিয়েছিলেন মিমি চক্রবর্তী। যার ফলে লোকসভা নির্বাচনে যাদবপুর কেন্দ্র থেকে দাঁড়ান সায়নী ঘোষ এবং জয়ীও হন। এরপর থেকে মিমিকে আর কোনও রাজনৈতিক অনুষ্ঠানে দেখা যায়নি। পুরোপুরি মনোযোগ দিয়েছিলেন নিজের অভিনয় পেশার দিকে।

Advertisement
'একজন নারীই পিতৃতন্ত্রকে নাড়া দিয়েছিলেন', ভোটের আবহে কাকে 'স্যালুট' জানালেন মিমি? মিমি চক্রবর্তী
হাইলাইটস
  • ২০২৪-এর লোকসভা নির্বাচনের সময়ই রাজনীতি থেকে দূরে সরে গিয়েছিলেন মিমি চক্রবর্তী।

২০২৪-এর লোকসভা নির্বাচনের সময়ই রাজনীতি থেকে দূরে সরে গিয়েছিলেন মিমি চক্রবর্তী। যার ফলে লোকসভা নির্বাচনে যাদবপুর কেন্দ্র থেকে দাঁড়ান সায়নী ঘোষ এবং জয়ীও হন। এরপর থেকে মিমিকে আর কোনও রাজনৈতিক অনুষ্ঠানে দেখা যায়নি। পুরোপুরি মনোযোগ দিয়েছিলেন নিজের অভিনয় পেশার দিকে। তবে ছাব্বিশের ভোটযুদ্ধে মিমি বুঝিয়ে দিলেন রাজনীতি থেকে বিদায় নিলেও তাঁর পূর্ণ সমর্থন রয়েছে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের সঙ্গে। 

প্রথম দফা নির্বাচনের পর সকলেরই নজর ছিল দ্বিতীয় দফার ভোটের দিকে। এবারের বিধানসভা নির্বাচনের আগে অনেক কিছু ঘটনা ঘটে গিয়েছে এ রাজ্যে। তৃণমূলের পাশাপাশি কোমর বেঁধে নেমে পড়েছে ভারতীয় জনতা পার্টি। একুশে পদ্ম ফোটাতে ব্যর্থ হলেও এবার আদা জল খেয়ে নেমে পড়েছে বিজেপি। আর এইরকম পরিস্থিতিতে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে বাঘিনী বলেন সম্বোধন করলেন মিমি। আর মনে করিয়ে দিলেন,  সমূহ পিতৃতন্ত্রের বিরুদ্ধে এক নারীর একক লড়াইযাপনের কথা।

ছবি সৌজন্যে: ইনস্টাগ্রাম

মঙ্গলবার থেকেই গোটা রাজ্যে ভোট উৎসবের প্রস্তুতি শুরু হয়ে গিয়েছিল। শেষ দফা নির্বাচনের আগে সোশ্যাল মিডিয়ায় ভাইরাল হয় মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের কুরুচিকর একটি ছবি। যা নিয়ে নিন্দায় সরব হয়েছেল দলমত নির্বিশেষে সকলেই। বাদ নেই তারকারাও। এক মহিলার এমন আপত্তিকর ছবি দেখে গর্জে উঠেছেন টলিপাড়ার অনেকেই। আর এরকম আবহে মিমি পোস্ট করলেন তাঁর নিজের মতামত। নায়িকা তাঁর এক্স হ্যান্ডেলে লিখলেন, ‘সব প্রতিকূলতার বিরুদ্ধে একজন নারীই পিতৃতন্ত্রকে নাড়া দিয়েছিলেন। আরেক নারী হিসেবে তাঁর এই সাহসিকতাকে স্যালুট করুন। এটা কোনও রাজনীতি নয়। এক বাঘিনীর লড়াই…।’ মিমি কারোর নাম না করলেও, এটা বুঝতে একেবারেই অসুবিধা হচ্ছে না যে তিনি কাকে বাঘিনী বলে সম্বোধন করেছেন। 

২০১৯ সালে লোকসভা ভোটে তৃণমূলের টিকিটে জিতে যাদবপুরের সাংসদ হিসাবে নির্বাচিত হয়েছিলেন মিমি। রাজনৈতিক ময়দানে তাঁর পা রাখা এভাবেই। কিন্তু মেয়াদ শেষ হতেই মিমিও ভোল বদলে নিলেন। ২০২৪ সালে তিনি মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে চিঠি লিখে সাংসদ পদ থেকে ইস্তফা দেন এবং এর পাশাপাশি রাজনীতি থেকে নিজেকে সরিয়ে নেন। তবে ছাব্বিশের বিধানসভা ভোটে যে তিনি ‘প্রিয় দিদি’র পাশেই রয়েছেন, তা স্পষ্ট বুঝিয়ে দিয়েছেন যাদবপুরের প্রাক্তন তারকা সাংসদ। 

Advertisement

POST A COMMENT
Advertisement