
মিমি চক্রবর্তী (ছবি: ফেসবুক)টলিপাড়ার অন্যতম পরিচিত মুখ মিমি চক্রবর্তী। বড় পর্দায় দারুণ জনপ্রিয় হওয়ার পরে ওটিটি প্ল্যাটফর্মেও কাজ করে দর্শকের মন জয় করেছেন। একথা প্রায় সকলেরই জানা, মিমির কেরিয়ার শুরু বাংলা টেলিভিশনের মাধ্যমে। 'গানের ওপারে'-র পুপেকে মেগা সিরিয়ালের দর্শক আজও ভোলেননি। এবার ফের ছোট পর্দায় দেখা যাবে নায়িকাকে।
ভাবছেন, এবার কি নতুন কোনও ধারাবাহিকের মুখ নাকি তাঁকে সঞ্চালিকার ভূমিকায় দেখা যাবে? এই দুটোর কোনওটিই না। আসলে মিমিকে দেখা যাবে একটি নন- ফিকশন শোতে। সান বাংলার 'লাখ টাকার লক্ষ্মীলাভ'-এ অতিথি হয়ে হাজির থাকবেন অভিনেত্রী। ২০২৪ সালে মহিলাদের জন্য শুরু হয়েছিল এই গেম শো। সঞ্চালনার দায়িত্বভার পালন করছেন সুদীপ্তা চক্রবর্তী। লক্ষ লক্ষ টাকা আয়ের সুযোগ পাচ্ছেন সমাজের বিভিন্ন স্তরের মহিলারা।
এই শো-এর জনপ্রিয়তা এখন বাংলার ঘরে ঘরে। জনপ্রিয়তার কথা মাথায় রেখেই নব রূপে, নব সাজে,আরও বড়ভাবে এখন দেখা যাচ্ছে 'লাখ টাকার লক্ষ্মীলাভ'। তবে ১ ফেব্রুয়ারি থেকে এই শো সন্ধ্যে ৬টার বদলে ৭টা থেকে দেখা যাবে। সিজন ২-র জানুয়ারি ফিনালের পর্বে উপস্থিত থাকবেন মিমি। নিজের জনপ্রিয় গান 'দুষ্টু কোকিল ডাকে রে'-র সঙ্গে নেচে সবাইকে মাতিয়ে দেবেন মিমি।
নায়িকা জানান, "আমি শো-টা মাঝে মাঝেই দেখি। আমার মা এই শো-এর নিয়মিত দর্শক। অনেকদিন থেকেই এই শো-য়ে আসার কথা হচ্ছে, কিন্তু সময়ের অভাবে হয়ে উঠছিল না। মা খালি বলতেন কবে আমি যাব? অবশেষে আসা হল। শো-এর লক্ষ্মীদের দেখে আমি সত্যি অনুপ্রাণিত হচ্ছি। বিনোদনের সঙ্গে একটা সামাজিক দায়বদ্ধতা পালন করছে এই শো। সমস্ত বাংলার মানুষ এখন এই শো-টা দেখে, এত মানুষের কাছে পৌঁছে গেছে দেখে খুবই ভাল লাগছে।"

বাংলার সব মহিলারাই এই খেলায় অংশগ্রহণ করতে পারেন অডিশনের মাধ্যমে। 'লাখ টাকার লক্ষ্মীলাভ' এখন মোট পাঁচ রাউন্ডে খেলা হয়। প্রতি রাউন্ডেই খেলার শেষে প্রতিযোগীদের জন্য থাকে নগদ টাকার পুরস্কার। একেবারে ফাইনাল রাউন্ডে বিজয়িনীর জন্য থাকে এক লক্ষ টাকার নগদ পুরস্কার। প্রতি পর্বে তিনজনের বদলে চারজন করে প্রতিযোগী থাকবেন। কাউকেই খালি হাতে ফিরতে হয় না। নতুন এই ফরম্যাটে যুক্ত হয়েছে নতুন একটি খেলা। 'টাকার খনি', 'বল ফেলতে টাকা কুলো'-র সঙ্গে এখন খেলা হয় 'টাকার গদি'।
মাঝে মধ্যে এই শো-তে খেলতে আসেন তারকারা। গল্প,আড্ডা, নাচে-গানে পর্ব জমে ওঠে। তারকারা অবশ্য সব টাকা নিয়ে যান না। তাঁদের টাকা নিয়েই তৈরি হয়েছে 'লক্ষ্মী ব্যাঙ্ক'। এবারে 'লক্ষ্মী ব্যাঙ্ক'-র টাকা থেকে কয়েকজন লড়াকু মহিলাদের প্রত্যেকের হাতে তুলে দেওয়া হবে টাকা, যাতে তাঁরা তাঁদের স্বপ্ন পূরণের দিশা খুঁজে পান। মানুষের বিপুল চাহিদার জন্য এই শো এখন টানা দেড় ঘণ্টার।