scorecardresearch
 

'নবাব কিনলে আরাম ফ্রি নয়!' অদ্ভূত অভিজ্ঞতা রাহুলের

স্বামী-স্ত্রী হোন, বা ভাই-বোন, অনেকেই চেষ্টা করেন দু' জন সেলিব্রিটি হলে যে কোনও একজনের সঙ্গে পরিচয় করে অন্য জনের সাক্ষাৎকার বা অন্য কোনও কাজে ব্যবহার করতে। বলা যায় এটা বহু মানুষের এক প্রকার রক্তমজ্জায় ঢুকে গিয়েছে। তেমনই এক অভিজ্ঞতার সম্মুখীন হলেন অভিনেতা রাহুল বন্দ্যোপাধ্যায় (Rahul Arunodoy Banerjee).

রাহুল বন্দ্যোপাধ্যায় রাহুল বন্দ্যোপাধ্যায়
হাইলাইটস
  • কালকে ছেলেটি ফোন করে আমায় বলে "দাদা, প্রিয়াঙ্কাদিকে পাওয়া যাবে? তাহলে একটা শাড়ী shoot করতাম"
  • আমি কিছু ক্ষন হতবাক হয়ে যাই, আমার আর প্রিয়াঙ্কার ছাড়াছাড়ি হয়েছে আধ দশক হয়ে গেছে

স্বামী-স্ত্রী হোন, বা ভাই-বোন, অনেকেই চেষ্টা করেন দু' জন সেলিব্রিটি হলে যে কোনও একজনের সঙ্গে পরিচয় করে অন্য জনের সাক্ষাৎকার বা অন্য কোনও কাজে ব্যবহার করতে। বলা যায় এটা বহু মানুষের এক প্রকার রক্তমজ্জায় ঢুকে গিয়েছে। তেমনই এক অভিজ্ঞতার সম্মুখীন হলেন অভিনেতা রাহুল বন্দ্যোপাধ্যায় (Rahul Arunodoy Banerjee)। সোশাল মিডিয়ায় আলাপ হওয়া জনৈক ফটোগ্রাফার রাহুলের সঙ্গে পরিচয় করে তাঁর বিবাহ বিচ্ছিন্না স্ত্রী প্রিয়াঙ্কা সরকারের (Priyanka Sarkar) সঙ্গে ফটোশুটের আবদার জানান। যা নিয়ে রীতিমতো বিরক্ত রাহুল। সোশাল মিডিয়ায় একটি দীর্ঘ পোস্ট করে তাঁর অভিজ্ঞতা শেয়ার করেন রাহুল।

তিনি লেখেন, 'অতি সম্প্রতি Raajhorshee De র ছবির জন্য পোস্টার শুট করতে গিয়ে একজন ফটোগ্রাফার এর সাথে আলাপ হয়,যার নাম শান্তনু কর্মকার ... যে fb তে আছে Er Santanu নামে, সে ফটোশুট এর জন্য উৎসাহ দেখায়, আমি ফটোশুট একেবারেই পছন্দ করি না, নেহাত কাজের জন্য যতটুকু লাগে,ততটুকুই... কিন্তু আজকাল insta করছি বলে রাজি হই। ভাবি ছেলেটির উপকার হবে, আমারও কিছু ছবি তোলা হবে। কালকে ছেলেটি ফোন করে আমায় বলে "দাদা, প্রিয়াঙ্কাদিকে পাওয়া যাবে? তাহলে একটা শাড়ী shoot করতাম"... আমি কিছু ক্ষন হতবাক হয়ে যাই, আমার আর প্রিয়াঙ্কার ছাড়াছাড়ি হয়েছে আধ দশক হয়ে গেছে, যা মিডিয়ার কল্যাণে সবাই জানে। আর যদি একসাথে থাকিও তাহলেও নবাব কিনলে আরাম free নয়। প্রত্যেকে নিজের যোগ্যতায় জায়গা করেছে। স্বাভাবিকভাবেই এরকম একটি imbecile এর সাথে কাজ করা সম্ভব ন। কিন্তু তাই বলে photoshoot করব না তা নয়... কোনও ফটোগ্রাফার যদি আমার সাথে (এবং শুধু আমার সাথে) কাজ করতে আগ্রহী হন জানাবেন...'

 

রাহুলের এই কড়া বার্তার সমর্থনে করেছেন সুজয় প্রসাদ চট্টোপাধ্যায় থেকে শুরু করে শ্রীজাত বন্দ্যোপাধ্যায় সহ অনেকেই। শ্রীজাত লিখেছেন, “দুটো মানুষ আলাদাই, সে তারা একসঙ্গে থাকুক আর না থাকুক। এই স্বাতন্ত্র্যের বোধ আমাদের কবে হবে কে জানে”। অন্যদিকে রাহুলের কাছের বন্ধুর ঋত্বিক চক্রবর্তী আবার সুকুমার রায়ের গোঁফচুরি কবিতার দুই লাইন তুলে ধরে বলেছেন, “স্যার তো কবেই বলেছেন,কাউকে বেশি লাই দিতে নেই সবাই চড়ে মাথায়”। যদিও সেই ছবিওয়ালা এখনও পর্যন্ত এ নিয়ে কোনও মন্তব্য করেননি।

বিবাহিত সম্পর্কে বেশ কিছু সমস্যার জন্য রাহুল-প্রিয়াঙ্কা আলাদা থাকেন বহুদিন। তাঁদের এক সন্তান সহজ মূলত মায়ের সঙ্গে থাকলেও বাবার সঙ্গেও তার বেশ সখ্য। ছুটির দিনে একসঙ্গে অবসার যাপন থেকে আবদার– চলে প্রতিমুহূর্তে। নিজের সম্পর্কের টানাপড়েন সন্তানের মধ্যে কোনও প্রভাব ফেলুক তা প্রথম থেকেই চাননি ওই জুটি। বর্তমানে বেশ কিছু ছবির কাজে ব্যস্ত প্রিয়াঙ্কা। অন্যদিকে রাহুলের হাতে ছবির কাজ ছাড়াও রয়েছে মেগার কাজ। ধারাবাহিক দেশের মাটিতে এক গুরত্বপূর্ণ চরিত্র অভিনয় করছেন রাহুল। চরিত্রের নাম রাজা। তবে কর্মক্ষেত্রে এ হেন অভিজ্ঞতার সম্মুখীন হয়ে তিনি যে বেশ হতাশ তা বলে দিচ্ছে তাঁর ফেসবুক পোস্ট।