Mimi Chakraborty Case Update: বনগাঁয় মিমিকে হেনস্থার অভিযোগ, গ্রেফতার সেই জ্যোতিষী তনয় শাস্ত্রী

অভিনেত্রী তথা তৃণমূলের প্রাক্তন সাংসদ মিমি চক্রবর্তীকে মঞ্চে অনুষ্ঠান চলাকালীন হেনস্থার অভিযোগে গ্রেফতার করা হল আয়োজক তনয় শাস্ত্রীকে। বৃহস্পতিবার তনয়কে গ্রেফতার করে বনগাঁ থানার পুলিশ। প্রসঙ্গত, গত ২৫ জানুয়ারি বনগাঁ পৌরসভার নয়াগোপালগঞ্জ যুবক সংঘের সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানে মিমি চক্রবর্তীকে হেনস্থা ও অপমানের অভিযোগ উঠেছিল। অভিনেত্রী মিমি চক্রবর্তী শ্রী তনয় শাস্ত্রীর নামে বনগাঁ থানায় অভিযোগ জানিয়েছিলেন । সেই অভিযোগের ভিত্তিতে তনয় শাস্ত্রীকে গ্রেফতার করা হয়েছে।

Advertisement
বনগাঁয় মিমিকে হেনস্থার অভিযোগ, গ্রেফতার সেই জ্যোতিষী তনয় শাস্ত্রীঅভিযোগের ভিত্তিতে তনয় শাস্ত্রীকে গ্রেফতার করা হয়েছে

অভিনেত্রী তথা তৃণমূলের প্রাক্তন সাংসদ মিমি চক্রবর্তীকে মঞ্চে অনুষ্ঠান চলাকালীন হেনস্থার অভিযোগে গ্রেফতার করা হল আয়োজক তনয় শাস্ত্রীকে। বৃহস্পতিবার তনয়কে গ্রেফতার করে বনগাঁ থানার পুলিশ। প্রসঙ্গত, গত ২৫ জানুয়ারি বনগাঁ পৌরসভার নয়াগোপালগঞ্জ যুবক সংঘের সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানে মিমি চক্রবর্তীকে হেনস্থা ও অপমানের অভিযোগ উঠেছিল। অভিনেত্রী মিমি চক্রবর্তী শ্রী তনয় শাস্ত্রীর নামে বনগাঁ থানায় অভিযোগ জানিয়েছিলেন । সেই অভিযোগের ভিত্তিতে  তনয় শাস্ত্রীকে গ্রেফতার করা হয়েছে।

অভিযোগ, তনয় শাস্ত্রীর হাতে স্টেজের উপর হেনস্থার শিকার হয়েছিলেন মিমি চক্রবর্তী।  তনয় শাস্ত্রীই মিমিকে মঞ্চ থেকে নামতে বলেছিলেন। এমনকী, পরে বিষয়টি নিয়ে মিমি সরব হলে, মিমিক হুঁশিয়ারি দিয়েছিলেন। বৃহস্পতিবার মিমির করা অভিযোগের ভিত্তিতেই বনগাঁ থানার পুলিশ গ্রেফতার করে  তনয় শাস্ত্রীকে।

ঘটনার সূত্রপাত গত রবিবার। বনগাঁর নয়াগোপালগঞ্জ যুবক সংঘের পরিচালনায় বাৎসরিক অনুষ্ঠান ছিল। সেখানে অনুষ্ঠানের আমন্ত্রণ পেয়েছিলেন অভিনেত্রী মিমি চক্রবর্তী। রাত সাড়ে ১০টা নাগাদ মিমির অনুষ্ঠানের সময় ছিল। ক্লাব সদস্যদের অভিযোগ, মিমি একঘণ্টা দেরিতে সেখানে পৌঁছন। মঞ্চে উঠতে উঠতে তাঁর পৌনে ১২টা বেজে যায়। রাত ১২টা পর্যন্ত অনুষ্ঠানের অনুমতি ছিল। সেই কারণে তাঁকে মঞ্চ থেকে নামিয়ে দেওয়া হয় বলে অভিযোগ। এদিকে বনগাঁ থানায় অভিযোগ দায়ের করে মিমি চক্রবর্তী জানিয়েছিলেন, অনুষ্ঠানের মাঝেই ক্লাবের অন্যতম কর্মকর্তা তনয় শাস্ত্রী মঞ্চে উঠে পড়েন। মিমির গানের বাধা দিয়ে তাঁকে নামিয়ে দেওয়া হয়। এই ঘটনায় নিজেকে অপমানিত ও হেনস্থার শিকার হয়েছেন বলে অভিযোগ করেন অভিনেত্রী। 

মিমি অভিযোগ করেন, 'আমি অনুষ্ঠান করছি। হঠাৎ তনয় শাস্ত্রী মঞ্চে উঠে এসে আমাকে থামিয়ে দেন। নেমে যেতে বলেন। আমি কথা না বাড়িয়ে পুরো অনুষ্ঠান না করেই নেমে যাই। ওঁর আচরণ খুব উদ্ধত ছিল।' এর পরেই তিনি ই-মেল মারফত স্থানীয় থানায় অভিযোগ দায়ের করেন। প্রাক্তন সাংসদের আরও অভিযোগ, বাকি শিল্পীদের মতো তিনি তনয়ের বাড়িতে অতিথি হয়ে যেতে রাজি হননি বলেই নাকি তাঁর সঙ্গে এই ‘অন্যায়’ আচরণ। এই নিয়ে সোমবার থেকে চাপানউতর পরিস্থিতি। যদিও ক্লাব কর্মকর্তা রাহুল বসু শোভন দাস এই বিষয়ে বলেন, 'মিমি চক্রবর্তীকে কোনও অসম্মান করা হয়নি৷ তিনি একঘণ্টা দেরি করে রাত সাড়ে ১১টার পর মঞ্চে ওঠেন৷ প্রশাসনের দেওয়া সময় এবং মাধ্যমিক পরীক্ষার্থী, উচ্চমাধ্যমিক পরীক্ষার্থীদের কথা ভেবে আমরা ঠিক ১২টায় অনুষ্ঠান বন্ধ করি। ওঁর অনুষ্ঠান চলাকালীন অনুষ্ঠান বন্ধের ঘোষণা ওঁর অসম্মানিত মনে হতে পারে, কিন্তু আমরা ওঁকে সসম্মানেই বিদায় দিয়েছি।'

Advertisement

মিমি চক্রবর্তীর  অভিযোগের ভিত্তিতে তদন্ত শুরু করার  তিনদিন পর, বৃহস্পতিবার দুপুরে তনয় শাস্ত্রীর বাড়ি থেকেই তাঁকে আটক করে বনগাঁ থানায় নিয়ে যায় পুলিশ। পরে গ্রেফতার করা হয়। তবে পুলিশ তাঁকে গ্রেফতার করতে গিয়ে যথেষ্ট বাধার মুখে পড়ে। তনয়কে পুলিশ আটক করে নিয়ে যাওয়ার সময়েই থানায় হাজির হন তাঁর অনুগামীরা। থানায় চত্বরেই প্রবল উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়ে।

POST A COMMENT
Advertisement