Osman Hadi Murder Case: বনগাঁয় লুকিয়ে ছিল হাদি খুনের ২ অভিযুক্ত, কীভাবে ভারতে এল? বড় খবর

Osman Hadi murder case: বাংলাদেশে ওসমান হাদি খুনের জড়িত সন্দেহে দুই বাংলাদেশি নাগরিককে গ্রেফতার করল রাজ্য এসটিএফ। উত্তর ২৪ পরগনার বনগাঁ থেকে তাদের পাকড়াও করা হয়েছে।

Advertisement
বনগাঁয় লুকিয়ে ছিল হাদি খুনের ২ অভিযুক্ত, কীভাবে ভারতে এল? বড় খবরওসমান হাদি খুনে জালে দুই বাংলাদেশি অভিযুক্ত, বনগাঁ থেকে গ্রেফতার
হাইলাইটস
  • দুই বাংলাদেশি নাগরিককে গ্রেফতার করল রাজ্য এসটিএফ।
  • উত্তর ২৪ পরগনার বনগাঁ এলাকা থেকে তাদের পাকড়াও করা হয়েছে।
  • বাংলাদেশে খুনের ঘটনার পরেই অভিযুক্তরা পালিয়ে ভারতে এসেছিল।

Osman Hadi murder case: বাংলাদেশে ওসমান হাদি খুনের জড়িত সন্দেহে দুই বাংলাদেশি নাগরিককে গ্রেফতার করল রাজ্য এসটিএফ। উত্তর ২৪ পরগনার বনগাঁ থেকে তাদের পাকড়াও করা হয়েছে। পুলিশ সূত্রে খবর, বাংলাদেশে খুনের ঘটনার পরেই অভিযুক্তরা পালিয়ে ভারতে এসেছিল। মেঘালয় সীমান্ত দিয়ে এদেশে ঢুকেছিল তারা। পরে সুযোগ বুঝে পশ্চিমবঙ্গ দিয়ে বাংলাদেশে ফিরে যাওয়ার পরিকল্পনা করছিল।

পশ্চিমবঙ্গ STF-এর দাবি, গোপন সূত্রে তাঁদের কাছে খবর এসেছিল। জানা যায়, বাংলাদেশে খুন ও তোলাবাজি-সহ একাধিক গুরুতর অপরাধে জড়িত দুই বাংলাদেশি নাগরিক পালিয়ে ভারতে ঢুকেছে। তারা অবৈধভাবে বর্ডার পেরিয়ে পশ্চিমবঙ্গের সীমান্তবর্তী এলাকায় আশ্রয় নেওয়ার চেষ্টা করছে। বনগাঁ সীমান্ত এলাকায় লুকিয়ে রয়েছে। সুযোগ পেলেই আবার বাংলাদেশে পালিয়ে যাওয়ার পরিকল্পনা করছে বলেও গোয়েন্দা সূত্রে জানা যায়।

এই তথ্যের ভিত্তিতেই অভিযান শুরু করে এসটিএফ। গভীর রাতে বনগাঁ এলাকায় অভিযান চালিয়ে দুই সন্দেহভাজনকে আটক করা হয়। পরে জিজ্ঞাসাবাদের পর তাঁদের গ্রেফতার করা হয় বলে জানিয়েছে পুলিশ।

ধৃতদের পরিচয় জানিয়েছে এসটিএফ। ধৃতদের একজন রাহুল ওরফে ফয়সল করিম মাসুদ (৩৭)। তার বাড়ি বাংলাদেশের পটুয়াখালি জেলায়। অন্য জনের নাম আলমগির হোসেন (৩৪)। বাড়ি ঢাকায়। পুলিশের দাবি, প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে ধৃতরা স্বীকার করেছে যে তারা বাংলাদেশের রাজনৈতিক নেতা ওসমান হাদির খুনের ঘটনায় জড়িত।

এসটিএফ সূত্রে আরও জানা গিয়েছে, খুনের ঘটনার পর অভিযুক্তরা বাংলাদেশ থেকে পালিয়ে যায়। প্রথমে মেঘালয় সীমান্ত দিয়ে অবৈধভাবে ভারতে ঢোকে। এরপর ভারতের বিভিন্ন জায়গায় বারবার স্থান পরিবর্তন করতে থাকে। তারা ভেবেছিল, এতে তাদের খোঁজ পাওয়া কঠিন হয়ে যাবে। শেষ পর্যন্ত তারা বনগাঁ এলাকায় এসে আশ্রয় নেয়।

পুলিশের অনুমান, সীমান্তবর্তী এলাকা হওয়ায় বনগাঁ থেকেই আবার বাংলাদেশে পালিয়ে যাওয়ার পরিকল্পনা করছিল তারা। সেই সময়েই এসটিএফের জালে ধরা পড়ে অভিযুক্তরা।

এই ঘটনায় ইতিমধ্যেই একটি মামলা দায়ের করা হয়েছে বলে জানিয়েছে এসটিএফ। শনিবার ধৃতদের সংশ্লিষ্ট আদালতে তোলা হয়। আদালতের নির্দেশে তাঁদের পুলিশ হেফাজতে পাঠানো হয়েছে। তদন্তকারীদের দাবি, এই ঘটনায় আরও কেউ জড়িত রয়েছে কি না, তা খতিয়ে দেখা হচ্ছে।

Advertisement

এসটিএফের তরফে জানানো হয়েছে, পুরো ঘটনার তদন্ত শুরু হয়েছে। অভিযুক্তরা কীভাবে সীমান্ত পেরিয়ে ভারতে ঢুকেছিল, কোথায় কোথায় লুকিয়ে ছিল এবং কারা তাদের সাহায্য করেছে ; সেই সব দিকও খতিয়ে দেখা হচ্ছে।

POST A COMMENT
Advertisement