প্রতীকী ছবি চার বছর আগের কথা। বাড়ির অমতে পালিয়ে গিয়ে বিয়ে করেছিলেন যুবতী। ভেবেছিলেন সুখে-শান্তিতে স্বামীর সঙ্গে থাকবেন। কিন্তু চার বছর পর ঘটল উল্টোটা। যার জন্য বাড়ি থেকে পালিয়েছিলেন সেই তাঁর হাতেই খুন হতে হল। ঘটনা উত্তরপ্রদেশের বালিয়ার। জামাইয়ের হাতে প্রাণ হারিয়েছেন শাশুড়িও। গুরুতর জখম অবস্থায় যুবতীর বাবা হাসপাতালে চিকিৎসাধীন।
বাছাইপুর গ্রামের বাসিন্দা অমিত গুপ্তা। সেখানেই বাড়ি স্ত্রী প্রীতির। তাঁরা একে অপরকে ভালোবাসতেন। তবে তা মেনে নেয়নি প্রীতির পরিবার। তবে বাড়ির অমতে গিয়ে ২০২২ সালে অমিতকেই বিয়ে করেন প্রীতি। তারপর শ্বশুরবাড়ি চলে যান।
প্রীতি ভেবেছিলেন আর পাঁচজনের মতো সুখে-শান্তিতে সংসার করবেন তিনি। কিন্তু অমিতের বাড়ি গিয়ে তাঁর ধারণা ভেঙে যায়। অভিযোগ, স্বামীর হাতে নির্যাতনের শিকার হতে শুরু করেন তিনি। তবে ওই দম্পত্তির এক সন্তানও হয়।
শ্নশুরবাড়িতে ঝামেলার জেরে দিন দশেক আগে প্রীতি চলে আসেন বাপের বাড়ি। অমিত তা সহ্য করতে পারেনি। গত রাতে সে চুপিসারে শ্বশুরবাড়িতে ঢুকে পড়ে। প্রীতির কাছ থেকে শিশুকে ছিনিয়ে নেওয়ার চেষ্টা করে। প্রীতি বাধা দিলে অমিত তাঁকে এলোপাথাড়ি ছুরিকাঘাত করে। চিৎকার শুনে মা-বাবা বাঁচাতে আসেন, তখন তাঁদের উপরও হামলা চালায় ওই অভিযুক্ত। এর জেরে মারা যান প্রীতি ও তাঁর মা। ঘটনাস্থল থেকে পালিয়ে যায় অভিযুক্ত।
এদিকে খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে যায় পুলিশ। তারা দুইটি মৃতদেহ ময়নাতদন্তের জন্য পাঠায়। পলাতক অভিযুক্তের খোঁজে তল্লাশি শুরু করে। এই ঘটনায় গোটা এলাকায় চরম আতঙ্ক ছড়িয়েছে। পুলিশ জানিয়েছে, অভিযুক্তের সন্ধান চলছে। কেন খুন, তা খতিয়ে দেখা হচ্ছে।