ধর্ষণ/ প্রতীকী ছবি শারীরিক অসুস্থতার জন্য যৌন মিলনে নিষেধ ছিল স্ত্রীর। তার সুযোগ নিয়ে স্ত্রীয়ের অজান্তেই তাঁদের কন্যা সন্তানকে দিনের পর দিন জোরপূর্বক ধর্ষণ করে অভিযুক্ত স্বামী। নিজের ১৪ বছরের মেয়ের সঙ্গে জোরপূর্বক শারীরিক সম্পর্ক করে যাচ্ছিল সে। বিয়ের ১৯ বছর পর স্বামীর এই কাণ্ডে হতবাক স্ত্রী। সোমবার রাতে স্বামীকে দায়ী করে নারায়ণপুর থানায় (Narayanpur Police Station) অভিযোগ দায়ের করেছেন অভিযুক্তের স্ত্রী। মহিলা রাজারহাট গাথির বাসিন্দা।
মহিলা অভিযোগ করেন, গত মার্চ মাস থেকে তাঁর বড় মেয়ের সঙ্গে জোর করে শারীরিক সম্পর্ক করত স্বামী। নিজের ওপর শারীরিক অত্যাচারের এই ঘটনা ঠাকুমা, জেঠিমাকে মেয়ে জানালেও এর বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেয়নি কেউই। পাল্টা, চুপ করে থাকার পরামর্শ দেয় তারা। ভয়ে, লজ্জায় চুপ করেছিল মেয়েও। ভয়াবহ দিনগুলির কথা মাকে জানাতে না পেরে গুমরে মরছিল সে। আতঙ্কের মধ্যে দিন কাটছিল মেয়ের। এই পুজোয় ষষ্ঠীতে দিদার বাড়ি গেলে, সবঘটনা জানায় কিশোরী। এরপর মেয়েকে নাতনির ওপর অত্যাচারের সমস্ত ঘটনা জানান। এই ঘটনার বিবরণ দিতে গিয়ে কান্নায় ভেঙে পড়েন অভিযুক্তের স্ত্রী।
পাশাপাশি, শাশুড়ি ও জায়ের বিরুদ্ধেও শাস্তির দাবি জানান তিনি। বিস্তারিত জানার পর, মা তার মেয়ের পাশে দাঁড়ানোর সিদ্ধান্ত নেন এবং এমনকি তার স্বামীর বিরুদ্ধে অভিযোগ দায়ের করেন। অভিযুক্ত স্বামীর বিরুদ্ধে পুলিশে এফআইআর দায়ের করেন স্ত্রী। ধৃত স্বামীকে জেল হেফাজতে নেয় নারায়ণপুর থানার পুলিশ।