scorecardresearch
 

Shyampur Murder : মেয়ের সম্মান বাঁচাতে গিয়ে বাবা খুন, সেই শ্যামপুরে ব্যাপক বিক্ষোভ BJP-র

আজ শ্যামপুর থানার বাইরে ব্যাপক বিক্ষোভ দেখায় বিজেপি। আর সেই বিক্ষোভ কর্মসূচিতে যোগ দেন নিহতের এলাকার বাসিন্দারা। তাঁদের মধ্যে মহিলাদের উপস্থিতি ছিল চোখে পড়ার মতো। বিক্ষোভকারীদের আটকাতে মোতায়েন ছিল পুলিশ বাহিনী ও ব়্যাফ। ব্যারিকেড দিয়ে বিক্ষোভকারীদের আটকানোর চেষ্টা করে পুলিশ। কিন্তু বিক্ষোভকারীরা ভিতরে ঢোকার চেষ্টা করলে শুরু হয় পুলিশের সঙ্গে ধাক্কাধাক্কি।

শ্যামপুর থানার বাইরে বিক্ষোভ শ্যামপুর থানার বাইরে বিক্ষোভ
হাইলাইটস
  • শ্যামপুর খুনে বাড়ছে উত্তেজনা
  • থানার বাইরে বিক্ষোভ
  • মন্ত্রীর মন্তব্য ঘিরে প্রশ্ন

হাওড়ার শ্যামপুরে মেয়ের সম্ভ্রম বাঁচাতে গিয়ে বাবার খুন হওয়ার ঘটনায় ক্রমেই চড়ছে উত্তেজনার পারদ। ঘটনার প্রতিবাদে এবং ধৃতদের কঠিন শাস্তির দাবিতে আজ শ্যামপুর থানার বাইরে ব্যাপক বিক্ষোভ দেখায় বিজেপি। আর সেই বিক্ষোভ কর্মসূচিতে যোগ দেন নিহতের এলাকার বাসিন্দারা। তাঁদের মধ্যে মহিলাদের উপস্থিতি ছিল চোখে পড়ার মতো। বিক্ষোভকারীদের আটকাতে মোতায়েন ছিল পুলিশ বাহিনী ও ব়্যাফ। ব্যারিকেড দিয়ে বিক্ষোভকারীদের আটকানোর চেষ্টা করে পুলিশ। কিন্তু বিক্ষোভকারীরা ভিতরে ঢোকার চেষ্টা করলে শুরু হয় পুলিশের সঙ্গে ধাক্কাধাক্কি। এমনকী ব্যারিকেড তুলে ফেলে দেওয়ারও চেষ্টা করেন বিক্ষোভকারীরা। পুলিশের ভূমিকা নিয়ে ব্যাপক ক্ষোভ প্রকাশ করতে দেখা যায় এলাকাবাসীদের। অন্যদিকে ঘটনার প্রতিবাদে এদিন কংগ্রেসের পক্ষ থেকেও পথ অবরোধ কর্মসূচি পালন করা হয়। 

প্রসঙ্গত, গত রবিবার সন্ধ্যে সাড়ে ৬টা নাগাদ সাইকেলে চেপে টিউশন পড়তে যায় এলাকারই এক দশম শ্রেণির এক ছাত্রী। রাত সাড়ে ৮টা নাগাদ বাড়ি ফিরছিল সে। অভিযোগ, সেই সময়ই তার পথ আটকে দাঁড়ায় ৩ দুষ্কৃতী। ছাত্রীর হাত ধরে টানা-হিঁচড়া করতে থাকে তারা। দুষ্কৃতীদের হাত থেকে বাঁচতে চিৎকার শুরু করে ওই ছাত্রী। সেই সময় ওই ছাত্রীর চিৎকার শুনে ছুটে যান তার বাবা এবং মেয়েকে দুষ্কৃতীদের হাত থেকে বাঁচান। 

অভিযোগ, এরপর পর সেই ঘটনার 'বদলা' নিতে ওই ছাত্রীর বাবার ওপর হামলা চালায় দুষ্কৃতীরা। তাঁকে অন্ধকার ফাঁকা মাঠে নিয়ে গিয়ে বেধড়ক মারধর করা হয় বলে অভিযোগ। দুষ্কৃতীদের মারধরে অচৈতন্য হয়ে পড়েন ওই ছাত্রীর বাবা। এরপর তাঁকে উদ্ধার করে প্রথমে শ্যামপুরের একটি গ্রামীণ হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়। সেখানে অবস্থার অবনতি হলে উলুবেড়িয়া মহকুমা হাসপাতালে স্থানান্তরিত করা হয় ওই ব্যক্তিকে। সোমবার রাতে মৃত্যু হয় ওই ব্যক্তির। ঘটনার পর থেকেই উত্তপ্ত হয়ে ওঠে এলাকা। ঘটনায় ইতিমধ্যেই ৩ দনকে গ্রেফতার করা হয়েছে। তাদের পুলিশ হেফাজতের নির্দেশ দিয়েছে আদলত।

এদিকে এই ঘটনার প্রেক্ষিতে রাজ্যের মন্ত্রী অরূপ রায়ের মন্তব্যকে ঘিরে উঠতে শুরু করেছে প্রশ্ন। সাংবাদিকদের প্রশ্নের উত্তরে অরূপ রায় বলেন, '৩৪ বছর কাটিয়ে এসেছি। সেই সময় ৬ বছরের শিশু থেকে শুরু করে ৭০ বছরের বৃদ্ধা পর্যন্ত অত্যাচারিত হয়েছেন, ধর্ষিত হয়েছেন। সারা পশ্চিমবাংলায় যে পুলিশ বাহিনী আছে তা দিয়ে প্রত্যেকটা গ্রামে, প্রত্যেকটা পাড়ায়, প্রত্যেকটা গ্রামের ভিতরে কোথায় কী হচ্ছে সেটা সম্ভব নয়। এটা আমাদেরকেই দায়িত্ব নিতে হবে। যুব সমাজকে দায়িত্ব নিতে হবে বোনেদের রক্ষা করার'।