scorecardresearch
 

"আমার মৃত্যু তোমার বিয়ের গিফট", দেওয়ালে লিখে ভিডিও করে আত্মঘাতী যুবক

"আমার মৃত্যু তোমার বিয়ের গিফট", দেওয়ালে লিখে ভিডিও করে আত্মঘাতী যুবক। ছত্তিসগড়ের এই ঘটনা এখন শিরোনামে। পাশাপাশি হরিয়ানাতেও একটি প্রেমিকযুগলের এমনই ঘটনা সামনে এসেছে। সেখানে অবশ্য যুগলই মত্যুর কোলে ঢলে পড়েছেন।

"আমার মৃত্যু তোমার বিয়ের গিফট", দেওয়ালে লিখে ভিডিও করে আত্মঘাতী যুবক "আমার মৃত্যু তোমার বিয়ের গিফট", দেওয়ালে লিখে ভিডিও করে আত্মঘাতী যুবক
হাইলাইটস
  • "আমার মৃত্যু তোমার বিয়ের গিফট",
  • ভিডিও করে আত্মঘাতী যুবক
  • তার আগে দেওয়ালে লিখে যান এই লাইনগুলি

ছত্রিশগড়ের বালোদ জেলায় মর্মান্তিক ঘটনা সামনে এসেছে। এটি একতরফা প্রেমে যুবকের আত্মহত্যার ঘটনা। আত্মহত্যা করার আগে ওই যুবক ক্যামেরার সামনে ওই ঘরের দেওয়ালে লিখেছেন যে তার মৃত্যু প্রেমিকার জন্য একতরফা প্রেমের বিয়ের গিফট। সঙ্গে ওই যুবক আত্মহত্যার আগে একটি ভিডিও বানিয়েছেন এবং সেটি হোয়াটসঅ্যাপে স্ট্যাটাসে আপলোড করে দিয়েছেন।

দেওয়ালে লিখে, ভিডিও করে আত্মহত্যা

পুলিশ জানিয়েছে ওই যুবক দেওয়ালের কয়লা দিয়ে লিখেছেন, "মেরি মউত তেরি শাদি কা গিফট। আই লাভ ইউ।" অর্থাৎ আমার মৃত্যু তোমার বিয়ের উপহার। আমি তোমাকে ভালোবাসি। এরপরে তিনি গলায় দড়ির ফাঁস গলিয়ে দিয়ে ভিডিও বানান এবং সেটি হোয়াটসঅ্যাপ স্ট্যাটাস শেয়ার করেন। এর পরে ঘরের সিলিং ফ্যানের সঙ্গে তিনি ঝুলে গিয়ে আত্মঘাতী হয়ে পড়েন।

একতরফা ভালবাসার পরিণতি

আসলে যুবক একটি যুবতীকে একতরফা ভালোবাসতেন। ওই মেয়েটির বিয়ে ঠিক হয়ে গিয়েছে। যা যুক্তি মেনে নিতে পারেনি। তাই এই সিদ্ধান্ত ডিএসপি প্রতিনিধি জানিয়েছেন যে, মৃতদেহ পোস্টমর্টেম এর জন্য পাঠিয়ে দেওয়া হয়েছে। সঙ্গে ওই ভিডিওর যাচাই করা হচ্ছে। পরবর্তীতে তা যাচাই করে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

বিয়ের প্রতিশ্রুতি না পাওয়াতে আত্মহত্যা

সম্প্রতি হরিয়ানার চরখি দাদ্রি একটি প্রেমিক যুগল বিয়ের কথা জানালে, তার পরিবার রাজি হননি। এরপরই তারা আত্মহত্যা করে নেন। জানা গিয়েছে যে যুবক এবং যুবতী দুজনেই দুদিন থেকে নিখোঁজ ছিলেন এবং এর সময়ের মধ্যে পরিবারের লোকেরা দুজনকে খোঁজাখুজি করেন। কিন্তু তাঁরা তাদের কোনও খোঁজ পাননি। দুজনেই নিজেদের মধ্যে বিয়ে করতে চেয়েছিলেন। একই গোত্র হওয়ার কারণে বিয়েতে পরিজনেরা সম্মতি দেননি। এই বিষয়টিতে দুজনে আহত হয়ে পড়েন এবং একসঙ্গে বাঁচতে না পারলেও একসঙ্গে সঙ্গে মরার সিদ্ধান্ত নিয়ে ফেলেন। দুজনের পরিবার তাদের অনেক বুঝিয়ে ছেড়ে কিন্তু কাজ হয়নি।

ঘর থেকে পালিয়ে যান দুজন

প্রেমিক-প্রেমিকা এরপরে দুজনে যুগলে ঘর থেকে পালিয়ে যান। প্রেমিক যুগল নিজেদের খেতে গিয়ে গাছের সঙ্গে ঝুলে আত্মহত্যা করে নেন। দুজনেই একই সঙ্গে একই দড়িতে ঝুলে পড়েন। এই সময়ে গ্রামীণ লোকেরা যখন খেতে কাজ করতে গিয়েছিলেন, সেই সময়ে তারা এটি দেখতে পান। গ্রামের বাসিন্দারা এসে পঞ্চায়েত প্রধানকে জানান এবং তারপরই পুলিশকে জানানো হয়।